
কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
কালীগঞ্জে এক ব্যক্তি নিয়মিত মাসরুমের চপ খেয়ে ভাললাগার কারণে অবশেষে নিজেই দোকান বসিয়ে স্বাবলম্বি হয়েছে। বর্তমানে কালীগঞ্জ উপজেলার চাপরাইল বাজারে মাসরুমের চপের দোকান বসিয়ে এলাকায় অনেকটা আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। আশরাফুল ইসলাম এলাকার একজন নারী মাশরুম চাষির নিকট থেকে কাঁচা মাশরুম কিনে তা দিয়ে চপ তৈরি করে বিক্রি শুরু করেন দোকানে। প্রতিনিয়িত মাসরুমের চপ খাওয়া ব্যাক্তিদের ক্রমান্বয়ে চপ খাওয়া ক্রেতাদের চাহিদা বৃদ্ধি পেতে থাকে। দুরুদুরান্তের বিভিন্ন মানুষ প্রতিনিয়ত দলবদ্ধ হয়ে কালীগহ্জের চাপরাইল বজারে ছুটে চলেন আশরাফুলের মাশরুমের চপ খাওয়া আশায়। আশরাফুল ইসলাম অধিক লাভের আশায় অন্য ব্যাক্তির কাছ থেকে মাশরুম ক্রয় না করে নিজেই উৎপাদন শুরু করেন মাশরুমের।সে চিন্তা থেকেই ছুটে গেলেন প্রথমে এলাকার ওই নারী মাশরুম চাষির নিকট। কিন্তু মাশরুম চাষের ব্যাপারে তার কাছ থেকে তেমন একটা সহযোগিতা না পাওয়ায় যোগাযোগ করলেন যশোর মাশরুম সেন্টারে। সেখান থেকেই মূলত মাশরুম চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে মাশরুমের বীজ সংগ্রহ করে নিজ বাড়িতে শুরু করেন মাশরুম চাষ। দুইটি ঘরে চারটি কাঠের র?্যাকে ওয়েস্টার জাতের মাশরুমের স্পন গুলো সাজিয়ে নিজের ভাগ্যের পরিবর্তনের যাত্রা শুরু করেন।প্রায় এক মাসের মধ্যেই ফলন আসতে শুরু করে। কালীগঞ্জের চাপরাইল বাজারে অবস্থিত তার দোকানের নামকরণ করলেন মাশরুম চপ হাউজ। ৩০ হাজার টাকা মূলধন নিয়ে মায়ের দোয়া মাশরুম সেন্টার নামে ১৫০০ স্পন দিয়ে প্রথমে শুরু। বর্তমানে নিজের চাষকৃত ২০ থেকে ২৫ কেজি কাঁচা মাশরুম প্রতি মাসে দোকানে এনে চপ তৈরি করেন। মাশরুমের ৩ ধরনের চপ প্রতিটি যথাক্রমে ১০,২০ ও ৫০ টাকা মূল্যে বিক্রি করেন ক্রেতাদের নিকট। এভাবে প্রতিদিন দোকানে নিজ হাতে আলু ও মাংসের চপের পাশাপাশি মাশরুমের তৈরির চপ বিক্রি করে তিনি প্রায় ৫০ হাজার টাকা মাসে আয় করেন। কালীগঞ্জ উপজেলার অনুপমপুর গ্রামের শামসুল ইসলামের ছেলে আশরাফুল ইসলাম মাশরুম চপ হাউজ নামের দোকান দিয়ে বর্তমানে প্রতিষ্ঠিত একজন মাশরুম উদ্যোক্তা হিসেবে এলাকায় বেশ পরিচিতি পেয়েছেন। এ সাফল্য দেখে এলাকার অনেকেই মাশরুম চাষের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছে। অনেকেই তার নিকট থেকে নিচ্ছেন পরামর্শ। মধ্যবিত্ত পরিবারের বেড়ে ওঠা এই তরুণ লেখাপড়ার গোন্ডি পেরিয়ে খুব একটা এগোতে পারেনি। বাণিজ্যিকভাবে মাশরুম চাষ করে পুষ্টিকর সুস্বাদু ও ঔষধি গুণ সম্পন্ন এই খাবারটি সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার স্বপ্ন দেখেন তিনি। স্বপ্নবাজ এই তরুণ মাশরুম উদ্যোক্তা আশরাফুল ইসলাম বলেন, মাশরুম চাষ বেকার সমস্যার সমাধান ও বাড়তি টাকা উপার্জনের উৎস হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস মাশুুম চাষের উপর প্রশিক্ষন, বীজ ও উপকরণ দিয়ে সহায়তা করছে, আমি তাদের পরামর্শ নিয়ে থাকি। প্রথম স্পন প্যাকেট থেকে ২৫ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে ফলন আসে ২ কেজির একটি স্পন প্যাকেট থেকে প্রায় ২ কেজি মাশরুম পাওয়া যায়।
প্রতি কেজি কাঁচা মাশরুম ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা ও শুকনো মাশরুমে ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে বিক্রি হয়, বাজারে মাশরুমের বেশ চাহিদা রয়েছে। কিন্তু অনেকেই মাশরুম বিক্রির জায়গা বা স্থান সঠিক ভাবে নির্বাচন করতে না পারায় উৎপাদিত মাশরুম বিক্রি হয় না বলে অভিযোগ করেন। অবশ্য আমাদের কালীগঞ্জ উপজেলায মাশরুম চাষিদের উৎপাদিত মাশরুম সুপার শপ বিক্রির প্রক্রিয়া কৃষি অফিসের মাধ্যমে চলমান রয়েছে। সেটি কার্যকর করা সম্ভব হলে মাশরুম চাষিরা তাদের উৎপাদিত মাশরুম সহজেই বিক্রি করতে পারবেন। কৃষি অফিস জানান, কালীগঞ্জ উপজেলায মাত্র ১৮ জন যুবক ও নারী উদ্যোক্তা মাশরুম চাষ করছেন। তাদের মধ্যে ৬ জন নারী রয়েছেন। যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের অধীনে কৃষি অফিস এইসব মাশরুম চাষিদের প্রশিক্ষন প্রদান করেছেন। প্রশিক্ষণ নেয়া প্রত্যেক যুবক এবং নারীকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে কাঠের তৈরি তাক,পানির পাত্র এবং ওয়েস্টার জাতের ১০০ টি স্পনও প্রদান করেন। কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুব আলম রনি বলেন, মাশরুম অত্যন্ত পুষ্টিকর, সুস্বাদু ও ঔষধিগুণ সম্পন্ন খাবারের পাশাপাশি মাশরুম চাষ অনেক লাভজনক।সেটি প্রমান করেছেন সফল মাশরুম চাষি আশরাফুল ইসলাম। শুধু তাই নয় মাশরুম একটি সম্ভবনাময় ফসল। এদেশের আবহাওয়া ও জলবায়ু মাশরুম চাষের উপযোগী। মাশরুম চাষের জন্য কোনো উর্বর জমির প্রয়োজন হয় না। বসতঘরের পাশে অব্যবহৃত জায়গা ও ঘরের বারান্দা ব্যবহার করে অধিক পরিমাণ মাশরুম উৎপাদন করা সম্ভব।আমরা উপজেলার মাশরুম চাষিদের উৎপাদিত মাশরুম যশোরের সুপার সবগুলোতে বিক্রির সুযোগ সৃষ্টিতে কাজ করছি। ঝিনাইদহ জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা ইসরাত জাহান মুন বলেন, মাশরুম চাষীদেরকে আমরা প্রশিক্ষণ প্রদান করছি।
কালীগঞ্জে এক ব্যক্তি নিয়মিত মাসরুমের চপ খেয়ে ভাললাগার কারণে অবশেষে নিজেই দোকান বসিয়ে স্বাবলম্বি হয়েছে। বর্তমানে কালীগঞ্জ উপজেলার চাপরাইল বাজারে মাসরুমের চপের দোকান বসিয়ে এলাকায় অনেকটা আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। আশরাফুল ইসলাম এলাকার একজন নারী মাশরুম চাষির নিকট থেকে কাঁচা মাশরুম কিনে তা দিয়ে চপ তৈরি করে বিক্রি শুরু করেন দোকানে। প্রতিনিয়িত মাসরুমের চপ খাওয়া ব্যাক্তিদের ক্রমান্বয়ে চপ খাওয়া ক্রেতাদের চাহিদা বৃদ্ধি পেতে থাকে। দুরুদুরান্তের বিভিন্ন মানুষ প্রতিনিয়ত দলবদ্ধ হয়ে কালীগহ্জের চাপরাইল বজারে ছুটে চলেন আশরাফুলের মাশরুমের চপ খাওয়া আশায়। আশরাফুল ইসলাম অধিক লাভের আশায় অন্য ব্যাক্তির কাছ থেকে মাশরুম ক্রয় না করে নিজেই উৎপাদন শুরু করেন মাশরুমের।সে চিন্তা থেকেই ছুটে গেলেন প্রথমে এলাকার ওই নারী মাশরুম চাষির নিকট। কিন্তু মাশরুম চাষের ব্যাপারে তার কাছ থেকে তেমন একটা সহযোগিতা না পাওয়ায় যোগাযোগ করলেন যশোর মাশরুম সেন্টারে। সেখান থেকেই মূলত মাশরুম চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে মাশরুমের বীজ সংগ্রহ করে নিজ বাড়িতে শুরু করেন মাশরুম চাষ। দুইটি ঘরে চারটি কাঠের র?্যাকে ওয়েস্টার জাতের মাশরুমের স্পন গুলো সাজিয়ে নিজের ভাগ্যের পরিবর্তনের যাত্রা শুরু করেন।প্রায় এক মাসের মধ্যেই ফলন আসতে শুরু করে। কালীগঞ্জের চাপরাইল বাজারে অবস্থিত তার দোকানের নামকরণ করলেন মাশরুম চপ হাউজ। ৩০ হাজার টাকা মূলধন নিয়ে মায়ের দোয়া মাশরুম সেন্টার নামে ১৫০০ স্পন দিয়ে প্রথমে শুরু। বর্তমানে নিজের চাষকৃত ২০ থেকে ২৫ কেজি কাঁচা মাশরুম প্রতি মাসে দোকানে এনে চপ তৈরি করেন। মাশরুমের ৩ ধরনের চপ প্রতিটি যথাক্রমে ১০,২০ ও ৫০ টাকা মূল্যে বিক্রি করেন ক্রেতাদের নিকট। এভাবে প্রতিদিন দোকানে নিজ হাতে আলু ও মাংসের চপের পাশাপাশি মাশরুমের তৈরির চপ বিক্রি করে তিনি প্রায় ৫০ হাজার টাকা মাসে আয় করেন। কালীগঞ্জ উপজেলার অনুপমপুর গ্রামের শামসুল ইসলামের ছেলে আশরাফুল ইসলাম মাশরুম চপ হাউজ নামের দোকান দিয়ে বর্তমানে প্রতিষ্ঠিত একজন মাশরুম উদ্যোক্তা হিসেবে এলাকায় বেশ পরিচিতি পেয়েছেন। এ সাফল্য দেখে এলাকার অনেকেই মাশরুম চাষের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছে। অনেকেই তার নিকট থেকে নিচ্ছেন পরামর্শ। মধ্যবিত্ত পরিবারের বেড়ে ওঠা এই তরুণ লেখাপড়ার গোন্ডি পেরিয়ে খুব একটা এগোতে পারেনি। বাণিজ্যিকভাবে মাশরুম চাষ করে পুষ্টিকর সুস্বাদু ও ঔষধি গুণ সম্পন্ন এই খাবারটি সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার স্বপ্ন দেখেন তিনি। স্বপ্নবাজ এই তরুণ মাশরুম উদ্যোক্তা আশরাফুল ইসলাম বলেন, মাশরুম চাষ বেকার সমস্যার সমাধান ও বাড়তি টাকা উপার্জনের উৎস হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস মাশুুম চাষের উপর প্রশিক্ষন, বীজ ও উপকরণ দিয়ে সহায়তা করছে, আমি তাদের পরামর্শ নিয়ে থাকি। প্রথম স্পন প্যাকেট থেকে ২৫ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে ফলন আসে ২ কেজির একটি স্পন প্যাকেট থেকে প্রায় ২ কেজি মাশরুম পাওয়া যায়।
প্রতি কেজি কাঁচা মাশরুম ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা ও শুকনো মাশরুমে ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে বিক্রি হয়, বাজারে মাশরুমের বেশ চাহিদা রয়েছে। কিন্তু অনেকেই মাশরুম বিক্রির জায়গা বা স্থান সঠিক ভাবে নির্বাচন করতে না পারায় উৎপাদিত মাশরুম বিক্রি হয় না বলে অভিযোগ করেন। অবশ্য আমাদের কালীগঞ্জ উপজেলায মাশরুম চাষিদের উৎপাদিত মাশরুম সুপার শপ বিক্রির প্রক্রিয়া কৃষি অফিসের মাধ্যমে চলমান রয়েছে। সেটি কার্যকর করা সম্ভব হলে মাশরুম চাষিরা তাদের উৎপাদিত মাশরুম সহজেই বিক্রি করতে পারবেন। কৃষি অফিস জানান, কালীগঞ্জ উপজেলায মাত্র ১৮ জন যুবক ও নারী উদ্যোক্তা মাশরুম চাষ করছেন। তাদের মধ্যে ৬ জন নারী রয়েছেন। যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের অধীনে কৃষি অফিস এইসব মাশরুম চাষিদের প্রশিক্ষন প্রদান করেছেন। প্রশিক্ষণ নেয়া প্রত্যেক যুবক এবং নারীকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে কাঠের তৈরি তাক,পানির পাত্র এবং ওয়েস্টার জাতের ১০০ টি স্পনও প্রদান করেন। কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুব আলম রনি বলেন, মাশরুম অত্যন্ত পুষ্টিকর, সুস্বাদু ও ঔষধিগুণ সম্পন্ন খাবারের পাশাপাশি মাশরুম চাষ অনেক লাভজনক।সেটি প্রমান করেছেন সফল মাশরুম চাষি আশরাফুল ইসলাম। শুধু তাই নয় মাশরুম একটি সম্ভবনাময় ফসল। এদেশের আবহাওয়া ও জলবায়ু মাশরুম চাষের উপযোগী। মাশরুম চাষের জন্য কোনো উর্বর জমির প্রয়োজন হয় না। বসতঘরের পাশে অব্যবহৃত জায়গা ও ঘরের বারান্দা ব্যবহার করে অধিক পরিমাণ মাশরুম উৎপাদন করা সম্ভব।আমরা উপজেলার মাশরুম চাষিদের উৎপাদিত মাশরুম যশোরের সুপার সবগুলোতে বিক্রির সুযোগ সৃষ্টিতে কাজ করছি। ঝিনাইদহ জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা ইসরাত জাহান মুন বলেন, মাশরুম চাষীদেরকে আমরা প্রশিক্ষণ প্রদান করছি।