
জাহাঙ্গীর খান বাবু
আজ মঙ্গলবার দ্বিতীয় ধাপে সারা দেশের ১৫৬ উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ২৪টিতে ভোট হবে ইভিএমে। সকাল আটটায় শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল চারটা পর্যন্ত। এরই মধ্যে রোরবার মধ্যরাতে শেষ হয়েছে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের প্রচার-প্রাচারণা। গতকাল সোমবার সকাল থেকে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে নির্বাচনী সরঞ্জাম। এদিকে দ্বিতীয় ধাপে ভোটের দিন সংশ্লিষ্ট এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ১৬১টি উপজেলায় ভোটের তফসিল হলেও, শেষ পর্যন্ত হচ্ছে ১৫৬ উপজেলায়। প্রার্থীর মৃত্যু, স্থগিত ও আইনি জটিলতায় ৩ উপজেলায় ভোট পিছিয়েছে। আর ২টি উপজেলায় চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানের তিনটি পদেই একক প্রার্থী থাকায় ভোট হবে না। এই ধাপে ১৫৬ উপজেলার ২৪টিতে ভোট হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন-ইভিএমে।
দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৬০৩ জন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬৯৩ জন আর মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫২৮ জন। এরইমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৭ উপজেলায় চেয়ারম্যান, ৮ উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান এবং ৭ জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রায় ৩ কোটি ৫২ লাখ ভোটার দ্বিতীয় ধাপে ভোট প্রয়োগ করবেন। মোট ভোটকেন্দ্র ১৩ হাজার আর ভোটকক্ষ সাড়ে ৯১ হাজার।
নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আলমগীর জানিয়েছেন, ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারবেন।
নির্বাচনী এলাকাগুলোতে ভোটের দিন সাধারণ ছুটি এবং ভোটের আগের রাত থেকে ভোটের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকবে। তবে জরুরি সেবার যানবাহন সকল নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।
দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে ১৩ হাজার ১৬টি ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রের নিরাপত্তায় মোট ১৩ জন বা ততোধিক আনসার ও ভিডিপি সদস্য রোববার (১৯ মে) থেকে দায়িত্ব পালন করছেন। এদের মধ্যে একজন প্লাটুন কমান্ডার ও দুজন সহকারী প্লাটুন কমান্ডারের নেতৃত্বে ছয়জন পুরুষ এবং চারজন নারী আনসার-ভিডিপি সদস্য রয়েছেন। যেসব কেন্দ্রে বুথ সংখ্যা ছয়টির বেশি সেসব বুথের প্রতিটিতে অতিরিক্ত আরও একজন করে আনসার-ভিডিপি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তিনজন অস্ত্রসহ এবং বাকিরা অস্ত্রবিহীন ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত রয়েছেন।
জানা যায়, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক ভোট কেন্দ্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও ব্যালট বাক্সের নিরাপত্তায় ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৭ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি ৭৯ প্লাটুন (২৩৭০ জন) আনসার ব?্যাটালিয়ন সদস্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনা মোতাবেক দায়িত্ব পালনের জন্য স্ট্রাইকিং/স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে মোতায়েন করা হয়েছে। মোবাইল টিমে/স্ট্রাইকিং ফোর্সে দায়িত্বপালনের ক্ষেত্রে আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্যরা ন্যূনতম সেকশন (প্রতি সেকশন ১০ জন করে) ফরমেশনে দায়িত্বপালন করবেন।
এছাড়া পুলিশের মোবাইল টিম বা স্ট্রাইকিং টিমের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করছেন প্রায় ১০৫ প্লাটুন (৩২৪০ জন) সশস্ত্র আনসার ভিডিপি সদস্য। মোতায়েনকৃত সদস্যদের দায়িত্বপালন তদারকির জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ আরও ২২৯০ জন সদস্য মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন। সবাই ১৯ মে থেকে ২৩ মে পর্যন্ত মোট পাঁচ দিনের জন্য মোতায়েন থাকবেন।
সেই সাথে সারাদেশে ৪৫৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। আগামীকাল বুধবার পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃংখলা রক্ষার্থে বিজিবি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। এসব প্লাটুন বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় কাজ করবে।
