
লক্ষ্মীপুর থেকে ভি বি রায় চৌধুরী
লক্ষ্মীপুরে অহরহ বিক্রি হচ্ছে ইলিশের পোনা জাটকা। গত কয়েকদিন পূর্বে মেঘনা নদীতে মা ইলিশ ধরা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার পর পরই শুরু হয়েছে ইলিশের পোনা ধারার মহোৎসব। যেন তদারকি করার কেউই নেই এমনি বলছে সচেতন মহল।
জানা গেছে, গ্রামের বিভিন্ন পথে প্রান্তরে বিক্রি হচ্ছে ইলিশের পোনা। ছোট ইলিশ খেতে সুস্বাদু হওয়ায় ক্রেতাদের কাছে এর ব্যাপক চাহিদাও রয়েছে। সাধারণত এই মাছকে চাপিলা বলে ডাকলেও এটা মূলত ইলিশের পোনা। মার্চ-এপ্রিল দু মাস নদীতে ইলিশ ধরা নিষেধাজ্ঞা ছিলো। প্রতি বছর মা ইলিশ মেঘনায় ডিম পাড়ার জন্য আসে এবং ডিম পেড়ে সাগরে চলে যায়। এই ডিম বড় হয়ে বর্তমানে তিন থেকে পাঁচ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়েছে। আর সেই সুযোগে অসাধু জেলেরা এই জাটকা চাপিলা মাছ ধরে বেপারীদের কাছে বিক্রি করে। সেই মাছ রিক্সা ভ্যানে করে বেপারিরা বিক্রি করছে গ্রামের বিভিন্ন হাট বাজার, রাস্তা ঘাট, পাড়া মহল্লায়। সরজমিনে ঘুরে এসে আমাদের এ প্রতিবেদক জানান লক্ষ্মীপুরের উপশহর দালাল বাজার, রাখালিয়া বাজার, সর্দার বাড়ি, পাটোয়ারির রাস্তার মাথা, আলতাফ মাস্টার ঘাট সহ মেঘনা উপকূলীয় অঞ্চলে এই জাটকা ইলিশ বিক্রয় হচ্ছে। তথ্য অনুযায়ী ইলিশের পোনা চাপিলা ধরার কারণে মূলত ভরা মৌসুমেও ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে না। ইলিশের বংশ বিস্তারে (চাপিলা) জাটকা ইলিশ ধরা ও বিক্রি বন্ধ না হলে হয়তো যে পরিমান ইলিশ উৎপাদন হওয়ার কথা তা সম্ভব হবেনা।। যদিও মৎস অধিদফতর থেকে এই ইলিশের পোনা ধরা ও বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু জেলেরা তা মানছেনা। প্রসাশনের চোখ ফাঁকি দিয়ে জেলেরা ইলিশের এই চাপিলা পোনা মেঘনা নদী থেকে ধরে গ্রামে গঞ্জে হাটে বাজারে বিক্রি করছে। অচিরেই ব্যবস্থা না নিলে লক্ষ্মীপুরের ইলিশ উৎপাদন হ্রাস পাবে জণগনের মিটবেনা চাহিদা।
এই বিষয়ে লক্ষীপুর জেলা মৎস কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন বলেন, আমরা জাটকা ধরা ও বিক্রির উপর কঠোর নজরদারি রেখেছি। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নদী থেকে গোপনে চাপিলা, জাটকা ধরে বিভিন্ন হাটে বাজারে বিক্রি করতে শুনেছি। জাটকা ধরা ও বিক্রি রোধে প্রশাসনকে সাথে নিয়ে আমরা আরো কঠোর অবস্থানে যাবো।
লক্ষ্মীপুরে অহরহ বিক্রি হচ্ছে ইলিশের পোনা জাটকা। গত কয়েকদিন পূর্বে মেঘনা নদীতে মা ইলিশ ধরা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার পর পরই শুরু হয়েছে ইলিশের পোনা ধারার মহোৎসব। যেন তদারকি করার কেউই নেই এমনি বলছে সচেতন মহল।
জানা গেছে, গ্রামের বিভিন্ন পথে প্রান্তরে বিক্রি হচ্ছে ইলিশের পোনা। ছোট ইলিশ খেতে সুস্বাদু হওয়ায় ক্রেতাদের কাছে এর ব্যাপক চাহিদাও রয়েছে। সাধারণত এই মাছকে চাপিলা বলে ডাকলেও এটা মূলত ইলিশের পোনা। মার্চ-এপ্রিল দু মাস নদীতে ইলিশ ধরা নিষেধাজ্ঞা ছিলো। প্রতি বছর মা ইলিশ মেঘনায় ডিম পাড়ার জন্য আসে এবং ডিম পেড়ে সাগরে চলে যায়। এই ডিম বড় হয়ে বর্তমানে তিন থেকে পাঁচ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়েছে। আর সেই সুযোগে অসাধু জেলেরা এই জাটকা চাপিলা মাছ ধরে বেপারীদের কাছে বিক্রি করে। সেই মাছ রিক্সা ভ্যানে করে বেপারিরা বিক্রি করছে গ্রামের বিভিন্ন হাট বাজার, রাস্তা ঘাট, পাড়া মহল্লায়। সরজমিনে ঘুরে এসে আমাদের এ প্রতিবেদক জানান লক্ষ্মীপুরের উপশহর দালাল বাজার, রাখালিয়া বাজার, সর্দার বাড়ি, পাটোয়ারির রাস্তার মাথা, আলতাফ মাস্টার ঘাট সহ মেঘনা উপকূলীয় অঞ্চলে এই জাটকা ইলিশ বিক্রয় হচ্ছে। তথ্য অনুযায়ী ইলিশের পোনা চাপিলা ধরার কারণে মূলত ভরা মৌসুমেও ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে না। ইলিশের বংশ বিস্তারে (চাপিলা) জাটকা ইলিশ ধরা ও বিক্রি বন্ধ না হলে হয়তো যে পরিমান ইলিশ উৎপাদন হওয়ার কথা তা সম্ভব হবেনা।। যদিও মৎস অধিদফতর থেকে এই ইলিশের পোনা ধরা ও বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু জেলেরা তা মানছেনা। প্রসাশনের চোখ ফাঁকি দিয়ে জেলেরা ইলিশের এই চাপিলা পোনা মেঘনা নদী থেকে ধরে গ্রামে গঞ্জে হাটে বাজারে বিক্রি করছে। অচিরেই ব্যবস্থা না নিলে লক্ষ্মীপুরের ইলিশ উৎপাদন হ্রাস পাবে জণগনের মিটবেনা চাহিদা।
এই বিষয়ে লক্ষীপুর জেলা মৎস কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন বলেন, আমরা জাটকা ধরা ও বিক্রির উপর কঠোর নজরদারি রেখেছি। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নদী থেকে গোপনে চাপিলা, জাটকা ধরে বিভিন্ন হাটে বাজারে বিক্রি করতে শুনেছি। জাটকা ধরা ও বিক্রি রোধে প্রশাসনকে সাথে নিয়ে আমরা আরো কঠোর অবস্থানে যাবো।