
উপজেলা-পৌর কিংবা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের তৃণমূলের পরিক্ষীত নেতাকর্মীরা বরাবরই জীবন বাজী রেখে হাইকমাণ্ডের নির্দেশ মোতাবেক কাজ করে যাচ্ছে। তবে এইসব নেতাকর্মীদের দলের কাছে কোনো চাওয়া পাওয়া নেই। তবে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এবং চলমান উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মন্ত্রী-এমপিরা ব্যাক্তি বলয় গড়ে তুলেছে এবং দলের নির্দেশ অমান্য করে নিজের আত্মীয়-স্বজনদের পক্ষে নিলজ্জভাবে কাজ করেছে এবং করছে। ‘স্বজন প্রশ্নে’ সেইসব মন্ত্রী-এমপিদের বিরুদ্ধে দল কোনো ধরনের ব্যবস্থা না নেয়ায় তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে।
জানা গেছে, দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনরা অংশ নেয়। দলীয় নির্দেশ অমান্য করে সেই স্বজনদের পক্ষে অবস্থান নেয় মন্ত্রী-এমপিরা। বার বার সর্তক কিংবা কঠোর হুশিয়ারি সত্ত্বেও মন্ত্রী-এমপিদের দলীয় নির্দেশনা মানানো যায়নি। এ নিয়ে হতাশ খোদ দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারাও। উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপেও সংসদ সদস্যদের পারিবারিক প্রার্থী থাকায় দলের অনেক কেন্দ্রীয় নেতা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করারশর্তে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, দলের হাইকমান্ড নিদের্শ দিয়েছেন, আর সেই নিদের্শ এমপি-মন্ত্রীরা মানছে না, এটাও দেখতে হচ্ছে। কেন্দ্রের আজকের এই অবস্থার জন্য হাইকমান্ডের বেশ কয়েকজন নেতাকেই দায়ী করেন তিনি। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য, শৃঙ্খলাবিরোধী কাজে লিপ্ত এবং দলকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে ফেলেছেন, এমন নেতাদের বার বার ক্ষমা করে দেয়ার নজির রয়েছে। এ কারণেই তৃণমূলের সমস্যা সমাধান হয়নি। বরং তৃণমূল কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়েছে। সবাই জানে বা ধারণা করে নিয়েছে যে, নির্বাচনের পর আবারও ক্ষমা পাবে। তাই তো সিদ্ধান্ত মানছে না। দলের হাই কমান্ডের নিদের্শকে হালকাভাবে নেয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে কথা হয় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন এর সঙ্গে। তিনি বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত ছিল উপজেলা নির্বাচনে কোনো মন্ত্রী, এমপির আত্মীয়-স্বজন নির্বাচন করতে পারবে না। পরে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয়প্রধান একটু সংশোধনী দেন। এখানে পরিবার বলতে কিন্তু স্বামী-স্ত্রী এবং সন্তানদের কথা বুঝিয়েছেন তিনি। বাইরের কোনো ব্যক্তি বা কোনো স্বজন এর আওতাভুক্ত হবেন না। সেই হিসেবে আত্মীয়-স্বজন কিন্তু নির্বাচন করতে পারবেন। তিনি বলেন, যাদের সন্তানরা নির্বাচন করেছে অবশ্যই তাদের জবাব দিতে হবে। একইসুরে কথা বলেছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন। তিনি বলেন, আমি মনে করি তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা কেন্দ্রের নির্দেশ পালন করছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যে নির্দেশনা দিয়েছেন সেই নির্দেশনা মোতাবেক তৃণমূলের নেতাকর্মীরা দায়িত্ব পালন করছেন। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে খুব ভালো নির্বাচন হয়েছে, সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
দলীয় সূত্র মতে, উপজেলা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপেও প্রার্থী হিসেবে রয়ে গেছেন মন্ত্রী-এমপির স্বজনরা। এর মধ্যে পাবনার ভাঙ্গুড়ায় বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বাকী বিল্লাহ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তিনি স্থানীয় এমপি মকবুল হোসেনের ছেলে চেয়ারম্যান প্রার্থী গোলাম হাসনাইন রাসেলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। পাবনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে বাকী বিল্লাহ বলেন, এমপি মকবুল হোসেন এবং তার ছেলে রাসেল রাজনীতি পরিবর্তন করে ফেলেছেন। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর ওপর ব্যাপক নির্যাতন করা হয়েছে। থানায় অভিযোগ দিয়েও লাভ হয়নি। অব্যাহত নির্যাতনের কারণে কর্মী-সমর্থকরা হতাশ হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আমার পক্ষে নির্বাচন করা সম্ভব হচ্ছে না। এ ছাড়া নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মোল্লার স্ত্রী ফেরদৌসী ইসলাম উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী রয়ে গেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে চেয়ারম্যান পদে কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। এখানে তিন প্রার্থীর মধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলামের ভাতিজা আমিনুল ইসলাম তুষার রয়েছেন। কক্সবাজারের রামু উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমলের বড় ভাই সোহেল সরওয়ার কাজল। উখিয়া উপজেলায় মাঠে আছেন স্থানীয় এমপি শাহীন আক্তারের ভাই জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী। কুমিল্লার মুরাদনগরে এখনও ভোটের মাঠে রয়েছেন এমপি জাহাঙ্গীর আলম সরকারের ছেলে আহসানুল আলম কিশোর ও নাতি আল আমিন সরকার। ব্রাহ্মণপাড়ায় রয়েছেন এমপির ভাতিজা আবু তৈয়ব অপি। কৃষিমন্ত্রী উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদের ছোট ভাই আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে প্রার্থী হয়েছেন তিনি।
