
নোয়াখালীতে হরিণের ৩০ কেজি মাংস উদ্ধার
নোয়াখালী প্রতিনিধি
নোয়াখালীর উপকূলীয় দ্বীপ হাতিয়ার ঢালচরে ৩০ কেজি হরিণের মাংস, চামড়া ও মাথাসহ চারটি পা উদ্ধার করা হয়েছে। গত রোববার বিকেলে এসব উদ্ধার করা হয়। জানা যায়, হাতিয়া কোস্টগার্ড স্টেশনের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার এম মতিউর রহমানের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সদস্যরা ঢালচরে যায়। সেখানে একটি চোরায় চক্র হরিণ কাটতে থাকার সময় কোস্টগার্ডের সদস্যদের অবস্থান টের পেয়ে তারা পালিয়ে যায়।
পরে কোস্টগার্ড সদস্যরা বাগানের মধ্যে থেকে ৩০ কেজি ওজনের হরিণের মাংস, চামড়া, মাথা ও চারটি পা উদ্ধার করেছে। পরে হাতিয়া বন বিভাগের কাছে এই মাংসগুলো হস্তান্তর করা হয়। স্থানীয়রা ধারণা করছে, একটি চোরাই চক্র নিঝুম দ্বীপ থেকে বন বিভাগের অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে হরিণগুলো লুট করে নিয়ে মাংস বিক্রি করছে। গত ১০ বছরে অন্তত শত শত হরিণ এভাবে বিলুপ্ত হয়েছে। এজন্য নিঝুম দ্বীপের হরিণ রক্ষায় বন বিভাগকে আরও উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
রংপুরে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ৩ সদস্যের কারাদণ্ড
রংপুর প্রতিনিধি
রংপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের তিন সদস্যকে পৃথক পৃথক মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গত সোমবার দুপুরে রংপুর সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের গ্রুপ প্রধান নগরের কেরানীপাড়ার জাহিদ হাসান ওরফে আবু জায়েদ আল আনসার এবং মোবারক আলম ও শাহ আলম। তাদের মধ্যে জাহিদকে সাড়ে চার বছরের কারাদণ্ড ও ছয় হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড এবং মোবারক ও শাহ আলমকে চার বছর করে কারাদণ্ড ও চার হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই মাস করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এসময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৪ মে রাতে র্যাব-১৩ এর একটি দল জানতে পারে যে রংপুর নগরের কেরানীপাড়ার আব্দুল্লাহর ছেলে জাহিদ হাসান ওরফে আবু জায়েদ আল আনসারের বাড়িতে জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের কয়েকজন সদস্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য একত্রিত হয়েছেন। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে জাহিদের বাড়িতে অভিযান চালায় র্যাব। ওই সময় জাহিদ আটক হলেও অন্য সদস্যরা পালিয়ে যান। অভিযানে র্যাব জাহিদের বাড়িতে থাকা বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত গান পাউডার, মোটরসাইকেলের বল বিয়ারিং, পুরাতন ক্যাপাসিটর, স্কচটেপ, ইলেক্ট্রিক তার, ব্যাটারি ও মোবাইল সেট জব্দ করে। সেই সঙ্গে জাহিদের মোবাইল ফোনে সংরক্ষিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বোমা তৈরির পদ্ধতি, অপরাধ সংগঠনের পরিকল্পনা ও প্রচেষ্টা সংক্রান্ত নানা তথ্যাবলি পায় র্যাব।
এ ঘটনায় র্যাব জাহিদ ও তার সহযোগীদের আসামি করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করে। পরে পলাতক আসামি মোবারক আলম ও শাহ আলমকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের পুলিশে হস্তান্তর করা হয়। তদন্ত শেষে তাদের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে গত সোমবার এ রায় দেন বিচারক। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর রুহুল আমিন তালুকদার। আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম।
কুষ্টিয়ায় কৃষি উদ্যোক্তার দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ কর্মশালা
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কৃষি উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়নে যশোর অঞ্চলের টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় কুষ্টিয়ায় চার দিনের উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।
গত সোমবার সকাল ১০টায় কুষ্টিয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালকের কার্যালয়ের প্রশিক্ষণ হলরুমে এ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যশোর অঞ্চলের টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক রমেশ চন্দ্র ঘোষের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন কুষ্টিয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক সুফি মো. রফিকুজ্জামান। প্রকল্পের মনিটরিং ও মূল্যায়ন কর্মকর্তা মাসুম আব্দুল্লাহর পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মহসীন আলী, জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুল করীম, কৃষি প্রকৌশলী মোফাজ্জল হোসেন। চার দিনের এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জেলার ৬০ জন কৃষি উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করেন।
