
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেছেন, ‘জামায়াত দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে জনগণের সমথর্নে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে বাংলাদেশে ইনসাফ ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করা হবে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে দেশকে বের করে আনা হবে।’ গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে বাছাইকৃত কর্মী শিক্ষা শিবিরে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক হচ্ছে ইনসাফ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রতীক। এই প্রতীককে ইসলামের শত্রুরা এতোটাই ভয় পায় যার কারণে তারা জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক কেড়ে নিয়েছে। অবিলম্বে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ফিরিয়ে দেন, কারণ দেশে সত্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একমাত্র গ্যারান্টি এই প্রতীক। তিনি বলেন, এ দেশের ছাত্র-জনতার রক্ত ও জীবনের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়ে ইসলামের বিজয়ের সূচনা শুরু হয়েছে। পূর্ণ বিজয়ের জন্য আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামের পক্ষে ভোট দিতে হবে। ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না হলে এখন থেকেই যারা চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বে লিপ্ত তারা জনগণকে চুষে খাবে। এদের শোষণ থেকে রক্ষা পেতে হলে ইসলামী রাষ্ট্রের বিকল্প নেই।’
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা অঞ্চলের (দক্ষিণ) পরিচালক সাইফুল আলম খান মিলন।
শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক হচ্ছে ইনসাফ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রতীক। এই প্রতীককে ইসলামের শত্রুরা এতোটাই ভয় পায় যার কারণে তারা জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক কেড়ে নিয়েছে। অবিলম্বে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ফিরিয়ে দেন, কারণ দেশে সত্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একমাত্র গ্যারান্টি এই প্রতীক। তিনি বলেন, এ দেশের ছাত্র-জনতার রক্ত ও জীবনের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়ে ইসলামের বিজয়ের সূচনা শুরু হয়েছে। পূর্ণ বিজয়ের জন্য আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামের পক্ষে ভোট দিতে হবে। ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না হলে এখন থেকেই যারা চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বে লিপ্ত তারা জনগণকে চুষে খাবে। এদের শোষণ থেকে রক্ষা পেতে হলে ইসলামী রাষ্ট্রের বিকল্প নেই।’
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা অঞ্চলের (দক্ষিণ) পরিচালক সাইফুল আলম খান মিলন।