
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের পতনে লেনদেন হয়েছে। এতে ডিএসইর প্রধান সূচক কমেছে ২৯ পয়েন্ট। তবে ডিএসইতে লেনদেন বাড়লেও, সিএসইতে কমেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজারে চলতি সপ্তাহের পঞ্চম ও শেষ কার্যদিবস শেষে এ তথ্য জানা গেছে। ডিএসইতে বৃহস্পতিবার কমেছে সবকটি সূচকের মান। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ২৯ দশমিক ৭৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৬৬১ দশমিক ০৪ পয়েন্টে। আর ডিএস-৩০ সূচক ১০ দশমিক ৯৮ পয়েন্ট ও ডিএসইএস সূচক ৭ দশমিক ৮৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে যথাক্রমে ২ হাজার ১৫ দশমিক ২৩ পয়েন্ট ও ১ হাজার ২৪২ দশমিক ৫৭ পয়েন্টে। তবে ডিএসইতে এদিন বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। এদিন লেনদেন হয়েছে ৯১১ কোটি ৩৭ লাখ টাকার শেয়ার। যেখানে গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৮৬৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকার শেয়ার। লেনদেন বেড়েছে ৪১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।
এছাড়া বৃহস্পতিবার ডিএসইতে ৩৯২টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৩টি কোম্পানির, কমেছে ২৫৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। লেনদেনের শীর্ষে ছিল এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ। এ ছাড়া মালেক স্পিনিং মিলস, বেস্ট হোল্ডিংস, তৌফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইস-ক্রিম, ওরিয়ন ইনফিউশন, ই-জেনারেশন লিমিটেড, গোল্ডেন সন, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, ফার ইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং ইন্ডাস্ট্রিজ ও আলিফ ইন্ডাস্ট্রিস ছিল শীর্ষ ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায়। অন্যদিকে দেশের অপর পুঁজিবাজার সিএসইতেও এদিন কমেছে সব সূচকের মান। বৃহস্পতিবার সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৮১ দশমিক ১৯ পয়েন্ট ও সিএসসিএক্স সূচক ৪৮ দশমিক ৮০ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৬ হাজার ২৩১ দশমিক ৮৬ পয়েন্টে ও ৯ হাজার ৭৭১ দশমিক ৫২ পয়েন্টে। আর সিএসই-৫০ সূচক ৭ দশমিক ৪৪ পয়েন্ট ও সিএসআই সূচক ৩ দশমিক ৮৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ১৪৩ দশমিক ৬০ পয়েন্টে ও ১ হাজার ৬৭ দশমিক ৮৫ পয়েন্টে। আর ৩৪ দশমিক ২৬ পয়েন্ট কমেছে সিএসই-৩০ সূচকের মান।
সূচকটি অবস্থান করছে ১২ হাজার ৪৩১ দশমিক ৫১ পয়েন্টে। সিএসইতে বৃহস্পতিবার কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। লেনদেন হয়েছে ৫৭ কোটি ৯১ লাখ টাকার শেয়ার। আর এর আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১১৩ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার। লেনদেন কমেছে ৫৫ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। সিএসইতে ২৩৩ টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৩টির, কমেছে ১৪৬টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪টি কোম্পানির শেয়ারদর।
২২ বছরে বিশ্বে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৬৫০ শতাংশ : আইওএম
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
গত ২২ বছরে বিশ্বে প্রবাসী আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩ হাজার কোটি টাকা। এর ৬৫ হাজার কোটি টাকা নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলো পেয়েছে বলে ইন্টারন্যাশনাল অরগানাইজেশান অব মাইগ্রেশনের (আইওএম) এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে আন্তর্জাতিক অভিবাসী প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থা আইওএম।
বার্ষিক এই প্রতিবেদনে উঠে এসছে বিশ্বের সব প্রবাসীর তথ্য। ব্যক্তিগত প্রভাব ছড়িয়ে প্রবাসী আয়ের এ প্রবৃদ্ধি রাষ্ট্রীয়ভাবেও সুফল বয়ে আনছে বলেই মনে করে সংস্থাটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০০ সাল থেকে ২০২২ পর্যন্ত বিশ্বে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৬৫০ শতাংশ। যার প্রভাব পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৩ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩ হাজার ১০০ কোটি টাকায়। যার মধ্যে ৬৫ হাজার কোটি টাকা আয় করেছে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলো। এছাড়া সারা বিশ্বে প্রায় ২৮ কোটি অভিবাসী রয়েছে। কেবল ২০২২ সালেই প্রায় ১২ কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এদের মধ্যে রাজনৈতিক আশ্রয় এবং যুদ্ধ সংঘাতের মতো বিষয় জড়িত।