নোয়াখালী প্রতিনিধি
নোয়াখালীর উপকূলীয় দ্বীপ হাতিয়ার ঢালচরে ৩০ কেজি হরিণের মাংস, চামড়া ও মাথাসহ চারটি পা উদ্ধার করা হয়েছে। গত রোববার বিকেলে এসব উদ্ধার করা হয়। জানা যায়, হাতিয়া কোস্টগার্ড স্টেশনের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার এম মতিউর রহমানের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সদস্যরা ঢালচরে যায়। সেখানে একটি চোরায় চক্র হরিণ কাটতে থাকার সময় কোস্টগার্ডের সদস্যদের অবস্থান টের পেয়ে তারা পালিয়ে যায়।
পরে কোস্টগার্ড সদস্যরা বাগানের মধ্যে থেকে ৩০ কেজি ওজনের হরিণের মাংস, চামড়া, মাথা ও চারটি পা উদ্ধার করেছে। পরে হাতিয়া বন বিভাগের কাছে এই মাংসগুলো হস্তান্তর করা হয়। স্থানীয়রা ধারণা করছে, একটি চোরাই চক্র নিঝুম দ্বীপ থেকে বন বিভাগের অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে হরিণগুলো লুট করে নিয়ে মাংস বিক্রি করছে। গত ১০ বছরে অন্তত শত শত হরিণ এভাবে বিলুপ্ত হয়েছে। এজন্য নিঝুম দ্বীপের হরিণ রক্ষায় বন বিভাগকে আরও উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
রংপুরে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ৩ সদস্যের কারাদণ্ড
রংপুর প্রতিনিধি
রংপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের তিন সদস্যকে পৃথক পৃথক মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গত সোমবার দুপুরে রংপুর সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের গ্রুপ প্রধান নগরের কেরানীপাড়ার জাহিদ হাসান ওরফে আবু জায়েদ আল আনসার এবং মোবারক আলম ও শাহ আলম। তাদের মধ্যে জাহিদকে সাড়ে চার বছরের কারাদণ্ড ও ছয় হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড এবং মোবারক ও শাহ আলমকে চার বছর করে কারাদণ্ড ও চার হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই মাস করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এসময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৪ মে রাতে র্যাব-১৩ এর একটি দল জানতে পারে যে রংপুর নগরের কেরানীপাড়ার আব্দুল্লাহর ছেলে জাহিদ হাসান ওরফে আবু জায়েদ আল আনসারের বাড়িতে জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের কয়েকজন সদস্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য একত্রিত হয়েছেন। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে জাহিদের বাড়িতে অভিযান চালায় র্যাব। ওই সময় জাহিদ আটক হলেও অন্য সদস্যরা পালিয়ে যান। অভিযানে র্যাব জাহিদের বাড়িতে থাকা বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত গান পাউডার, মোটরসাইকেলের বল বিয়ারিং, পুরাতন ক্যাপাসিটর, স্কচটেপ, ইলেক্ট্রিক তার, ব্যাটারি ও মোবাইল সেট জব্দ করে। সেই সঙ্গে জাহিদের মোবাইল ফোনে সংরক্ষিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বোমা তৈরির পদ্ধতি, অপরাধ সংগঠনের পরিকল্পনা ও প্রচেষ্টা সংক্রান্ত নানা তথ্যাবলি পায় র্যাব।
এ ঘটনায় র্যাব জাহিদ ও তার সহযোগীদের আসামি করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করে। পরে পলাতক আসামি মোবারক আলম ও শাহ আলমকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের পুলিশে হস্তান্তর করা হয়। তদন্ত শেষে তাদের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে গত সোমবার এ রায় দেন বিচারক। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর রুহুল আমিন তালুকদার। আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম।
কুষ্টিয়ায় কৃষি উদ্যোক্তার দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ কর্মশালা
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কৃষি উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়নে যশোর অঞ্চলের টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় কুষ্টিয়ায় চার দিনের উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।
গত সোমবার সকাল ১০টায় কুষ্টিয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালকের কার্যালয়ের প্রশিক্ষণ হলরুমে এ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যশোর অঞ্চলের টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক রমেশ চন্দ্র ঘোষের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন কুষ্টিয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক সুফি মো. রফিকুজ্জামান। প্রকল্পের মনিটরিং ও মূল্যায়ন কর্মকর্তা মাসুম আব্দুল্লাহর পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মহসীন আলী, জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুল করীম, কৃষি প্রকৌশলী মোফাজ্জল হোসেন। চার দিনের এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জেলার ৬০ জন কৃষি উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করেন।