
শেরপুর প্রতিনিধি
শেরপুর জেলার সদর উপজেলার বলাইয়েরচর ইউনিয়নের জঙ্গলদী মধ্যপাড়া গ্রামের আলোচিত দুই ভাই মোগল খাঁ ও লালু খাঁ হত্যা মামলার ১নং, ২নং আসামিসহ ৮ জন আসামিকে মামলার অদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. জাহাঙ্গীর আলম ওই আসামিদের চার্জশীট থেকে বাদ দেয়ার প্রতিবাদে গত সোমবার উপজেলার জঙ্গলদী মধ্যপাড়া নতুন মসজিদ প্রাঙ্গণে নিহত মোগল খাঁ ও লালু খাঁ’র পরিবারের সদস্যরা এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের সম্মুখে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহত কামাল উদ্দিন ওরফে লালু খাঁ’র মেয়ে লাভলী আক্তার। এসময় তিনি বলেন, জঙ্গলদী মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত রইছ উদ্দিনের ছেলে মামলার ১নং আসামি মো. দুলাল মিয়া গংদের সাথে মো. কামাল উদ্দিন ওরফে লালু খাঁ ও মোগল খাঁ পরিবারের ৫ একর ৮৮ শতাংশ কৃষি জমি নিয়ে বিরোধ এবং আদালতে মোকদ্দমা চলে আসছিল। এরই জের ধরে ২০২৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একই এলাকার প্রতিবেশী ত্রাস সৃষ্টিকারী ও ভূমিদস্যু মৃত রইছ উদ্দিনের ছেলে মো. দুলাল মিয়া ও মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে চিহ্নিত ৪২ জন ও অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১৫ জন ধারালো অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা চালায়। এসময় মামলার ১নং আসামি মো. দুলাল মিয়া অন্যান্য আসামিদের সহযোগিতায় কামাল উদ্দিন ওরফে লালু খাঁকে বুকে এক কাইল্লা দিয়ে ঘাই মারলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিক তার ভাই মোগল খাঁ তাকে উদ্ধার করতে গেলে মামলার ৮নং আসামি সুনিল মিয়ার ছেলে মো. সীমান্ত বাবু শাবল দিয়ে মোগল খাঁ’র নাভীর নিচে ঘাই মেরে ওই সহোদর দুই ভাই কামাল উদ্দিন ওরফে লালু খাঁ ও মোগল খাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহত কামাল উদ্দিন ওরফে লালু খাঁ’র স্ত্রী সরুফা বেগম বাদী হয়ে ৪২ জনকে চিহ্নিত ও ১০/১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে শেরপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এদিকে মামলার আসামিরা উচ্চ আদালতে থেকে জামিনে বেরিয়ে এসে মামলার বাদীসহ নিহত লালু খাঁ ও মোগল খাঁ’র পরিবারের সদস্যদের হুমকি ধামকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন।
এছাড়াও ওই আলোচিত হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) মো. জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে বলেন, তিনি আসামিদের পক্ষাশ্রিত হয়ে এবং মোটা অংকের টাকা বিনিময়ে ১নং আসামি মৃত রইছ উদ্দিনের ছেলে মো. দুলাল মিয়া (৪২), মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে মো. কামরুজ্জামান (৩৮), মৃত ডেঙ্গু সুতারের ছেলে মো. আ. গনি (৫০), অপর ভাই মো. রবিন (২০), মৃত গোলাপ হোসেনের ছেলে মো. হেলাল মিয়া (৪০), ছালেম উদ্দিনের ছেলে আব্দুস সামাদ (৫০), আশরাফ আলীর ছেলে নয়ন মিয়া (২০) ও হযরত আলীর ছেলে আশরাফ আলী (৩৯) সহ ৮ জন চিহ্নিত আসামিদের চার্জশীট থেকে বাদ দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। তাই ন্যায় বিচারের স্বার্থে এমন আলোচিত হত্যা মামলার পুনরায় সুক্ষ্ম তদন্ত করে ওইসব বাদ দেয়া আসামিদের চার্জশীটে নাম অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। এব্যাপারে পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর হস্তক্ষেপ এবং হত্যার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. জাহাঙ্গীর আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, চার্জশীট থেকে বাদ দেয়া আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাদেরকে চার্জশীট থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও কিভাবে চার্জশীট কাগজ প্রকাশ হয়ে তা আমার জানা নাই। সংবাদ সম্মেলনে নিহত দুই সহোদর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সরুফা বেগম, শফিকুল ইসলাম, শফিক, নূর মোহাম্মদ, আব্দুল গণি, আব্দুল বারেক, আশরাফ আলী, এরশাদ আলী, ইয়ানুছ আলীসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকসহ এলাকার নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।
