
ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৬৬ জন। গতকাল শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৯ হাজার ৪৫৬ জন। এর মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছে ৬৪ হাজার ৭৯৩ জন। মারা গেছে ৩৩৭ জন।
গতকাল শুক্রবার সর্বশেষ মারা যাওয়া রোগীদের মধ্যে চারজন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালে ভর্তি ছিল, দুজন ভর্তি ছিল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং একজন খুলনা বিভাগের হাসপাতালে ভর্তি ছিল।
স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালে নতুন ভর্তিদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫০, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৯২, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৪৫, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৯৭ ও খুলনা বিভাগে ৪৩ জন রয়েছেন। এ ছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৯ জন, রংপুর বিভাগে ১ এবং সিলেটে ৩ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৬৯ হাজার ৯২২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এখন পর্যন্ত চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৩৪২ জনের। এর আগে গত বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন এবং মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন।
এদিকে, কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না ডেঙ্গু সংক্রমণ। গত বৃহস্পতিবার সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ২০৯ জন রোগী। এ দিন স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক হালনাগাদ তথ্যে বিষয়টি জানানো হয়।
অধিদফতর জানায়, গত বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্বের ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৪০৬ জন এবং বাকিরা ঢাকার বাইরের। এ সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১০৮ জন।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এ বছরের জুলাই থেকে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকে। ওই মাসে ডেঙ্গুতে ২ হাজার ৬৬৯ জন আক্রান্ত হয়। পরের মাসে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৬ হাজার ৫২১। সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৩ গুণ বেড়ে হয় ১৮ হাজার ৯৭। চলতি মাসের প্রথম সাত দিনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে সাড়ে সাত হাজার রোগী এবং ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ইতিহাসে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ সংক্রমণ ও মৃত্যু হয় গত বছর। তখন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। মৃত্যু হয় ১ হাজার ৭০৫ জনের।
গতকাল শুক্রবার সর্বশেষ মারা যাওয়া রোগীদের মধ্যে চারজন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালে ভর্তি ছিল, দুজন ভর্তি ছিল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং একজন খুলনা বিভাগের হাসপাতালে ভর্তি ছিল।
স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালে নতুন ভর্তিদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫০, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৯২, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৪৫, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৯৭ ও খুলনা বিভাগে ৪৩ জন রয়েছেন। এ ছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৯ জন, রংপুর বিভাগে ১ এবং সিলেটে ৩ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৬৯ হাজার ৯২২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এখন পর্যন্ত চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৩৪২ জনের। এর আগে গত বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন এবং মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন।
এদিকে, কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না ডেঙ্গু সংক্রমণ। গত বৃহস্পতিবার সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ২০৯ জন রোগী। এ দিন স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক হালনাগাদ তথ্যে বিষয়টি জানানো হয়।
অধিদফতর জানায়, গত বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্বের ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৪০৬ জন এবং বাকিরা ঢাকার বাইরের। এ সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১০৮ জন।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এ বছরের জুলাই থেকে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকে। ওই মাসে ডেঙ্গুতে ২ হাজার ৬৬৯ জন আক্রান্ত হয়। পরের মাসে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৬ হাজার ৫২১। সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৩ গুণ বেড়ে হয় ১৮ হাজার ৯৭। চলতি মাসের প্রথম সাত দিনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে সাড়ে সাত হাজার রোগী এবং ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ইতিহাসে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ সংক্রমণ ও মৃত্যু হয় গত বছর। তখন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। মৃত্যু হয় ১ হাজার ৭০৫ জনের।