
মার্কিন আদালতে আদানির দুর্নীতি নিয়ে এবার খোদ ভারতেই বির্তকের মুখে পড়েছে নরেন্দ্র মোদির বিজেপি সরকার। বিরোধী দলীয় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী গৌতম আদানির বিরুদ্ধে সংসদীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। আদানিকে মোদি সরকার সুরক্ষা দিচ্ছে বলেও অভিযোগ তার।
জালিয়াতি ও প্রতারণার দায়ে মার্কিন আদালতে ভারতীয় ধনকুবের গৌতম আদানির অভিযুক্ত হওয়ার ঘটনায় এবার তোলপাড় ভারতের রাজনীতি। আদানি ইস্যুতে নিজ দেশেই বিরোধী কংগ্রেসের তোপের মুখে পড়েছে মোদি সরকার। যুক্তরাষ্ট্রে গৌতম আদানির জালিয়াতির বিষয়টি সামনে আসার পর এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। গত বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে বিজেপিকে একহাত নেন রাহুল। আদানিকে মোদি সরকার সুরক্ষা দিচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। বলেন, বিজেপি সরকারের অর্থ-সংক্রান্ত সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে আদানি। আর তাই, মোদি সরকার চাইলেও আদানির বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারবে না বলে অভিযোগ রাহুলের। বিরোধী দলের নেতা হিসেবে লোকসভায় আদানির জালিয়াতি ইস্যুটি তুলে ধরার কথা জানান রাহুল গান্ধী। সেইসঙ্গে গৌতম আদানির বিরুদ্ধে সংসদীয় তদন্তেরও আহ্বান জানিয়ে তাকে গ্রেফতারের দাবি তোলেন তিনি। রাহুল বলেন, বিরোধী দলের নেতা হিসেবে এই ইস্যুটি উত্থাপন করা আমার দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী (মোদি) তাকে শতভাগ সুরক্ষা দিচ্ছেন। গৌতম আদানি দুর্নীতির মাধ্যমে ভারতের সম্পদ ভোগদখল করছেন। তিনি বিজেপিকে সমর্থন দেন। আমরা বারবার এই ইস্যুতে কথা বলব। আমরা একটি যৌথ সংসদীয় কমিটির পাশাপাশি আদানির গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। এদিন সংবাদ সম্মেলনে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও গৌতম আদানি যতদিন একসঙ্গে থাকবে ততদিন ভারতে তারা সুরক্ষিত বলেও মন্তব্য করেন রাহুল গান্ধী।
এর আগে গৌতম আদানির বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়। এতে ঘুষ দিয়ে নিজ দেশে বিশাল এক সৌরশক্তি প্রকল্পে বিনিয়োগকারীদের প্রতারণা করার কথা বলা হয়েছে। স্থানীয় সময় গত বুধবার নিউ ইয়র্কের একটি আদালতে গৌতম আদানির বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনা হয়। খবরে বলা হয়, আদানি ছাড়াও তার ব্যবসা এবং প্রকল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত আরও অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। মার্কিন প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, কোম্পানির জন্য নবায়নযোগ্য শক্তি প্রকল্প হাসিল করতে ভারতীয় কর্মকর্তাদের অর্থ দেয়া হয়েছে। তিনি সেসব বিনিয়োগকারীকে প্রতারিত করেন, যারা একটি প্রকল্পে বহু বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছেন। তিনি তাদের তার এ পরিকল্পনার কথা জানাতে ব্যর্থ হয়েছেন যে, ভারতীয় কর্মকর্তাদের তিনি ২৫ কোটিরও বেশি ডলার ঘুষ দিয়ে সৌরশক্তি সরবরাহের এ লাভজনক চুক্তিটি পান। উপ-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল লিসা মিলার বলেন, ‘অভিযোগে বলা হয়েছে তারা ‘যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের ব্যবহার করে দুর্নীতি ও জালিয়াতির মাধ্যমে রাষ্ট্রব্যাপী ওই বিশাল জ্বালানি শক্তির চুক্তি গ্রহণ ও অর্থায়ন’ করতে চেয়েছিলেন।’ ।
