
জনতা ডেস্ক
গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহ অঞ্চলকে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের ‘সবশেষ শক্ত ঘাঁটি’ দাবি করে সেখানে অভিযান জোরদারের প্রক্রিয়ায় আছে ইসরাইলি বাহিনী। এ নিয়ে উত্তাল আন্তর্জাতিক রাজনীতিও। এর মধ্যেই গত রোববার গাজার বিভিন্ন স্থানে ইসরাইলি বাহিনীর সঙ্গে হামাস যোদ্ধাদের ব্যাপক লড়াই হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে তুমুল লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে এটি স্পষ্ট যে, ভবিষ্যতে দীর্ঘ সময়ের জন্য গাজা উপত্যকায় শক্তিশালী একটি গোষ্ঠী হয়ে টিকে থাকতে পারে হামাস।
ইসরাইল ও হামাস দুই পক্ষই জানিয়েছে, গেল সপ্তাহের শেষ দিকে গাজার উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ইসরাইলি সেনাদের সঙ্গে হামাস যোদ্ধাদের সরাসরি যুদ্ধ হয়েছে। ইসরাইলি বাহিনী রাফায় অভিযান শুরু করার পর সবার নজর সেদিকে থাকলেও, একই সময়ে তুমুল লড়াই হচ্ছে গাজার উত্তরাঞ্চলে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরাইল যখন রাফাহ নিয়ে ব্যস্ত, সেই সুযোগে অন্যান্য এলাকায় সংগঠিত হচ্ছে হামাস। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন মতে, সাত মাসের যুদ্ধে গাজায় সবচেয়ে পরিচিত দৃশ্য এমন যে- ইসরাইলি বাহিনী অভিযান চালিয়ে কোনো একটি এলাকা ‘হামাসমুক্ত’ ঘোষণা করে। তবে তা খুব বেশি সময়ের জন্য স্থায়ী হয় না। কারণ হামাস যোদ্ধারা ফের সংগঠিত হয়ে লড়াইয়ে ফিরে আসছেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন সম্প্রতি বলেছেন, গাজার শাসনভার কিভাবে চলবে, তা নিয়ে ইসরাইল এখনো কোনো ধারণা দিতে না পারায় তিনি হতাশ। অর্থাৎ, গাজায় ইসরাইলের বিজয় স্থায়ী না-ও হতে পারে এবং সেখানে আবারও হামাসের শক্তিশালী উপস্থিতি দেখা দিতে পারে- সেদিকেই ইঙ্গিত তার। মূলত, ইসরাইলি বাহিনী গাজা শহরের জৈতুন এলাকা থেকে বেশ কয়েকজন হামাস যোদ্ধাকে নির্মূল করার ঘোষণা দেয়ার পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বার্তা আসে। জৈতুনের পাশের এলাকা জাবালিয়া থেকে শনিবার বেসামরিক নাগরিকদের সরে যেতে বলা হয়। ইসরাইলি বাহিনী জানায়, সেখানে ওই দিন রাতেই বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে জঙ্গি বিমান থেকে বোমা ফেলা হয়েছে। তাদের দাবি, হামাস যোদ্ধারা মিলিত হচ্ছেন, এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়।
এদিকে গাজার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙ্গে পড়বে বলে সতর্ক করেছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। গত সোমবার রাফায় ইসরাইলের হামলা জোরদার হওয়ায় এমন সতর্ক বার্তা দিলো প্রশাসন। এদিন এক প্রতিবেদনে আল জাজিরার বরাত দিয়ে দ্য গার্ডিয়ান জানায়, যদি গাজার হাসপাতালগুলোতে দ্রুত জ্বালানী সরবরাহ করা না হয়, তাহলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালগুলো বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। জুনায়েদ সুলতান, একজন ভাসকুলার সার্জন যিনি রাফাতে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছেন, তিনি বলেন, হাসপাতালগুলোর বিদ্যুৎ চলে যাওয়া মানে সেখানকার রোগীদের জন্য মৃত্যুর সমান। দ্রুত জ্বালানী সরবরাহ করা না হলে আর চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না। জুনায়েদ সুলতান আরও বলেন, ‘যদি বিদ্যুৎ, পানির সরবরাহ না থাকে তাহলে হাসপাতালগুলোর ১০০ রোগী নয়, ১০০০ রোগীর জীবন সংকটে পড়বে।’ গাজার ৩৬ টি হাসপাতাল এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ বর্তমানে কাজ করছে এবং সবগুলোতেই ওষুধ, প্রাথমিক চিকিৎসা সরবরাহ, জ্বালানি এবং জনবলের তীব্র ঘাটতি রয়েছে। এদিকে, সোমবার গাজার উত্তরে জাবালিয়ায় সেনা এবং ট্যাংক মোতায়েন করেছে ইসরাইল। রাতভর জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে এবং আশপাশের ঘরবাড়িতে হামলায় অন্তত ২০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘ জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজার রাফা ও উত্তরে ইসরাইলি হামলা জোরদার হওয়ার পর রাফা ছেড়েছে প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার ফিলিস্তিনি।
গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহ অঞ্চলকে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের ‘সবশেষ শক্ত ঘাঁটি’ দাবি করে সেখানে অভিযান জোরদারের প্রক্রিয়ায় আছে ইসরাইলি বাহিনী। এ নিয়ে উত্তাল আন্তর্জাতিক রাজনীতিও। এর মধ্যেই গত রোববার গাজার বিভিন্ন স্থানে ইসরাইলি বাহিনীর সঙ্গে হামাস যোদ্ধাদের ব্যাপক লড়াই হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে তুমুল লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে এটি স্পষ্ট যে, ভবিষ্যতে দীর্ঘ সময়ের জন্য গাজা উপত্যকায় শক্তিশালী একটি গোষ্ঠী হয়ে টিকে থাকতে পারে হামাস।
ইসরাইল ও হামাস দুই পক্ষই জানিয়েছে, গেল সপ্তাহের শেষ দিকে গাজার উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ইসরাইলি সেনাদের সঙ্গে হামাস যোদ্ধাদের সরাসরি যুদ্ধ হয়েছে। ইসরাইলি বাহিনী রাফায় অভিযান শুরু করার পর সবার নজর সেদিকে থাকলেও, একই সময়ে তুমুল লড়াই হচ্ছে গাজার উত্তরাঞ্চলে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরাইল যখন রাফাহ নিয়ে ব্যস্ত, সেই সুযোগে অন্যান্য এলাকায় সংগঠিত হচ্ছে হামাস। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন মতে, সাত মাসের যুদ্ধে গাজায় সবচেয়ে পরিচিত দৃশ্য এমন যে- ইসরাইলি বাহিনী অভিযান চালিয়ে কোনো একটি এলাকা ‘হামাসমুক্ত’ ঘোষণা করে। তবে তা খুব বেশি সময়ের জন্য স্থায়ী হয় না। কারণ হামাস যোদ্ধারা ফের সংগঠিত হয়ে লড়াইয়ে ফিরে আসছেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন সম্প্রতি বলেছেন, গাজার শাসনভার কিভাবে চলবে, তা নিয়ে ইসরাইল এখনো কোনো ধারণা দিতে না পারায় তিনি হতাশ। অর্থাৎ, গাজায় ইসরাইলের বিজয় স্থায়ী না-ও হতে পারে এবং সেখানে আবারও হামাসের শক্তিশালী উপস্থিতি দেখা দিতে পারে- সেদিকেই ইঙ্গিত তার। মূলত, ইসরাইলি বাহিনী গাজা শহরের জৈতুন এলাকা থেকে বেশ কয়েকজন হামাস যোদ্ধাকে নির্মূল করার ঘোষণা দেয়ার পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বার্তা আসে। জৈতুনের পাশের এলাকা জাবালিয়া থেকে শনিবার বেসামরিক নাগরিকদের সরে যেতে বলা হয়। ইসরাইলি বাহিনী জানায়, সেখানে ওই দিন রাতেই বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে জঙ্গি বিমান থেকে বোমা ফেলা হয়েছে। তাদের দাবি, হামাস যোদ্ধারা মিলিত হচ্ছেন, এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়।
এদিকে গাজার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙ্গে পড়বে বলে সতর্ক করেছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। গত সোমবার রাফায় ইসরাইলের হামলা জোরদার হওয়ায় এমন সতর্ক বার্তা দিলো প্রশাসন। এদিন এক প্রতিবেদনে আল জাজিরার বরাত দিয়ে দ্য গার্ডিয়ান জানায়, যদি গাজার হাসপাতালগুলোতে দ্রুত জ্বালানী সরবরাহ করা না হয়, তাহলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালগুলো বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। জুনায়েদ সুলতান, একজন ভাসকুলার সার্জন যিনি রাফাতে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছেন, তিনি বলেন, হাসপাতালগুলোর বিদ্যুৎ চলে যাওয়া মানে সেখানকার রোগীদের জন্য মৃত্যুর সমান। দ্রুত জ্বালানী সরবরাহ করা না হলে আর চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না। জুনায়েদ সুলতান আরও বলেন, ‘যদি বিদ্যুৎ, পানির সরবরাহ না থাকে তাহলে হাসপাতালগুলোর ১০০ রোগী নয়, ১০০০ রোগীর জীবন সংকটে পড়বে।’ গাজার ৩৬ টি হাসপাতাল এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ বর্তমানে কাজ করছে এবং সবগুলোতেই ওষুধ, প্রাথমিক চিকিৎসা সরবরাহ, জ্বালানি এবং জনবলের তীব্র ঘাটতি রয়েছে। এদিকে, সোমবার গাজার উত্তরে জাবালিয়ায় সেনা এবং ট্যাংক মোতায়েন করেছে ইসরাইল। রাতভর জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে এবং আশপাশের ঘরবাড়িতে হামলায় অন্তত ২০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘ জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজার রাফা ও উত্তরে ইসরাইলি হামলা জোরদার হওয়ার পর রাফা ছেড়েছে প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার ফিলিস্তিনি।