
রাজধানী ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা যেন চলতে না পারে সে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ সময় তিনি বলেন, নো হেলমেট, নো ফুয়েল। গতকাল বুধবার বনানীতে বিআরটিএর সদর কার্যালয়ে আয়োজিত সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা পরিষদের সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ব্যাটারিচালিত কোনো গাড়ি (তিন চাকার) যেন ঢাকা সিটিতে না চলে। আমরা ২২টি মহাসড়কে নিষিদ্ধ করেছি। শুধু নিষেধাজ্ঞা নয়, এসব যেন চলতে না পারে, সেই ব্যবস্থা নিতে হবে। দেশের বাইক চালকদের আবারো সতর্ক করে দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, হেলমেট না থাকলে মিলবে না জ্বালানি। দেশের সব জায়গায় এমনকি মফস্বলেও এই নীতি কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। সড়ক পরবিহনমন্ত্রী মনে করছেন, ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলের কারণেই দেশে সড়ক দুর্ঘটনা বেশি হচ্ছে। সড়ক পরিহন আইনে হেলমেট ছাড়া বাইক চালালে ১০ হাজার টাকা এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকলে ২৫ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। কিন্তু আইনের বাস্তবায়ন দেখা যায় না বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই। দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে, এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ঘটছে বাই দুর্ঘটনা। ২০২৩ সালে ছয় হাজার ৯১১টি সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ছয় হাজার ৫২৪ জনের। আহত আরো ১১ হাজার ৪০৭ জন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এসব তথ্য প্রকাশ করেছে। আর সরকারি সংস্থা বিআরটিএর হিসাবে, গত রোজার ঈদে ১৭দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে ৩২০ জন। আর আহত হয়েছে ৪৬২ জন। ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্ঘটনা বিশ্বের কোথাও শূন্যের কোঠায় নেই। তবে এটি কমে আসবে। আর সড়কে শৃঙ্খলা না থাকলে, এতো মেগা প্রকল্প এবং ছয় থেকে আট লেনের সড়কেরও কোনো সুফল আসবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ঢাকার মধ্যে অটোরিকশা বন্ধে সম্মতি জানান। সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ভয়াবহ ব্যাপার যখন রিকশাচালকরা দুই পা ওপরে উঠিয়ে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালায়। অনেক প্রতিবন্ধী আছেন যারা চোখে কিছুটা কম দেখেন তারাও এই রিকশা নিয়ে নেমে পড়েন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, সিদ্ধান্তে আসা দরকার যে ঢাকায় ইজি বা অটোরিকশা চলবে না। এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
সভায় বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাজাহান খান, সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নূরী, বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ব্যাটারিচালিত কোনো গাড়ি (তিন চাকার) যেন ঢাকা সিটিতে না চলে। আমরা ২২টি মহাসড়কে নিষিদ্ধ করেছি। শুধু নিষেধাজ্ঞা নয়, এসব যেন চলতে না পারে, সেই ব্যবস্থা নিতে হবে। দেশের বাইক চালকদের আবারো সতর্ক করে দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, হেলমেট না থাকলে মিলবে না জ্বালানি। দেশের সব জায়গায় এমনকি মফস্বলেও এই নীতি কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। সড়ক পরবিহনমন্ত্রী মনে করছেন, ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলের কারণেই দেশে সড়ক দুর্ঘটনা বেশি হচ্ছে। সড়ক পরিহন আইনে হেলমেট ছাড়া বাইক চালালে ১০ হাজার টাকা এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকলে ২৫ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। কিন্তু আইনের বাস্তবায়ন দেখা যায় না বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই। দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে, এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ঘটছে বাই দুর্ঘটনা। ২০২৩ সালে ছয় হাজার ৯১১টি সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ছয় হাজার ৫২৪ জনের। আহত আরো ১১ হাজার ৪০৭ জন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এসব তথ্য প্রকাশ করেছে। আর সরকারি সংস্থা বিআরটিএর হিসাবে, গত রোজার ঈদে ১৭দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে ৩২০ জন। আর আহত হয়েছে ৪৬২ জন। ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্ঘটনা বিশ্বের কোথাও শূন্যের কোঠায় নেই। তবে এটি কমে আসবে। আর সড়কে শৃঙ্খলা না থাকলে, এতো মেগা প্রকল্প এবং ছয় থেকে আট লেনের সড়কেরও কোনো সুফল আসবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ঢাকার মধ্যে অটোরিকশা বন্ধে সম্মতি জানান। সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ভয়াবহ ব্যাপার যখন রিকশাচালকরা দুই পা ওপরে উঠিয়ে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালায়। অনেক প্রতিবন্ধী আছেন যারা চোখে কিছুটা কম দেখেন তারাও এই রিকশা নিয়ে নেমে পড়েন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, সিদ্ধান্তে আসা দরকার যে ঢাকায় ইজি বা অটোরিকশা চলবে না। এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
সভায় বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাজাহান খান, সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নূরী, বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।