
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অপারেশন ডেভিল হান্টে সারাদেশ থেকে আরও ৪৯২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য মামলা ও ওয়ারেন্টের আরও এক হাজার ২৬০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সবমিলিয়ে সারাদেশ থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার হয়েছেন এক হাজার ৭৫২ জন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ সদরদফতরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগর এ তথ্য জানান। তিনি জানান, অপারেশন ডেভিল হান্টের আওতায় ৪৯২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর অন্যান্য মামলা ও ওয়ারেন্টের আওতায় গ্রেফতার করা হয়েছে এক হাজার ২৬০ জনকে।
গত ২৪ ঘণ্টায় অপারেশন ডেভিল হান্টে দুটি দেশীয় পাইপ গান, ৬ রাউন্ড কার্তুজ, একটি চাপাতি এবং একটি রামদা উদ্ধার হয়েছে বলে জানান ইনামুল হক সাগর। ডেভিল অর্থ হচ্ছে ‘শয়তান’ আর হান্ট অর্থ ‘শিকার’। ডেভিল হান্ট, যার বাংলা অর্থ গিয়ে দাঁড়ায় ‘শয়তান শিকার’। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত ডেভিল হান্ট বলতে দেশবিরোধী চক্র, সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের আইনের আওতায় আনা বোঝানো হয়েছে। অপারেশন ডেভিল হান্ট একটি বিশেষ অভিযান, যা গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে। গত ৭ ফেব্রুয়ারি রাতে গাজীপুরে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালায় স্থানীয়রা। অভিযোগ আছে, হামলায় নেতৃত্ব দেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। ওই ঘটনার পরপরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অন্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার সিদ্ধান্ত হয়।
গত ২৪ ঘণ্টায় অপারেশন ডেভিল হান্টে দুটি দেশীয় পাইপ গান, ৬ রাউন্ড কার্তুজ, একটি চাপাতি এবং একটি রামদা উদ্ধার হয়েছে বলে জানান ইনামুল হক সাগর। ডেভিল অর্থ হচ্ছে ‘শয়তান’ আর হান্ট অর্থ ‘শিকার’। ডেভিল হান্ট, যার বাংলা অর্থ গিয়ে দাঁড়ায় ‘শয়তান শিকার’। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত ডেভিল হান্ট বলতে দেশবিরোধী চক্র, সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের আইনের আওতায় আনা বোঝানো হয়েছে। অপারেশন ডেভিল হান্ট একটি বিশেষ অভিযান, যা গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে। গত ৭ ফেব্রুয়ারি রাতে গাজীপুরে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালায় স্থানীয়রা। অভিযোগ আছে, হামলায় নেতৃত্ব দেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। ওই ঘটনার পরপরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অন্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার সিদ্ধান্ত হয়।