
স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিভিন্ন শূন্য পদে নিয়োগসহ চার দফা দাবি জানিয়েছে ম্যাটস শিক্ষার্থীরা। গতকাল রোববার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব দাবি জানায়। বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিডিএমএ), বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল প্রাইভেট প্র্যাক্টিশনার অ্যাসোসিয়েশন (বিডিএমপিপিএ) এবং সাধারণ ম্যাটস শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদ যৌথভাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
তাদের দাবিগুলো হলো-১. অনতিবিলম্বে শূন্য পদে নিয়োগ এবং কমিউনিটি ক্লিনিকসহ সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে নতুন পদ সৃজন করা; ২. প্রতিষ্ঠান ও কোর্সের নাম পরিবর্তন করে অসংগতিপূর্ণ কারিকুলাম সংশোধন করে ইন্টার্নশিপে লগবুক প্রণয়ন করতে হবে; ৩. বিএম অ্যান্ড ডিসি স্বীকৃত ক্লিনিক্যাল বিষয়ে উচ্চশিক্ষার অধিকার প্রদান করতে হবে; ৪. প্রস্তাবিত অ্যালাইড হেলথ প্রফেশনাল বোর্ড খসড়া আইনের নাম পরিবর্তন করে ‘মেডিকেল এডুকেশন বোর্ড অব বাংলাদেশ’ নামকরণসহ প্রস্তাবিত ধারায় সংশোধনীসহ বাস্তবায়ন করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বর্তমানে সারাদেশে ১৬টি সরকারি ম্যাটস ও প্রায় ২০০টি বেসরকারি ম্যাটস বিষয়ক প্রতিষ্ঠান এই কারিকুলাম পরিচালনা করে আসছে। কর্মক্ষেত্রে ডিএমএফ ডিগ্রিধারীগণ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার’ পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
তারা জানান, সর্বশেষ তথ্যমতে বাংলাদেশে বর্তমানে ডিপ্লোমা মেডিকেল শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার এবং বিএমডিসি নিবন্ধিত ডিএমএফ’র সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী প্রায় ৫ হাজার ৫০০ ডিপ্লোমা চিকিৎসক (ডিএমএফ) ‘উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার’ পদে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রসহ জেলা সদর হাসপাতালে কর্মরত আছেন। বর্তমানে ডিপ্লোমা মেডিকেল তথা ডিএমএফ কোর্স সম্পন্নকারী প্রায় ৫০ হাজার দক্ষ জনবল কর্মসংস্থানহীন অবস্থায় রয়েছে। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরে ম্যাটস্ শিক্ষার্থীরা বিভিন্নভাবে জুলুম ও বৈষম্যের শিকার। দীর্ঘকাল ধরেই আন্দোলন সংগ্রাম করার পরেও আমাদের বৈষম্য নিরসনের কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে না।
বক্তারা আরও বলেন, শূন্য পদ থাকার পরেও গত একযুগের বেশি সময় ধরেই নিয়োগ বন্ধ রয়েছে, তার মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদফতরে প্রায় ২ হাজার পদ এবং পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরে প্রায় ১ হাজার শূন্য পদের ছাড়পত্র প্রদান করলেও নিয়োগ নিয়ে তাটবাহানা করে যাচ্ছে। এতে করে একদিকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অন্য দিকে ম্যাটস থেকে পাশকৃত বেকারের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ম্যাটস শিক্ষার্থীরা বলেন, বর্তমানে আমাদের চলমান যৌক্তিক ৪ দফা আন্দোলন নিয়ে কতিপয় স্বৈরশাসকের দালাল গ্রাজুয়েট চিকিৎসকের উসকানিতে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সংগঠন আমাদের নিয়ে বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিবৃতিতে বিভিন্ন মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে। এতে ডিএমএফ ডিগ্রিধারী উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারদের অর্জিত সুনাম নষ্ট হচ্ছে। তারা আরও বলেন, ডিএমএফ ডিগ্রিধারী ডিপ্লোমা চিকিৎসকের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে হাইকোর্টে মামলা চলমান রয়েছে। কোর্টের চলমান মামলার রায়কে প্রভাবিত করার লক্ষ্যে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের কর্মবিরতি, সভা-সমাবেশ একদিকে দেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বিরোধী এবং আদালত অবমাননার সমান; অন্যদিকে দেশের সাধারণ মানুষের কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা এ সকল কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এসময় সাধারণ ম্যাটস শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদের সিনিয়র সমন্বয়ক মুজাহিদুল ইসলাম, হাসিবুল শান্তসহ সংগঠনের অর্ধশতাধিক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
