
কবি তখন শয্যাশায়ী। চোখে ঠিকঠাক দেখতে পান না। কথা জড়িয়ে যায়। শাহবাগের একটি হোস্টেলে নিঃসঙ্গতায় শেষ দিনগুলো কাটছে তার। ঠিক সে সময়টাতেই ছাত্র আন্দোলনে উত্তাল ঢাকার রাজপথ। সেই আন্দোলনের তীর্থও শাহবাগ।
তরুণ বয়সে থাকলে হয়ত কবি নিজেই রাজপথে নেমে যেতেন। কবি-ই তো লিখেছিলেন, ‘এখন যৌবন যার, মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়’-র মতো অমর পঙক্তি। যুগে যুগে দেশের তরুণ সমাজকে যে লাইন অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার পথ দেখিয়েছে।
কবি সশরীরে হয়ত আন্দোলনে যোগ দিতে পারেননি। তবে মনে পড়েছিল যৌবনের দাবি মেনে অধিকার আদায়ের আন্দোলনে পথে নামা তরুণদের মিছিলে। ছাত্রদের সে আন্দোলন সফল হয়েছে। স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। কবিও নিভৃত থেকে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বুনেছেন।
গত ৭ অক্টোবর ছিল কবির ৭৭তম জন্মদিন। একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান নিয়ে ‘যৌবনের কবি’ হেলাল হাফিজ বলেছিলেন, অকল্পনীয় বিজয় এনেছে আমাদের ছাত্র-জনতা। এখনো এটা অবিশ্বাস্য আমার কাছে।
বিপ্লবী ছাত্র-জনতাকে অনুরোধ জানিয়ে কবি যোগ করেন, একটা অনুরোধ, বারবার রক্ত না, এবারের রক্তের ত্যাগে যেন দেশ সুন্দর হয়। সবাই যেন মিলেমিশে থাকে। মানুষের অধিকার যেন রক্ষা হয়। যে ক্ষমতায় আসে সে যেন এই খেয়াল রাখে।
১৯৮১ সালে প্রকাশিত কবিতার বই ‘যে জলে আগুন জ্বলে’ দিয়ে কোটি ভক্তের হৃদয় জয় করেছেন হেলাল হাফিজ। সে বইয়ের কবিতা ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’তে কবি লিখেছিলেন, এখন যৌবন যার, মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়/এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়’। কবির এই পঙক্তি জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানেও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
গতকাল শুক্রবার অসংখ্য গুণগ্রাহীকে কাঁদিয়ে পরপারে চলে গেছেন কবি। শাহবাগের সেই হোস্টেলেই নিভেছে দ্রোহের আগুন।
প্রসঙ্গত, ১৯৪৮ সালের ৭ অক্টোবর নেত্রকোণায় জন্মগ্রহণ করেন হেলাল হাফিজ। কবিতার জন্য ২০১৩ সালে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। তিনি জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য।
তরুণ বয়সে থাকলে হয়ত কবি নিজেই রাজপথে নেমে যেতেন। কবি-ই তো লিখেছিলেন, ‘এখন যৌবন যার, মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়’-র মতো অমর পঙক্তি। যুগে যুগে দেশের তরুণ সমাজকে যে লাইন অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার পথ দেখিয়েছে।
কবি সশরীরে হয়ত আন্দোলনে যোগ দিতে পারেননি। তবে মনে পড়েছিল যৌবনের দাবি মেনে অধিকার আদায়ের আন্দোলনে পথে নামা তরুণদের মিছিলে। ছাত্রদের সে আন্দোলন সফল হয়েছে। স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। কবিও নিভৃত থেকে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বুনেছেন।
গত ৭ অক্টোবর ছিল কবির ৭৭তম জন্মদিন। একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান নিয়ে ‘যৌবনের কবি’ হেলাল হাফিজ বলেছিলেন, অকল্পনীয় বিজয় এনেছে আমাদের ছাত্র-জনতা। এখনো এটা অবিশ্বাস্য আমার কাছে।
বিপ্লবী ছাত্র-জনতাকে অনুরোধ জানিয়ে কবি যোগ করেন, একটা অনুরোধ, বারবার রক্ত না, এবারের রক্তের ত্যাগে যেন দেশ সুন্দর হয়। সবাই যেন মিলেমিশে থাকে। মানুষের অধিকার যেন রক্ষা হয়। যে ক্ষমতায় আসে সে যেন এই খেয়াল রাখে।
১৯৮১ সালে প্রকাশিত কবিতার বই ‘যে জলে আগুন জ্বলে’ দিয়ে কোটি ভক্তের হৃদয় জয় করেছেন হেলাল হাফিজ। সে বইয়ের কবিতা ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’তে কবি লিখেছিলেন, এখন যৌবন যার, মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়/এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়’। কবির এই পঙক্তি জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানেও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
গতকাল শুক্রবার অসংখ্য গুণগ্রাহীকে কাঁদিয়ে পরপারে চলে গেছেন কবি। শাহবাগের সেই হোস্টেলেই নিভেছে দ্রোহের আগুন।
প্রসঙ্গত, ১৯৪৮ সালের ৭ অক্টোবর নেত্রকোণায় জন্মগ্রহণ করেন হেলাল হাফিজ। কবিতার জন্য ২০১৩ সালে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। তিনি জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য।