
বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে জাতীয় পার্টির অবদানকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অস্বীকার করতে চাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় পার্টির রাজধানীর বনানী কার্যালয়ে দলের নির্বাহী কমিটির সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন।
‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতিটি অন্যায় ও জুলুমের প্রতিবাদ করেছি’-এমন দাবি করে জিএম কাদের বলেন, ‘আমরা সংসদে ও রাজপথে আওয়ামী লীগের সকল অন্যায়-অবিচার, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলাম। ২০২৪ সালের বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে আমরা দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে মাঠে ছিলাম। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে যোগ দিয়ে রংপুরে আমাদের নেতা-কর্মীরা হামলা ও মামলার শিকার হয়েছে। গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছে। রংপুরে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে আমাদের ২ জন নেতা শহীদ হয়েছেন। ২০২৪ সালের বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংগ্রাম করেছে।
‘বর্তমান সরকার গোষ্ঠী স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ জাতিকে বিভক্ত করছে’- এমন অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, কোনো বিষয়ে আমাদের মতামত গ্রহণ করা হচ্ছে না। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অন্যায়ভাবে আমাদের সভা, সমাবেশ ও মিছিলের ন্যায় স্বাভাবিক রাজনীতিতে বাধা দিচ্ছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার ও হয়রানি করা হচ্ছে।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, অন্যদিকে দেশের আইন শৃংখলা কারো নিয়ন্ত্রণে নেই। প্রতিদিন দ্রব্যমূল্য বেড়েই চলছে। আয় দিয়ে মানুষের দিন চলছে না। চাঁদাবাজি ও দখলদারি চলছে আগের মতই, শুধু ব্যক্তির পরিবর্তন হয়েছে। সামাজিক অস্থিরতা বাড়ছে। সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট হচ্ছে।
জিএম কাদের বলেন, ‘বড় দু’টি রাজনৈতিক দল সব সময় জাতীয় পার্টিকে ধ্বংস করতে চেয়েছে। ১৯৯০ সালের পর আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর মামলা-হামলা দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে। আমাদের অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। আমাদের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দেয়া হয়েছে। যা এখন আবার নতুন করে শুরু হয়েছে। আর একটি দল আমাদের দলের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি করে আমাদের দুর্বল করার চেষ্টা করেছে। সকল বাধা বিপত্তি মোকাবেলা করে জাতীয় পার্টি জনগণের সকল অধিকারের প্রশ্নে মাঠে ছিল, মাঠে থাকবে।’ তিনি বলেন, দেশে এখন পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। সাধারণ মানুষ পরিবর্তন চায়। আমরাই দেশের মানুষকে দুর্নীতি ও দুঃশাসন থেকে মুক্তি দেবো। সেই লক্ষ্যেই আমাদের বর্তমান রাজনীতি।
জাতীয় পার্টির নির্বাহী সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু, কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, উপস্থিত ছিলেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য নাসরিন জাহান রতনা, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, এ্যাড. মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, সৈয়দ দিদার বখত, লিয়াকত হোসেন খোকা, জহিরুল ইসলাম জহির, মোস্তফা আল মাহমুদ, শেরীফা কাদের, মাশরুর মওলা, জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া। বক্তব্য রাখেন চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমান মাহমুদ, এ্যাড. লিয়াকত আলী খান, ইঞ্জি. মোস্তফা মহসিন, ভাইস চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন আহমেদ মুক্তি, আহমেদ শফি রুবেল, হুমায়ুন খান, যুগ্ম মহাসচিব এবিএম লিয়াকত হোসেন চাকলাদার, আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক, এ্যাড. জুলফিকার হোসেন, আবু সাঈদ স্বপন, সাংগঠনিক সম্পাদক নির্মল চন্দ্র দাশ, নুরুচ্ছফা সরকার, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য মো. মশিউর রহমান বাবু, এ্যাড. খন্দকার মো. ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ, যুগ্ম সম্পাদক বাহাদুর ইসলাম ইমতিয়াজ, শেখ মুহাম্মদ শান্ত, নুর-ই আলম মিয়া যাদু, আসমা সুলতানা, ডা. সেলিমা খান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য এ্যাড. খন্দকার হাবিবুর রহমান বাচ্চু, সরোয়ার হোসেন শাহীন, মো. মোজাম্মেল হক, মো. শরিফুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, নজরুল ইসলাম হেমায়েত, সোলায়মান সামি, এ্যাড. আলিফ হোসেন, জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক সুজন।
‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতিটি অন্যায় ও জুলুমের প্রতিবাদ করেছি’-এমন দাবি করে জিএম কাদের বলেন, ‘আমরা সংসদে ও রাজপথে আওয়ামী লীগের সকল অন্যায়-অবিচার, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলাম। ২০২৪ সালের বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে আমরা দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে মাঠে ছিলাম। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে যোগ দিয়ে রংপুরে আমাদের নেতা-কর্মীরা হামলা ও মামলার শিকার হয়েছে। গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছে। রংপুরে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে আমাদের ২ জন নেতা শহীদ হয়েছেন। ২০২৪ সালের বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংগ্রাম করেছে।
‘বর্তমান সরকার গোষ্ঠী স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ জাতিকে বিভক্ত করছে’- এমন অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, কোনো বিষয়ে আমাদের মতামত গ্রহণ করা হচ্ছে না। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অন্যায়ভাবে আমাদের সভা, সমাবেশ ও মিছিলের ন্যায় স্বাভাবিক রাজনীতিতে বাধা দিচ্ছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার ও হয়রানি করা হচ্ছে।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, অন্যদিকে দেশের আইন শৃংখলা কারো নিয়ন্ত্রণে নেই। প্রতিদিন দ্রব্যমূল্য বেড়েই চলছে। আয় দিয়ে মানুষের দিন চলছে না। চাঁদাবাজি ও দখলদারি চলছে আগের মতই, শুধু ব্যক্তির পরিবর্তন হয়েছে। সামাজিক অস্থিরতা বাড়ছে। সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট হচ্ছে।
জিএম কাদের বলেন, ‘বড় দু’টি রাজনৈতিক দল সব সময় জাতীয় পার্টিকে ধ্বংস করতে চেয়েছে। ১৯৯০ সালের পর আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর মামলা-হামলা দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে। আমাদের অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। আমাদের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দেয়া হয়েছে। যা এখন আবার নতুন করে শুরু হয়েছে। আর একটি দল আমাদের দলের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি করে আমাদের দুর্বল করার চেষ্টা করেছে। সকল বাধা বিপত্তি মোকাবেলা করে জাতীয় পার্টি জনগণের সকল অধিকারের প্রশ্নে মাঠে ছিল, মাঠে থাকবে।’ তিনি বলেন, দেশে এখন পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। সাধারণ মানুষ পরিবর্তন চায়। আমরাই দেশের মানুষকে দুর্নীতি ও দুঃশাসন থেকে মুক্তি দেবো। সেই লক্ষ্যেই আমাদের বর্তমান রাজনীতি।
জাতীয় পার্টির নির্বাহী সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু, কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, উপস্থিত ছিলেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য নাসরিন জাহান রতনা, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, এ্যাড. মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, সৈয়দ দিদার বখত, লিয়াকত হোসেন খোকা, জহিরুল ইসলাম জহির, মোস্তফা আল মাহমুদ, শেরীফা কাদের, মাশরুর মওলা, জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া। বক্তব্য রাখেন চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমান মাহমুদ, এ্যাড. লিয়াকত আলী খান, ইঞ্জি. মোস্তফা মহসিন, ভাইস চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন আহমেদ মুক্তি, আহমেদ শফি রুবেল, হুমায়ুন খান, যুগ্ম মহাসচিব এবিএম লিয়াকত হোসেন চাকলাদার, আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক, এ্যাড. জুলফিকার হোসেন, আবু সাঈদ স্বপন, সাংগঠনিক সম্পাদক নির্মল চন্দ্র দাশ, নুরুচ্ছফা সরকার, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য মো. মশিউর রহমান বাবু, এ্যাড. খন্দকার মো. ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ, যুগ্ম সম্পাদক বাহাদুর ইসলাম ইমতিয়াজ, শেখ মুহাম্মদ শান্ত, নুর-ই আলম মিয়া যাদু, আসমা সুলতানা, ডা. সেলিমা খান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য এ্যাড. খন্দকার হাবিবুর রহমান বাচ্চু, সরোয়ার হোসেন শাহীন, মো. মোজাম্মেল হক, মো. শরিফুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, নজরুল ইসলাম হেমায়েত, সোলায়মান সামি, এ্যাড. আলিফ হোসেন, জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক সুজন।