
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতি নিয়ে আবারও কঠোর অবস্থান নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। ২২৭ বছর আগের আইন এলিয়েন এনিমিজ অ্যাক্ট প্রয়োগ করে কোনো ধরনের বিচারিক প্রক্রিয়া ছাড়াই অভিবাসীদের নির্বাসনের পরিকল্পনা করছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার আগে থেকেই অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ক্ষমতায় আসার পর কথার সঙ্গে কাজের মিল দেখাচ্ছেন তিনি। অবৈধ অভিবাসীদের বিতারিত করতে ঝড়ের গতিতে একের পর এক নির্বাহী আদেশে সই করেছেন। এরপর শুরু হয় অভিবাসী বিতাড়ন অভিযান।
দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানিয়েছে, মাত্র এক মাসেই ২০ হাজারেরও বেশি অনথিভুক্ত তথা অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এর আগের মেয়াদে বাইডেন প্রশাসন এক অর্থবছরে ৩৩ হাজার অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছিল। হোমল্যান্ড সিকিউরিটির তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি অভিবাসন বিষয়ক কর্মকর্তাদের বাবা-মায়ের সঙ্গে আসা শিশু অভিবাসীদের খুঁজে বের করেও নির্বাসনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যেই মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ১৭৯৮ সালের এলিয়েন এনিমিস অ্যাক্ট প্রয়োগ করে বিতর্কিত একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। এই আইনের আওতায় কোনো বিচারিক প্রক্রিয়া ছাড়াই নির্দিষ্ট কিছু অভিবাসী গোষ্ঠীকে নির্বাসনের সুযোগ পাবেন প্রেসিডেন্ট। মূলত ট্রেন দে আরাগুয়া গ্যাং নামে একটি অভিবাসী গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে এ আইন সক্রিয় করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে গণমাধ্যমটি। সম্প্রতি সংগঠনটিকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প অনেক আগে থেকেই দাবি করে আসছেন, ভেনিজুয়েলা থেকে আসা অভিবাসীদের গোষ্ঠীটি যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো রাজ্যের একটি শহরের দখল নিয়েছে। এদিকে নতুন নীতি অনুযায়ী ১৪ বছরের বেশি বয়সী সব অনথিভুক্ত অভিবাসীদের বাধ্যতামূলকভাবে নিবন্ধন করতে হবে এবং আঙুলের ছাপ জমা দিতে হবে। যারা নিবন্ধন করতে ব্যর্থ হবেন, তাদের ৫ হাজার ডলার জরিমানা এবং ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডের মুখে পড়তে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিবন্ধন প্রক্রিয়া মূলত নির্বাসনের তালিকা তৈরির কৌশল হতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে দাবি করেছে অভিবাসন অধিকার সংগঠনগুলো।
দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানিয়েছে, মাত্র এক মাসেই ২০ হাজারেরও বেশি অনথিভুক্ত তথা অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এর আগের মেয়াদে বাইডেন প্রশাসন এক অর্থবছরে ৩৩ হাজার অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছিল। হোমল্যান্ড সিকিউরিটির তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি অভিবাসন বিষয়ক কর্মকর্তাদের বাবা-মায়ের সঙ্গে আসা শিশু অভিবাসীদের খুঁজে বের করেও নির্বাসনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যেই মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ১৭৯৮ সালের এলিয়েন এনিমিস অ্যাক্ট প্রয়োগ করে বিতর্কিত একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। এই আইনের আওতায় কোনো বিচারিক প্রক্রিয়া ছাড়াই নির্দিষ্ট কিছু অভিবাসী গোষ্ঠীকে নির্বাসনের সুযোগ পাবেন প্রেসিডেন্ট। মূলত ট্রেন দে আরাগুয়া গ্যাং নামে একটি অভিবাসী গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে এ আইন সক্রিয় করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে গণমাধ্যমটি। সম্প্রতি সংগঠনটিকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প অনেক আগে থেকেই দাবি করে আসছেন, ভেনিজুয়েলা থেকে আসা অভিবাসীদের গোষ্ঠীটি যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো রাজ্যের একটি শহরের দখল নিয়েছে। এদিকে নতুন নীতি অনুযায়ী ১৪ বছরের বেশি বয়সী সব অনথিভুক্ত অভিবাসীদের বাধ্যতামূলকভাবে নিবন্ধন করতে হবে এবং আঙুলের ছাপ জমা দিতে হবে। যারা নিবন্ধন করতে ব্যর্থ হবেন, তাদের ৫ হাজার ডলার জরিমানা এবং ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডের মুখে পড়তে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিবন্ধন প্রক্রিয়া মূলত নির্বাসনের তালিকা তৈরির কৌশল হতে পারে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে দাবি করেছে অভিবাসন অধিকার সংগঠনগুলো।