তাদের দাবিগুলো হলো-১. অনতিবিলম্বে শূন্য পদে নিয়োগ এবং কমিউনিটি ক্লিনিকসহ সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে নতুন পদ সৃজন করা; ২. প্রতিষ্ঠান ও কোর্সের নাম পরিবর্তন করে অসংগতিপূর্ণ কারিকুলাম সংশোধন করে ইন্টার্নশিপে লগবুক প্রণয়ন করতে হবে; ৩. বিএম অ্যান্ড ডিসি স্বীকৃত ক্লিনিক্যাল বিষয়ে উচ্চশিক্ষার অধিকার প্রদান করতে হবে; ৪. প্রস্তাবিত অ্যালাইড হেলথ প্রফেশনাল বোর্ড খসড়া আইনের নাম পরিবর্তন করে ‘মেডিকেল এডুকেশন বোর্ড অব বাংলাদেশ’ নামকরণসহ প্রস্তাবিত ধারায় সংশোধনীসহ বাস্তবায়ন করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বর্তমানে সারাদেশে ১৬টি সরকারি ম্যাটস ও প্রায় ২০০টি বেসরকারি ম্যাটস বিষয়ক প্রতিষ্ঠান এই কারিকুলাম পরিচালনা করে আসছে। কর্মক্ষেত্রে ডিএমএফ ডিগ্রিধারীগণ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার’ পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
তারা জানান, সর্বশেষ তথ্যমতে বাংলাদেশে বর্তমানে ডিপ্লোমা মেডিকেল শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার এবং বিএমডিসি নিবন্ধিত ডিএমএফ’র সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী প্রায় ৫ হাজার ৫০০ ডিপ্লোমা চিকিৎসক (ডিএমএফ) ‘উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার’ পদে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রসহ জেলা সদর হাসপাতালে কর্মরত আছেন। বর্তমানে ডিপ্লোমা মেডিকেল তথা ডিএমএফ কোর্স সম্পন্নকারী প্রায় ৫০ হাজার দক্ষ জনবল কর্মসংস্থানহীন অবস্থায় রয়েছে। কিন্তু স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরে ম্যাটস্ শিক্ষার্থীরা বিভিন্নভাবে জুলুম ও বৈষম্যের শিকার। দীর্ঘকাল ধরেই আন্দোলন সংগ্রাম করার পরেও আমাদের বৈষম্য নিরসনের কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে না।
বক্তারা আরও বলেন, শূন্য পদ থাকার পরেও গত একযুগের বেশি সময় ধরেই নিয়োগ বন্ধ রয়েছে, তার মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদফতরে প্রায় ২ হাজার পদ এবং পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরে প্রায় ১ হাজার শূন্য পদের ছাড়পত্র প্রদান করলেও নিয়োগ নিয়ে তাটবাহানা করে যাচ্ছে। এতে করে একদিকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অন্য দিকে ম্যাটস থেকে পাশকৃত বেকারের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ম্যাটস শিক্ষার্থীরা বলেন, বর্তমানে আমাদের চলমান যৌক্তিক ৪ দফা আন্দোলন নিয়ে কতিপয় স্বৈরশাসকের দালাল গ্রাজুয়েট চিকিৎসকের উসকানিতে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সংগঠন আমাদের নিয়ে বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিবৃতিতে বিভিন্ন মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে। এতে ডিএমএফ ডিগ্রিধারী উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারদের অর্জিত সুনাম নষ্ট হচ্ছে। তারা আরও বলেন, ডিএমএফ ডিগ্রিধারী ডিপ্লোমা চিকিৎসকের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে হাইকোর্টে মামলা চলমান রয়েছে। কোর্টের চলমান মামলার রায়কে প্রভাবিত করার লক্ষ্যে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের কর্মবিরতি, সভা-সমাবেশ একদিকে দেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বিরোধী এবং আদালত অবমাননার সমান; অন্যদিকে দেশের সাধারণ মানুষের কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা এ সকল কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এসময় সাধারণ ম্যাটস শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদের সিনিয়র সমন্বয়ক মুজাহিদুল ইসলাম, হাসিবুল শান্তসহ সংগঠনের অর্ধশতাধিক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।