জানা গেছে, দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনরা অংশ নেয়। দলীয় নির্দেশ অমান্য করে সেই স্বজনদের পক্ষে অবস্থান নেয় মন্ত্রী-এমপিরা। বার বার সর্তক কিংবা কঠোর হুশিয়ারি সত্ত্বেও মন্ত্রী-এমপিদের দলীয় নির্দেশনা মানানো যায়নি। এ নিয়ে হতাশ খোদ দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারাও। উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপেও সংসদ সদস্যদের পারিবারিক প্রার্থী থাকায় দলের অনেক কেন্দ্রীয় নেতা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করারশর্তে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, দলের হাইকমান্ড নিদের্শ দিয়েছেন, আর সেই নিদের্শ এমপি-মন্ত্রীরা মানছে না, এটাও দেখতে হচ্ছে। কেন্দ্রের আজকের এই অবস্থার জন্য হাইকমান্ডের বেশ কয়েকজন নেতাকেই দায়ী করেন তিনি। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য, শৃঙ্খলাবিরোধী কাজে লিপ্ত এবং দলকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে ফেলেছেন, এমন নেতাদের বার বার ক্ষমা করে দেয়ার নজির রয়েছে। এ কারণেই তৃণমূলের সমস্যা সমাধান হয়নি। বরং তৃণমূল কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়েছে। সবাই জানে বা ধারণা করে নিয়েছে যে, নির্বাচনের পর আবারও ক্ষমা পাবে। তাই তো সিদ্ধান্ত মানছে না। দলের হাই কমান্ডের নিদের্শকে হালকাভাবে নেয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে কথা হয় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন এর সঙ্গে। তিনি বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত ছিল উপজেলা নির্বাচনে কোনো মন্ত্রী, এমপির আত্মীয়-স্বজন নির্বাচন করতে পারবে না। পরে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয়প্রধান একটু সংশোধনী দেন। এখানে পরিবার বলতে কিন্তু স্বামী-স্ত্রী এবং সন্তানদের কথা বুঝিয়েছেন তিনি। বাইরের কোনো ব্যক্তি বা কোনো স্বজন এর আওতাভুক্ত হবেন না। সেই হিসেবে আত্মীয়-স্বজন কিন্তু নির্বাচন করতে পারবেন। তিনি বলেন, যাদের সন্তানরা নির্বাচন করেছে অবশ্যই তাদের জবাব দিতে হবে। একইসুরে কথা বলেছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন। তিনি বলেন, আমি মনে করি তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা কেন্দ্রের নির্দেশ পালন করছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যে নির্দেশনা দিয়েছেন সেই নির্দেশনা মোতাবেক তৃণমূলের নেতাকর্মীরা দায়িত্ব পালন করছেন। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে খুব ভালো নির্বাচন হয়েছে, সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
দলীয় সূত্র মতে, উপজেলা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপেও প্রার্থী হিসেবে রয়ে গেছেন মন্ত্রী-এমপির স্বজনরা। এর মধ্যে পাবনার ভাঙ্গুড়ায় বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বাকী বিল্লাহ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তিনি স্থানীয় এমপি মকবুল হোসেনের ছেলে চেয়ারম্যান প্রার্থী গোলাম হাসনাইন রাসেলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। পাবনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে বাকী বিল্লাহ বলেন, এমপি মকবুল হোসেন এবং তার ছেলে রাসেল রাজনীতি পরিবর্তন করে ফেলেছেন। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর ওপর ব্যাপক নির্যাতন করা হয়েছে। থানায় অভিযোগ দিয়েও লাভ হয়নি। অব্যাহত নির্যাতনের কারণে কর্মী-সমর্থকরা হতাশ হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আমার পক্ষে নির্বাচন করা সম্ভব হচ্ছে না। এ ছাড়া নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মোল্লার স্ত্রী ফেরদৌসী ইসলাম উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী রয়ে গেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে চেয়ারম্যান পদে কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। এখানে তিন প্রার্থীর মধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলামের ভাতিজা আমিনুল ইসলাম তুষার রয়েছেন। কক্সবাজারের রামু উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমলের বড় ভাই সোহেল সরওয়ার কাজল। উখিয়া উপজেলায় মাঠে আছেন স্থানীয় এমপি শাহীন আক্তারের ভাই জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী। কুমিল্লার মুরাদনগরে এখনও ভোটের মাঠে রয়েছেন এমপি জাহাঙ্গীর আলম সরকারের ছেলে আহসানুল আলম কিশোর ও নাতি আল আমিন সরকার। ব্রাহ্মণপাড়ায় রয়েছেন এমপির ভাতিজা আবু তৈয়ব অপি। কৃষিমন্ত্রী উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদের ছোট ভাই আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে প্রার্থী হয়েছেন তিনি।