এদিকে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর বলেছেন, আমরা আশা করি, দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে। ছোটখাটো যেসব সমস্যা মাঠে আছে সেগুলো যাতে না হয়, সেজন্য আমরা প্রশাসন অত্যন্ত সতর্ক রয়েছি। দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন প্রথম ধাপের নির্বাচনের চেয়েও সুষ্ঠু হবে।
আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। ইসি আলমগীর বলেন, পুলিশ প্রশাসন ভোটের পরে ৪৮ ঘণ্টা থাকে। সে সময়ের মধ্যে তো কিছু হয়নি। ভোটাররা যাতে ভোট দিতে পারেন, তবে কত ভোট পড়বে তা বলা কঠিন। সেটা বলা যাবে না। যেহেতু সব দল অংশ নিচ্ছে না, তাই ভোটের হার নিয়ে এখনই কিছু বলা যাবে না।
নির্বাচনী সহিংসতার জেরে গোপালগঞ্জে একজন মারা গেছে, সেখান থেকে কি শিক্ষা নিচ্ছে কমিশন? এমন প্রশ্নের জবাবে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভোটের কয় দিন পর এ ঘটনা ঘটেছে। তবে সেটা নির্বাচনের কারণে নাকি ব্যক্তিগত কারণে সেটাও দেখতে হবে। তদন্ত না হলে তো মূল কারণ বলা যায় না। এছাড়া নির্বাচন না থাকলে এ দেশে সহিংসতা হয় না, বিষয়টি তো এমন নয়। এখন পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে কি না, সেটা দেখতে হবে।
তিনি বলেন, ধান কাটার কারণে ভোট কম পড়েছে, বিষয়টা এমন নয়। আপনারা কেন বিষয়টা ওইদিকে নিয়ে আমাদের খোঁচা দেন। তাৎক্ষণিক কারণ ছিল সকালে বৃষ্টি। অন্যান্য কারণের মধ্যে ধান কাটাও একটা ছিল। তার বাইরে বড় একটি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়নি, এসব কারণে ভোট কম পড়েছে। তারা নির্বাচনে ভোট দিতে ভোটারদের নিষেধ করেছে এটা তারা বলতে পারেন। তবে জোর করে কাউকে ভোট দিতে যেতে বাধা দিতে পারবেন না। ভোট বর্জনের কথা তারা বলতেই পারবেন।
ইসি আলমগীর বলেন, ভোট কম পড়ার পেছনে একটি বড় ফ্যাক্টর বিএনপি। তবে একমাত্র ফ্যাক্টর নয়। বিশেষ করে আরেক বড় কারণ হলো স্থানীয় নির্বাচনে ভোটাররা চাকরিস্থল থেকেও আসতে চান না। এখন ৬০ শতাংশের বেশি ভোটাররা আসতে চান না। এটা সারা পৃথিবীতেই এমন। ভারতেও সব দল অংশ নিলেও ৬০ শতাংশ ভোট পড়েনি। তিনি বলেন, হলফনামায় ভুল কিছু বলা হলে আইনে শাস্তির কিছু বলা নেই। তবে এখানে প্রার্থী শপথ করে, কেউ মিথ্যা তথ্য দিলে যেকোনো নাগরিক আদালতে যেতে পারবেন। আদালত তখন শাস্তি দিতে পারেন প্রমাণিত হলে। তবে ইসির কিছু করার নেই।
আজ মঙ্গলবার দ্বিতীয় ধাপে সারা দেশের ১৫৬ উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ২৪টিতে ভোট হবে ইভিএমে। সকাল আটটায় শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল চারটা পর্যন্ত। এরই মধ্যে রোরবার মধ্যরাতে শেষ হয়েছে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের প্রচার-প্রাচারণা। গতকাল সোমবার সকাল থেকে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে নির্বাচনী সরঞ্জাম। এদিকে দ্বিতীয় ধাপে ভোটের দিন সংশ্লিষ্ট এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ১৬১টি উপজেলায় ভোটের তফসিল হলেও, শেষ পর্যন্ত হচ্ছে ১৫৬ উপজেলায়। প্রার্থীর মৃত্যু, স্থগিত ও আইনি জটিলতায় ৩ উপজেলায় ভোট পিছিয়েছে। আর ২টি উপজেলায় চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানের তিনটি পদেই একক প্রার্থী থাকায় ভোট হবে না। এই ধাপে ১৫৬ উপজেলার ২৪টিতে ভোট হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন-ইভিএমে।
দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৬০৩ জন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬৯৩ জন আর মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫২৮ জন। এরইমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৭ উপজেলায় চেয়ারম্যান, ৮ উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান এবং ৭ জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রায় ৩ কোটি ৫২ লাখ ভোটার দ্বিতীয় ধাপে ভোট প্রয়োগ করবেন। মোট ভোটকেন্দ্র ১৩ হাজার আর ভোটকক্ষ সাড়ে ৯১ হাজার।
নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আলমগীর জানিয়েছেন, ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারবেন।
নির্বাচনী এলাকাগুলোতে ভোটের দিন সাধারণ ছুটি এবং ভোটের আগের রাত থেকে ভোটের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকবে। তবে জরুরি সেবার যানবাহন সকল নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।
দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে ১৩ হাজার ১৬টি ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রের নিরাপত্তায় মোট ১৩ জন বা ততোধিক আনসার ও ভিডিপি সদস্য রোববার (১৯ মে) থেকে দায়িত্ব পালন করছেন। এদের মধ্যে একজন প্লাটুন কমান্ডার ও দুজন সহকারী প্লাটুন কমান্ডারের নেতৃত্বে ছয়জন পুরুষ এবং চারজন নারী আনসার-ভিডিপি সদস্য রয়েছেন। যেসব কেন্দ্রে বুথ সংখ্যা ছয়টির বেশি সেসব বুথের প্রতিটিতে অতিরিক্ত আরও একজন করে আনসার-ভিডিপি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তিনজন অস্ত্রসহ এবং বাকিরা অস্ত্রবিহীন ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত রয়েছেন।
জানা যায়, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক ভোট কেন্দ্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও ব্যালট বাক্সের নিরাপত্তায় ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৭ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি ৭৯ প্লাটুন (২৩৭০ জন) আনসার ব?্যাটালিয়ন সদস্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনা মোতাবেক দায়িত্ব পালনের জন্য স্ট্রাইকিং/স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে মোতায়েন করা হয়েছে। মোবাইল টিমে/স্ট্রাইকিং ফোর্সে দায়িত্বপালনের ক্ষেত্রে আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্যরা ন্যূনতম সেকশন (প্রতি সেকশন ১০ জন করে) ফরমেশনে দায়িত্বপালন করবেন।
এছাড়া পুলিশের মোবাইল টিম বা স্ট্রাইকিং টিমের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করছেন প্রায় ১০৫ প্লাটুন (৩২৪০ জন) সশস্ত্র আনসার ভিডিপি সদস্য। মোতায়েনকৃত সদস্যদের দায়িত্বপালন তদারকির জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ আরও ২২৯০ জন সদস্য মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন। সবাই ১৯ মে থেকে ২৩ মে পর্যন্ত মোট পাঁচ দিনের জন্য মোতায়েন থাকবেন।
সেই সাথে সারাদেশে ৪৫৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। আগামীকাল বুধবার পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃংখলা রক্ষার্থে বিজিবি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। এসব প্লাটুন বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় কাজ করবে।
এদিকে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর বলেছেন, আমরা আশা করি, দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে। ছোটখাটো যেসব সমস্যা মাঠে আছে সেগুলো যাতে না হয়, সেজন্য আমরা প্রশাসন অত্যন্ত সতর্ক রয়েছি। দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন প্রথম ধাপের নির্বাচনের চেয়েও সুষ্ঠু হবে।
আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। ইসি আলমগীর বলেন, পুলিশ প্রশাসন ভোটের পরে ৪৮ ঘণ্টা থাকে। সে সময়ের মধ্যে তো কিছু হয়নি। ভোটাররা যাতে ভোট দিতে পারেন, তবে কত ভোট পড়বে তা বলা কঠিন। সেটা বলা যাবে না। যেহেতু সব দল অংশ নিচ্ছে না, তাই ভোটের হার নিয়ে এখনই কিছু বলা যাবে না।
নির্বাচনী সহিংসতার জেরে গোপালগঞ্জে একজন মারা গেছে, সেখান থেকে কি শিক্ষা নিচ্ছে কমিশন? এমন প্রশ্নের জবাবে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভোটের কয় দিন পর এ ঘটনা ঘটেছে। তবে সেটা নির্বাচনের কারণে নাকি ব্যক্তিগত কারণে সেটাও দেখতে হবে। তদন্ত না হলে তো মূল কারণ বলা যায় না। এছাড়া নির্বাচন না থাকলে এ দেশে সহিংসতা হয় না, বিষয়টি তো এমন নয়। এখন পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে কি না, সেটা দেখতে হবে।
তিনি বলেন, ধান কাটার কারণে ভোট কম পড়েছে, বিষয়টা এমন নয়। আপনারা কেন বিষয়টা ওইদিকে নিয়ে আমাদের খোঁচা দেন। তাৎক্ষণিক কারণ ছিল সকালে বৃষ্টি। অন্যান্য কারণের মধ্যে ধান কাটাও একটা ছিল। তার বাইরে বড় একটি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়নি, এসব কারণে ভোট কম পড়েছে। তারা নির্বাচনে ভোট দিতে ভোটারদের নিষেধ করেছে এটা তারা বলতে পারেন। তবে জোর করে কাউকে ভোট দিতে যেতে বাধা দিতে পারবেন না। ভোট বর্জনের কথা তারা বলতেই পারবেন।
ইসি আলমগীর বলেন, ভোট কম পড়ার পেছনে একটি বড় ফ্যাক্টর বিএনপি। তবে একমাত্র ফ্যাক্টর নয়। বিশেষ করে আরেক বড় কারণ হলো স্থানীয় নির্বাচনে ভোটাররা চাকরিস্থল থেকেও আসতে চান না। এখন ৬০ শতাংশের বেশি ভোটাররা আসতে চান না। এটা সারা পৃথিবীতেই এমন। ভারতেও সব দল অংশ নিলেও ৬০ শতাংশ ভোট পড়েনি। তিনি বলেন, হলফনামায় ভুল কিছু বলা হলে আইনে শাস্তির কিছু বলা নেই। তবে এখানে প্রার্থী শপথ করে, কেউ মিথ্যা তথ্য দিলে যেকোনো নাগরিক আদালতে যেতে পারবেন। আদালত তখন শাস্তি দিতে পারেন প্রমাণিত হলে। তবে ইসির কিছু করার নেই।