
কুমিল্লা প্রতিনিধি
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জমিতে বেড়া নির্মাণকে কেন্দ্র করে আবদুল মালেক (৭০) নামে এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ। উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গতকাল শনিবার দুপুরে চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি মো. হিলাল উদ্দিন আহম্মেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত আবদুল মালেক উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত মির্জা আলীর ছেলে। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, নিহত আবদুল মালেকের সঙ্গে পাশের মৃত আবদুল হাকিমের ছেলে মো. কামাল উদ্দিনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় দিকে উভয় পক্ষ বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে কামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে ৬-৭ জন বৃদ্ধ আবদুল মালেককে ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে ব্যাপক মারধর করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হলে স্বজনরা তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। গতকাল শনিবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা কামাল উদ্দিনের বাড়ি ঘেরাও দেন। খবর পেয়ে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত কামাল উদ্দিনসহ ছয়জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। নিহতের ছেলে মহিন উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কামাল উদ্দিনদের সঙ্গে আমাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। গত শুক্রবার বিকেলে কামাল উদ্দিনরা বিরোধকৃত জমিতে বেড়া নির্মাণ করছিলেন। এসময় আমার বাবা বাধা প্রদান করেন। এর জের ধরে তারা রাত সাড়ে ৯টায় পরিকল্পনা করে আমার বাবার ওপর হামলা করে এবং ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে উপর্যপুরি আঘাত করে হত্যা করে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি মো. হিলাল উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত কামাল উদ্দিনসহ ছয়জনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আটকদের মধ্যে চারজন পুরুষ ও দুজন নারী। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জমিতে বেড়া নির্মাণকে কেন্দ্র করে আবদুল মালেক (৭০) নামে এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ। উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গতকাল শনিবার দুপুরে চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি মো. হিলাল উদ্দিন আহম্মেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত আবদুল মালেক উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত মির্জা আলীর ছেলে। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, নিহত আবদুল মালেকের সঙ্গে পাশের মৃত আবদুল হাকিমের ছেলে মো. কামাল উদ্দিনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় দিকে উভয় পক্ষ বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে কামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে ৬-৭ জন বৃদ্ধ আবদুল মালেককে ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে ব্যাপক মারধর করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হলে স্বজনরা তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। গতকাল শনিবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা কামাল উদ্দিনের বাড়ি ঘেরাও দেন। খবর পেয়ে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত কামাল উদ্দিনসহ ছয়জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। নিহতের ছেলে মহিন উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কামাল উদ্দিনদের সঙ্গে আমাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। গত শুক্রবার বিকেলে কামাল উদ্দিনরা বিরোধকৃত জমিতে বেড়া নির্মাণ করছিলেন। এসময় আমার বাবা বাধা প্রদান করেন। এর জের ধরে তারা রাত সাড়ে ৯টায় পরিকল্পনা করে আমার বাবার ওপর হামলা করে এবং ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে উপর্যপুরি আঘাত করে হত্যা করে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি মো. হিলাল উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত কামাল উদ্দিনসহ ছয়জনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আটকদের মধ্যে চারজন পুরুষ ও দুজন নারী। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।