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের পতনে লেনদেন হয়েছে। এতে ডিএসইর প্রধান সূচক কমেছে ২৯ পয়েন্ট। তবে ডিএসইতে লেনদেন বাড়লেও, সিএসইতে কমেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজারে চলতি সপ্তাহের পঞ্চম ও শেষ কার্যদিবস শেষে এ তথ্য জানা গেছে। ডিএসইতে বৃহস্পতিবার কমেছে সবকটি সূচকের মান। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ২৯ দশমিক ৭৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৬৬১ দশমিক ০৪ পয়েন্টে। আর ডিএস-৩০ সূচক ১০ দশমিক ৯৮ পয়েন্ট ও ডিএসইএস সূচক ৭ দশমিক ৮৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে যথাক্রমে ২ হাজার ১৫ দশমিক ২৩ পয়েন্ট ও ১ হাজার ২৪২ দশমিক ৫৭ পয়েন্টে। তবে ডিএসইতে এদিন বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। এদিন লেনদেন হয়েছে ৯১১ কোটি ৩৭ লাখ টাকার শেয়ার। যেখানে গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৮৬৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকার শেয়ার। লেনদেন বেড়েছে ৪১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।
এছাড়া বৃহস্পতিবার ডিএসইতে ৩৯২টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৩টি কোম্পানির, কমেছে ২৫৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। লেনদেনের শীর্ষে ছিল এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ। এ ছাড়া মালেক স্পিনিং মিলস, বেস্ট হোল্ডিংস, তৌফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইস-ক্রিম, ওরিয়ন ইনফিউশন, ই-জেনারেশন লিমিটেড, গোল্ডেন সন, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, ফার ইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং ইন্ডাস্ট্রিজ ও আলিফ ইন্ডাস্ট্রিস ছিল শীর্ষ ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায়। অন্যদিকে দেশের অপর পুঁজিবাজার সিএসইতেও এদিন কমেছে সব সূচকের মান। বৃহস্পতিবার সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৮১ দশমিক ১৯ পয়েন্ট ও সিএসসিএক্স সূচক ৪৮ দশমিক ৮০ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৬ হাজার ২৩১ দশমিক ৮৬ পয়েন্টে ও ৯ হাজার ৭৭১ দশমিক ৫২ পয়েন্টে। আর সিএসই-৫০ সূচক ৭ দশমিক ৪৪ পয়েন্ট ও সিএসআই সূচক ৩ দশমিক ৮৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ১৪৩ দশমিক ৬০ পয়েন্টে ও ১ হাজার ৬৭ দশমিক ৮৫ পয়েন্টে। আর ৩৪ দশমিক ২৬ পয়েন্ট কমেছে সিএসই-৩০ সূচকের মান।
সূচকটি অবস্থান করছে ১২ হাজার ৪৩১ দশমিক ৫১ পয়েন্টে। সিএসইতে বৃহস্পতিবার কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। লেনদেন হয়েছে ৫৭ কোটি ৯১ লাখ টাকার শেয়ার। আর এর আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১১৩ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার। লেনদেন কমেছে ৫৫ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। সিএসইতে ২৩৩ টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৩টির, কমেছে ১৪৬টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪টি কোম্পানির শেয়ারদর।
২২ বছরে বিশ্বে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৬৫০ শতাংশ : আইওএম
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
গত ২২ বছরে বিশ্বে প্রবাসী আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩ হাজার কোটি টাকা। এর ৬৫ হাজার কোটি টাকা নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলো পেয়েছে বলে ইন্টারন্যাশনাল অরগানাইজেশান অব মাইগ্রেশনের (আইওএম) এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে আন্তর্জাতিক অভিবাসী প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থা আইওএম।
বার্ষিক এই প্রতিবেদনে উঠে এসছে বিশ্বের সব প্রবাসীর তথ্য। ব্যক্তিগত প্রভাব ছড়িয়ে প্রবাসী আয়ের এ প্রবৃদ্ধি রাষ্ট্রীয়ভাবেও সুফল বয়ে আনছে বলেই মনে করে সংস্থাটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০০ সাল থেকে ২০২২ পর্যন্ত বিশ্বে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৬৫০ শতাংশ। যার প্রভাব পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৩ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩ হাজার ১০০ কোটি টাকায়। যার মধ্যে ৬৫ হাজার কোটি টাকা আয় করেছে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলো। এছাড়া সারা বিশ্বে প্রায় ২৮ কোটি অভিবাসী রয়েছে। কেবল ২০২২ সালেই প্রায় ১২ কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এদের মধ্যে রাজনৈতিক আশ্রয় এবং যুদ্ধ সংঘাতের মতো বিষয় জড়িত।