জালিয়াতি ও প্রতারণার দায়ে মার্কিন আদালতে ভারতীয় ধনকুবের গৌতম আদানির অভিযুক্ত হওয়ার ঘটনায় এবার তোলপাড় ভারতের রাজনীতি। আদানি ইস্যুতে নিজ দেশেই বিরোধী কংগ্রেসের তোপের মুখে পড়েছে মোদি সরকার। যুক্তরাষ্ট্রে গৌতম আদানির জালিয়াতির বিষয়টি সামনে আসার পর এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। গত বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে বিজেপিকে একহাত নেন রাহুল। আদানিকে মোদি সরকার সুরক্ষা দিচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। বলেন, বিজেপি সরকারের অর্থ-সংক্রান্ত সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে আদানি। আর তাই, মোদি সরকার চাইলেও আদানির বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারবে না বলে অভিযোগ রাহুলের। বিরোধী দলের নেতা হিসেবে লোকসভায় আদানির জালিয়াতি ইস্যুটি তুলে ধরার কথা জানান রাহুল গান্ধী। সেইসঙ্গে গৌতম আদানির বিরুদ্ধে সংসদীয় তদন্তেরও আহ্বান জানিয়ে তাকে গ্রেফতারের দাবি তোলেন তিনি। রাহুল বলেন, বিরোধী দলের নেতা হিসেবে এই ইস্যুটি উত্থাপন করা আমার দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী (মোদি) তাকে শতভাগ সুরক্ষা দিচ্ছেন। গৌতম আদানি দুর্নীতির মাধ্যমে ভারতের সম্পদ ভোগদখল করছেন। তিনি বিজেপিকে সমর্থন দেন। আমরা বারবার এই ইস্যুতে কথা বলব। আমরা একটি যৌথ সংসদীয় কমিটির পাশাপাশি আদানির গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। এদিন সংবাদ সম্মেলনে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও গৌতম আদানি যতদিন একসঙ্গে থাকবে ততদিন ভারতে তারা সুরক্ষিত বলেও মন্তব্য করেন রাহুল গান্ধী।
এর আগে গৌতম আদানির বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়। এতে ঘুষ দিয়ে নিজ দেশে বিশাল এক সৌরশক্তি প্রকল্পে বিনিয়োগকারীদের প্রতারণা করার কথা বলা হয়েছে। স্থানীয় সময় গত বুধবার নিউ ইয়র্কের একটি আদালতে গৌতম আদানির বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনা হয়। খবরে বলা হয়, আদানি ছাড়াও তার ব্যবসা এবং প্রকল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত আরও অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। মার্কিন প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, কোম্পানির জন্য নবায়নযোগ্য শক্তি প্রকল্প হাসিল করতে ভারতীয় কর্মকর্তাদের অর্থ দেয়া হয়েছে। তিনি সেসব বিনিয়োগকারীকে প্রতারিত করেন, যারা একটি প্রকল্পে বহু বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছেন। তিনি তাদের তার এ পরিকল্পনার কথা জানাতে ব্যর্থ হয়েছেন যে, ভারতীয় কর্মকর্তাদের তিনি ২৫ কোটিরও বেশি ডলার ঘুষ দিয়ে সৌরশক্তি সরবরাহের এ লাভজনক চুক্তিটি পান। উপ-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল লিসা মিলার বলেন, ‘অভিযোগে বলা হয়েছে তারা ‘যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের ব্যবহার করে দুর্নীতি ও জালিয়াতির মাধ্যমে রাষ্ট্রব্যাপী ওই বিশাল জ্বালানি শক্তির চুক্তি গ্রহণ ও অর্থায়ন’ করতে চেয়েছিলেন।’ ।