
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার সাদুল্লারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুটি রেন্ট্রি গাছ বিক্রির লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাদুল্লারচর সরকারি প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক লুৎফুর রহমান বিদ্যালয়ের বড় দুটি রেন্ট্রি গাছ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির অনুমোদন ব্যতিরেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের দুটি রেন্ট্রি গাছ মাত্র ৪৫ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করে দেয়। বিদ্যালয়ের জমিদাতা ও সাবেক প্রধান শিক্ষক বর্তমান এডহক কমিটির সদস্য আবু জাহেদ মাস্টার জানান, আমি এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালে এ গাছগুলো রোপণ করেছিলাম বিক্রির জন্য নয়, এলাকার পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষার জন্য। কিন্তু বর্তমান প্রধান শিক্ষক আমাদের কমিটিকে না জানিয়ে গাছগুলো বিক্রি করে দেয়। এ ব্যাপারে সাদুল্লাচর গ্রামের জামাল উদ্দিন ভূয়া বাদী হয়ে গত ২৬ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এদিকে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক লুৎফুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমি গাছ বিক্রি করি নাই। যথাযথ নিয়মমাফিক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিক্রি করেছে।
সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. এরশাদ মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, গাছের মূল্য নির্ধারণের জন্য বন বিভাগকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। তাদের দেয়া মূল্য অনুযায়ী বিক্রি করা হয়েছিল। পরে এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে গাছ বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার সাদুল্লারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুটি রেন্ট্রি গাছ বিক্রির লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাদুল্লারচর সরকারি প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক লুৎফুর রহমান বিদ্যালয়ের বড় দুটি রেন্ট্রি গাছ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির অনুমোদন ব্যতিরেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের দুটি রেন্ট্রি গাছ মাত্র ৪৫ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করে দেয়। বিদ্যালয়ের জমিদাতা ও সাবেক প্রধান শিক্ষক বর্তমান এডহক কমিটির সদস্য আবু জাহেদ মাস্টার জানান, আমি এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালে এ গাছগুলো রোপণ করেছিলাম বিক্রির জন্য নয়, এলাকার পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষার জন্য। কিন্তু বর্তমান প্রধান শিক্ষক আমাদের কমিটিকে না জানিয়ে গাছগুলো বিক্রি করে দেয়। এ ব্যাপারে সাদুল্লাচর গ্রামের জামাল উদ্দিন ভূয়া বাদী হয়ে গত ২৬ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এদিকে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক লুৎফুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমি গাছ বিক্রি করি নাই। যথাযথ নিয়মমাফিক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিক্রি করেছে।
সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. এরশাদ মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, গাছের মূল্য নির্ধারণের জন্য বন বিভাগকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। তাদের দেয়া মূল্য অনুযায়ী বিক্রি করা হয়েছিল। পরে এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে গাছ বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে।