
তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি
তানোরে ধারের টাকা পরিশোধ করা নিয়ে প্রান্তিক আলু চাষীদের মাথায় হাত। আলুর দাম কমে যাওয়ায় পথে বসার আশঙ্কা ধারের টাকা পরিশোধ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন প্রান্তিক শতশত আলু চাষী। অপর দিকে কোল্ড স্টোরের ভাড়াও নির্ধারণ করা হয়েছে ডাবল। সব মিলিয়ে তানোর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শতশত আলু চাষী এবার পথে বসছেন।
আলু চাষীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক বছর আগুড় আগাম আলুর দাম ছিলো ৪০ টাকা থেকে ৪৫ টাকা পর্যন্ত। এবছর আগুড় আগাম আলুর দাম প্রতি কেজি ১২টকা থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত। গত বছরের চেয়ে এবছর খরচ বেড়েছে কিন্তু কমেছে আলুর দাম। গত বছর ১ বিঘা জমিতে বর্গাসহ খরচ পড়েছিলো ৬০ হাজার টাকা থেকে ৬৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। এবছর ১ বিঘা জমিতে খরচ পড়ছে ৭০ হাজার টাকা থেকে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত। বর্তমানে আগাম তোলা প্রতি বিঘা আলুর দাম চাষীরা পাচ্ছেন ৩০ হাজার টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত। অথচ খরচ পড়েছে ৭০ হাজার টাকা। প্রতি বিঘায় আলু চাষীরা লোকসান গুনছেন ৩০ হাজার টাকা থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। কোল্ড স্টোরে রাখলে দাম কেমন পাবে তাও নিশ্চিত করে কেউ বছতে পারছেন না। গত বছর আলুর ভাড়া ছিলো প্রতি কেজি ৪ টাকা এবছর তা বাড়িয়ে ৮ টাকা নির্ধারণ করেছে স্টোর কর্তৃপক্ষ। সব মিলিয়ে এবছর শতশত আলু চাষী ক্ষতির মুখে পড়ছেন এমন আশঙ্কা করছেন আলু চাষীরা। প্রোজেক্ট হিসেবে চাষ করা আলু চাষীদের চোকে মুখে তেমন চিন্তার ভাজ না পড়লেও প্রান্তিক চাষীর যারা ধার দেনা করে ২ থেকে ১০ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছেন তাদের কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে ধারের টাকা পরিশোধ করা নিয়ে। প্রান্তিক কৃসকরা বলেন, গত কয়েক বছর আলুর দাম ভালো হওয়া শত শত কৃষক লাভবান হয়েছেন।
এই চিন্তা থেকেই লাভবান হওয়ার আশায় নতুন নতুন চাষীর সংখ্যা বেড়েছে। এবিষয়ে তানোর উপজেলা নারায়নপুর গ্রামের আদর্শ আলু চাষী মইনুল ইসলাম বলেন, লাভ লসের হিসাব করেই কৃষকরা আলু চাষ করেন। তিনি বলেন প্রায় ২৫ বছর ধরে আলু চাষ করছি, কোন বছর লাভ আবার কেন বছর লস হয়। গত কয়েক বছর ধরেই আলুতে লাভ হয়েছে।
এবছর তেমন লাভ না হওয়ায় সম্ভাবনা রয়েছে। এখন যারা আগাম আলু তুলে বিক্রি করছেন তাদের লস হচ্ছে। তিনি এবছর ১শ বিঘা জমিতে আলু চাষ করছেন স্টোরের ভাড়া বেড়েছে দ্বীগুণ স্টোরে আলু রাখার পর দাম কেমন হবে এবং লাভ হবে না লস হবে বলা মুসকিল বলেও জানান তিনি। তিনি লাভবান হওয়ার আশা প্রকাশ করে বলেন পরবর্তীতে আলুর দাম বাড়বে হরেও জানান তিনি।
তানোরে ধারের টাকা পরিশোধ করা নিয়ে প্রান্তিক আলু চাষীদের মাথায় হাত। আলুর দাম কমে যাওয়ায় পথে বসার আশঙ্কা ধারের টাকা পরিশোধ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন প্রান্তিক শতশত আলু চাষী। অপর দিকে কোল্ড স্টোরের ভাড়াও নির্ধারণ করা হয়েছে ডাবল। সব মিলিয়ে তানোর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শতশত আলু চাষী এবার পথে বসছেন।
আলু চাষীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক বছর আগুড় আগাম আলুর দাম ছিলো ৪০ টাকা থেকে ৪৫ টাকা পর্যন্ত। এবছর আগুড় আগাম আলুর দাম প্রতি কেজি ১২টকা থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত। গত বছরের চেয়ে এবছর খরচ বেড়েছে কিন্তু কমেছে আলুর দাম। গত বছর ১ বিঘা জমিতে বর্গাসহ খরচ পড়েছিলো ৬০ হাজার টাকা থেকে ৬৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। এবছর ১ বিঘা জমিতে খরচ পড়ছে ৭০ হাজার টাকা থেকে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত। বর্তমানে আগাম তোলা প্রতি বিঘা আলুর দাম চাষীরা পাচ্ছেন ৩০ হাজার টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত। অথচ খরচ পড়েছে ৭০ হাজার টাকা। প্রতি বিঘায় আলু চাষীরা লোকসান গুনছেন ৩০ হাজার টাকা থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। কোল্ড স্টোরে রাখলে দাম কেমন পাবে তাও নিশ্চিত করে কেউ বছতে পারছেন না। গত বছর আলুর ভাড়া ছিলো প্রতি কেজি ৪ টাকা এবছর তা বাড়িয়ে ৮ টাকা নির্ধারণ করেছে স্টোর কর্তৃপক্ষ। সব মিলিয়ে এবছর শতশত আলু চাষী ক্ষতির মুখে পড়ছেন এমন আশঙ্কা করছেন আলু চাষীরা। প্রোজেক্ট হিসেবে চাষ করা আলু চাষীদের চোকে মুখে তেমন চিন্তার ভাজ না পড়লেও প্রান্তিক চাষীর যারা ধার দেনা করে ২ থেকে ১০ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছেন তাদের কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে ধারের টাকা পরিশোধ করা নিয়ে। প্রান্তিক কৃসকরা বলেন, গত কয়েক বছর আলুর দাম ভালো হওয়া শত শত কৃষক লাভবান হয়েছেন।
এই চিন্তা থেকেই লাভবান হওয়ার আশায় নতুন নতুন চাষীর সংখ্যা বেড়েছে। এবিষয়ে তানোর উপজেলা নারায়নপুর গ্রামের আদর্শ আলু চাষী মইনুল ইসলাম বলেন, লাভ লসের হিসাব করেই কৃষকরা আলু চাষ করেন। তিনি বলেন প্রায় ২৫ বছর ধরে আলু চাষ করছি, কোন বছর লাভ আবার কেন বছর লস হয়। গত কয়েক বছর ধরেই আলুতে লাভ হয়েছে।
এবছর তেমন লাভ না হওয়ায় সম্ভাবনা রয়েছে। এখন যারা আগাম আলু তুলে বিক্রি করছেন তাদের লস হচ্ছে। তিনি এবছর ১শ বিঘা জমিতে আলু চাষ করছেন স্টোরের ভাড়া বেড়েছে দ্বীগুণ স্টোরে আলু রাখার পর দাম কেমন হবে এবং লাভ হবে না লস হবে বলা মুসকিল বলেও জানান তিনি। তিনি লাভবান হওয়ার আশা প্রকাশ করে বলেন পরবর্তীতে আলুর দাম বাড়বে হরেও জানান তিনি।