
জাতীয় পার্টি মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা করে দেশে আজ একটি বি-রাজনৈতিক প্রক্রিয়া চলছে। কোনো একটি মহল দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য এ কাজে ছাত্রদের একটি অংশকে ব্যবহার করছে। যা কোনোভাবে কাম্য নয়। তিনি বলেন, অতীতে মাইনাস টু ফর্মুলা ব্যর্থ হয়েছে। এখনও বি-রাজনীতিকরণ করতে যে প্রক্রিয়া চলছে তাও ব্যর্থ হবে। গতকাল রোববার জাতীয় পার্টির বনানীর চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে অতিরিক্ত মহাসচিবদের সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, দেশে দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে। এদিকে সরকারকে জোর দৃষ্টি দিতে হবে। তিনি বলেন, কতিপয় দুষ্কৃতকারী গত ১ নভেম্বর জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় অফিসে হামলা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট এবং ২ নভেম্বর খুলনা অফিসে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করেছে। আমরা এসব ঘটনার নিন্দা জানাচ্ছি। একইসঙ্গে এই অগ্নিসংযোগে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।
সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, লিয়াকত হোসেন খোকা, মো. জহিরুল ইসলাম জহির, মোহাম্মদ আতিকুর রহমান আতিক, মোস্তফা আল মাহমুদ, মনিরুল ইসলাম মিলন। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আব্দুস সবুর আসুদ, এটিইউ তাজ রহমান, জহিরুল ইসলাম রুবেল, মো. জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া, মো. আরিফুর রহমান খান।
মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, দেশে দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে। এদিকে সরকারকে জোর দৃষ্টি দিতে হবে। তিনি বলেন, কতিপয় দুষ্কৃতকারী গত ১ নভেম্বর জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় অফিসে হামলা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট এবং ২ নভেম্বর খুলনা অফিসে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করেছে। আমরা এসব ঘটনার নিন্দা জানাচ্ছি। একইসঙ্গে এই অগ্নিসংযোগে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।
সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, লিয়াকত হোসেন খোকা, মো. জহিরুল ইসলাম জহির, মোহাম্মদ আতিকুর রহমান আতিক, মোস্তফা আল মাহমুদ, মনিরুল ইসলাম মিলন। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আব্দুস সবুর আসুদ, এটিইউ তাজ রহমান, জহিরুল ইসলাম রুবেল, মো. জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া, মো. আরিফুর রহমান খান।