ঢাকা , শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫ , ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বিএসএফ মহাপরিচালকের ব্যাখ্যায় দ্বিমত বিজিবির ডিজির ১৪ সদস্যের ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন মৎস্য ভবনের সামনে সড়ক অবরোধ প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের শিশু ধর্ষণ আশঙ্কাজনক বৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ সিলেটে পুকুর থেকে সাদাপাথর উদ্ধার ভোলাগঞ্জের পাথর লুট করে ১৫০০-২০০০ ব্যক্তি বাংলাভাষী লোকজনকে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে দেশছাড়া করতে দেব না- মমতা রোডম্যাপকে স্বাগত জানাই-জোনায়েদ সাকি ইসির রোডম্যাপে খুশি বিএনপি-মির্জা ফখরুল ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে ইন্টার মায়ামি টাইব্রেকারে গ্রিমসবির কাছে হেরে বিদায় নিলো ম্যানইউ নতুন মাইলফলক স্পর্শ করলেন হামজা ‘মুসলিম হওয়ার কারণে অনেকে আমাকে টার্গেট করেন’ ভারতের ২৬ বিশ্বকাপ জেতার সুযোগ দেখছেন না শ্রীকান্ত নতুন ক্যাটাগোরিতে বেতন কত কমল বাবর-রিজওয়ানের? বড় ব্যবধানে হারলো সাকিবের ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স বাংলাদেশকে হারানো সহজ হবে না: স্কট এডওয়ার্ডস রাকসু নির্বাচনের তফসিল ৩য় বারের মতো পুনর্বিন্যস্ত পিছিয়েছে ভোট জকসু নির্বাচনে বয়সসীমা থাকছে না

মৃত্যুর আগে যেমন দেশ দেখতে চেয়েছিলেন কবি হেলাল হাফিজ

  • আপলোড সময় : ১৩-১২-২০২৪ ১০:৪০:১২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৩-১২-২০২৪ ১০:৪০:১২ অপরাহ্ন
মৃত্যুর আগে যেমন দেশ দেখতে চেয়েছিলেন কবি হেলাল হাফিজ
কবি তখন শয্যাশায়ী। চোখে ঠিকঠাক দেখতে পান না। কথা জড়িয়ে যায়। শাহবাগের একটি হোস্টেলে নিঃসঙ্গতায় শেষ দিনগুলো কাটছে তার। ঠিক সে সময়টাতেই ছাত্র আন্দোলনে উত্তাল ঢাকার রাজপথ। সেই আন্দোলনের তীর্থও শাহবাগ।
তরুণ বয়সে থাকলে হয়ত কবি নিজেই রাজপথে নেমে যেতেন। কবি-ই তো লিখেছিলেন, ‘এখন যৌবন যার, মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়’-র মতো অমর পঙক্তি। যুগে যুগে দেশের তরুণ সমাজকে যে লাইন অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার পথ দেখিয়েছে।
কবি সশরীরে হয়ত আন্দোলনে যোগ দিতে পারেননি। তবে মনে পড়েছিল যৌবনের দাবি মেনে অধিকার আদায়ের আন্দোলনে পথে নামা তরুণদের মিছিলে। ছাত্রদের সে আন্দোলন সফল হয়েছে। স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। কবিও নিভৃত থেকে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বুনেছেন।
গত ৭ অক্টোবর ছিল কবির ৭৭তম জন্মদিন। একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান নিয়ে ‘যৌবনের কবি’ হেলাল হাফিজ বলেছিলেন, অকল্পনীয় বিজয় এনেছে আমাদের ছাত্র-জনতা। এখনো এটা অবিশ্বাস্য আমার কাছে।
বিপ্লবী ছাত্র-জনতাকে অনুরোধ জানিয়ে কবি যোগ করেন, একটা অনুরোধ, বারবার রক্ত না, এবারের রক্তের ত্যাগে যেন দেশ সুন্দর হয়। সবাই যেন মিলেমিশে থাকে। মানুষের অধিকার যেন রক্ষা হয়। যে ক্ষমতায় আসে সে যেন এই খেয়াল রাখে।
১৯৮১ সালে প্রকাশিত কবিতার বই ‘যে জলে আগুন জ্বলে’ দিয়ে কোটি ভক্তের হৃদয় জয় করেছেন হেলাল হাফিজ। সে বইয়ের কবিতা ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’তে কবি লিখেছিলেন, এখন যৌবন যার, মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়/এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়’। কবির এই পঙক্তি জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানেও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
গতকাল শুক্রবার অসংখ্য গুণগ্রাহীকে কাঁদিয়ে পরপারে চলে গেছেন কবি। শাহবাগের সেই হোস্টেলেই নিভেছে দ্রোহের আগুন।
প্রসঙ্গত, ১৯৪৮ সালের ৭ অক্টোবর নেত্রকোণায় জন্মগ্রহণ করেন হেলাল হাফিজ। কবিতার জন্য ২০১৩ সালে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। তিনি জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স