শেরপুর জেলার সদর উপজেলার বলাইয়েরচর ইউনিয়নের জঙ্গলদী মধ্যপাড়া গ্রামের আলোচিত দুই ভাই মোগল খাঁ ও লালু খাঁ হত্যা মামলার ১নং, ২নং আসামিসহ ৮ জন আসামিকে মামলার অদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. জাহাঙ্গীর আলম ওই আসামিদের চার্জশীট থেকে বাদ দেয়ার প্রতিবাদে গত সোমবার উপজেলার জঙ্গলদী মধ্যপাড়া নতুন মসজিদ প্রাঙ্গণে নিহত মোগল খাঁ ও লালু খাঁ’র পরিবারের সদস্যরা এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের সম্মুখে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহত কামাল উদ্দিন ওরফে লালু খাঁ’র মেয়ে লাভলী আক্তার। এসময় তিনি বলেন, জঙ্গলদী মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত রইছ উদ্দিনের ছেলে মামলার ১নং আসামি মো. দুলাল মিয়া গংদের সাথে মো. কামাল উদ্দিন ওরফে লালু খাঁ ও মোগল খাঁ পরিবারের ৫ একর ৮৮ শতাংশ কৃষি জমি নিয়ে বিরোধ এবং আদালতে মোকদ্দমা চলে আসছিল। এরই জের ধরে ২০২৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একই এলাকার প্রতিবেশী ত্রাস সৃষ্টিকারী ও ভূমিদস্যু মৃত রইছ উদ্দিনের ছেলে মো. দুলাল মিয়া ও মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে চিহ্নিত ৪২ জন ও অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১৫ জন ধারালো অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা চালায়। এসময় মামলার ১নং আসামি মো. দুলাল মিয়া অন্যান্য আসামিদের সহযোগিতায় কামাল উদ্দিন ওরফে লালু খাঁকে বুকে এক কাইল্লা দিয়ে ঘাই মারলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিক তার ভাই মোগল খাঁ তাকে উদ্ধার করতে গেলে মামলার ৮নং আসামি সুনিল মিয়ার ছেলে মো. সীমান্ত বাবু শাবল দিয়ে মোগল খাঁ’র নাভীর নিচে ঘাই মেরে ওই সহোদর দুই ভাই কামাল উদ্দিন ওরফে লালু খাঁ ও মোগল খাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহত কামাল উদ্দিন ওরফে লালু খাঁ’র স্ত্রী সরুফা বেগম বাদী হয়ে ৪২ জনকে চিহ্নিত ও ১০/১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে শেরপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এদিকে মামলার আসামিরা উচ্চ আদালতে থেকে জামিনে বেরিয়ে এসে মামলার বাদীসহ নিহত লালু খাঁ ও মোগল খাঁ’র পরিবারের সদস্যদের হুমকি ধামকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন।
এছাড়াও ওই আলোচিত হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) মো. জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে বলেন, তিনি আসামিদের পক্ষাশ্রিত হয়ে এবং মোটা অংকের টাকা বিনিময়ে ১নং আসামি মৃত রইছ উদ্দিনের ছেলে মো. দুলাল মিয়া (৪২), মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে মো. কামরুজ্জামান (৩৮), মৃত ডেঙ্গু সুতারের ছেলে মো. আ. গনি (৫০), অপর ভাই মো. রবিন (২০), মৃত গোলাপ হোসেনের ছেলে মো. হেলাল মিয়া (৪০), ছালেম উদ্দিনের ছেলে আব্দুস সামাদ (৫০), আশরাফ আলীর ছেলে নয়ন মিয়া (২০) ও হযরত আলীর ছেলে আশরাফ আলী (৩৯) সহ ৮ জন চিহ্নিত আসামিদের চার্জশীট থেকে বাদ দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। তাই ন্যায় বিচারের স্বার্থে এমন আলোচিত হত্যা মামলার পুনরায় সুক্ষ্ম তদন্ত করে ওইসব বাদ দেয়া আসামিদের চার্জশীটে নাম অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। এব্যাপারে পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর হস্তক্ষেপ এবং হত্যার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. জাহাঙ্গীর আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, চার্জশীট থেকে বাদ দেয়া আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাদেরকে চার্জশীট থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও কিভাবে চার্জশীট কাগজ প্রকাশ হয়ে তা আমার জানা নাই। সংবাদ সম্মেলনে নিহত দুই সহোদর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সরুফা বেগম, শফিকুল ইসলাম, শফিক, নূর মোহাম্মদ, আব্দুল গণি, আব্দুল বারেক, আশরাফ আলী, এরশাদ আলী, ইয়ানুছ আলীসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকসহ এলাকার নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।