
আগামীকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাল্টাপাল্টি সমাবেশের ডাক দিয়েছে তাবলীগ জামায়াতের দু’গ্রুপ। বেশ কয়েক বছর শান্ত থাকার পর আবারও বিবদমান এ দু’গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়াচ্ছে। এতে বড় ধরনের অঘটন ঘটতে পারে বলে আশংকা করছেন একাধিক আলেম-ওলামা। দায়িত্বশীল একাধিক আলেম জানান, কাল রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ‘উলামা মাশায়েখ বাংলাদেশ’ এর ব্যানারে মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে তাবলীগের সাদবিরোধী অংশ। ‘দাওয়াত ও তাবলীগ, মাদারেসে কওমিয়া এবং দ্বীনের হেফাজতের লক্ষ্যে’ অনুষ্ঠেয় এ সমাবেশের আয়োজনে রয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সংশ্লিষ্টরা। প্রকাশ্যে না থাকলেও জেলাভিত্তিক ও বিভিন্ন পয়েন্টের মার্কাজ মসজিদে সমাবেশ বাস্তবায়নে কাজ করছেন জুবায়েরপন্থী তাবলীগের সদস্যরা। গত শুক্রবার রাজধানীর মিরপুরের জামিয়া হোসাইনিয়া আরজাবাদ মাদ্রাসায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠেয় সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি কমিটি করা হয়। এতে আহ্বায়ক করা হয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সিনিয়র সহসভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুককে। ওই বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বেফাক মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা নাজমুল হাসান, মাওলানা আব্দুল আওয়াল, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি প্রমুখ। মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক গণমাধ্যমে বলেন, আমরা শুনতে পাচ্ছি সরকার পতনের পর দেশের নানা এলাকায় মাদ্রাসা-মসজিদ নিয়ে নানা ঝামেলা চলছে। এছাড়া, তাবলীগ জামায়াত নিয়ে সাদপন্থীরা ঝামেলা করার পাঁয়তারা করছে। সে জন্যই দেশের শীর্ষস্থানীয় উলামা মাশায়েখদের আহ্বানে এ মহাসম্মেলনের উদ্যোগ নেয়া। উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে একই দিনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাল্টা সমাবেশ ডেকেছে সাধারণ মুসল্লি পরিষদ বাংলাদেশ। এ সংগঠনটির মাধ্যমে রাজপথের কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে থাকে তাবলীগ জামায়াতের সাদপন্থী অংশের বিক্ষুদ্ধ কর্মীরা। এর আগে গত ৩১ অক্টোবর ডিএমপি কমিশনার বরাবর করা আবেদনপত্রে সাধারণ মুসল্লি পরিষদ বাংলাদেশের সদস্য সচিব মীযানুর রহমান জানিয়েছেন, দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের পাঁয়তারা, আসন্ন বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে ষড়যন্ত্র ও দেশের বিভিন্ন জেলায় ইজতেমা ও মারকাজে হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় মহাসমাবেশ আয়োজন করা হবে।
জানা গেছে, তাবলীগ জামায়াতের বিবদমান দু’পক্ষের কোন্দলের কারণে নির্দলীয় সংগঠন তাবলীগ জামায়াত এখন রীতিমতো দু’ভাগে বিভক্ত। নিজেদের মধ্যে মারামারি, দোষারোপ, বিক্ষোভ-মিছিল সমাবেশ এমনকি পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলনও করছে তারা। গত ১ ডিসেম্বর টঙ্গী ইজতেমা ময়দানে দু’পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর থেকে তাবলীগ জামায়াত এখন বাংলাদেশে অন্যতম আলোচনার বিষয়। ময়দানের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে ওই দিন দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত হন একজন মুসল্লি। আহত হন কয়েকশ’। দু’পক্ষের বিরোধিতার জেরে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হওয়া বিশ্ব ইজতেমাও।
তাবলীগের বিভক্ত দুই পক্ষের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাবলীগ জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে অংশিদারত্বের বিষয়ে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন তাবলীগের শীর্ষ মুরুব্বিরা। মূলত ২০১৫ সালের নভেম্বরে পাকিস্তানের লাহোরের রাইবেন্ডে ইজতেমা চলার সময় সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১৩ সদস্যের একটি ‘আলমি শুরা’ গঠনের প্রস্তাব আসে। কিন্তু সাদ সে প্রস্তাব মানেননি। তবে ইজতেমা শেষে রাইবেন্ড থেকে শুরা বোর্ড গঠনের একটি চিঠি বিভিন্ন দেশে তাবলীগের দায়িত্বশীলদের কাছে পাঠানো হয়। এরপর একপক্ষ সাদের সিদ্ধান্তের পক্ষে এবং আরেকপক্ষ আলমি শুরা গঠনের পক্ষে অবস্থান নেয়। বাংলাদেশে তাবলীগের কার্যক্রম পরিচালনা করতেন ১১ জন শুরা সদস্য। এর মধ্যে কাকরাইল মসজিদের খতিব মুহাম্মাদ জুবায়েরসহ পাঁচজন সাদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। আর সাদের পক্ষে অবস্থান নেন আরেক শুরা সদস্য সৈয়দ ওয়াসিফ ইসলামের নেতৃত্বে বাকি ছয়জন। সাদ বিরোধীদের মুরুব্বি ও ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্ক মসজিদের ইমাম মাওলানা আমানুল হক জানান, মাওলানা এনামুল হাসান তার মৃত্যুর আগে তাবলীগ পরিচালনার জন্য দশজনের একটি জামায়াত গঠন করেছিলেন। এরা বিশ্বব্যাপী তাবলীগের কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। ভারতে তাবলীগের কার্যক্রম পরিচালনায় সাদসহ তিনজনের জামায়াতটি এ দশজনই নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু একে একে সবার মৃত্যুর পর সাদকে যখন বলা হলো আবারও জামায়াত গঠন করতে। সাদ তখন তা না করেই নিজেকে একক আমির হিসেবে ঘোষণা করলেন। আমানুল হক বলেন, বিভিন্ন সময়ে সাদের দেয়া বক্তব্য নিয়ে আগেই বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। অন্তত ৮৫টি বিতর্কিত বক্তব্যের কারণে তিনি তাবলীগের মধ্যেই সমালোচিত হয়ে আসছিলেন। সবশেষ আলমি শুরা গঠনের প্রস্তাব প্রত্যখ্যান করার পর বিভক্তি প্রকাশ্য রূপ নেয়। তবে এ বক্তব্য সত্য নয় বলে দাবি করেছেন সাদপন্থী মুরুব্বি আশরাফ আলী। তিনি বলেন, ১৯৯৩ সালে দশজনের ওই জামায়াত গঠন করা হয়েছিল তাবলীগের নেতৃত্ব নির্ধারণের জন্য। তারা তিনজনকে নির্ধারণ করে সে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। বাকি দু’জন মারা যাওয়ায় সাদ একাই আমিরের দায়িত্ব রয়ে যান। ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর টঙ্গী ইজতেমা ময়দানে দু’পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষও হয়। সংঘর্ষে দু’জন নিহত ও শতাধিক আহত হন। এরপর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দু’ভাগ হয়ে পড়ে তাবলীগ জামায়াত। ২০১৯ সাল থেকে আলাদাভাবে বিশ্ব ইজতেমা ও তাবলীগের কার্যক্রম পরিচালনা করেন তারা।
তাবলীগ জামায়াতের বিশ্ব ইজতেমার এবারের প্রথম পর্বটি সা’দপন্থি অংশটি আয়োজনের পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ করেছেন দেশের একাধিক শীর্ষ আলেম। রোববার রাজধানীর দিলুরোডে ‘দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামা-মাশায়েখদের আহ্বানে অনুষ্ঠেয় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ইসলামী মহাসম্মেলন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে’ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা মাদ্রাসার শাইখুল হাদিস উবায়দুল্লাহ ফারুক, কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড-বেফাকের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক। সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তারা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমরা দেখেছি, দেশের মসজিদ-মাদ্রাসার যেকোনও সভা-সেমিনার এমনকি খতমে বুখারি অনুষ্ঠান করার জন্যও প্রশাসনের অনুমতি নেয়া লাগতো। এছাড়া তারা মসজিদ ও কওমি মাদ্র্রাসাগুলোতে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতো বিভিন্নভাবে। দুঃখের বিষয় হলো হাসিনা সরকারের পতনের পরও ওইসব পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে। কিছু রাজনৈতিক দল ও প্রভাবশালী আওয়ামী লীগের মতো কওমি মাদ্রাসা-মসজিদে প্রভাব বিস্তার করতে চাচ্ছে। দখলের পাঁয়তারা করছে। দেশের ওলামায়ে কেরাম এসব কিছুতেই মেনে নিতে পারে না। তারা বলেন, দাওয়াত ও তাবলীগের শান্তিপূর্ণ কাজে বিশৃঙ্খলা তৈরির জন্য মাওলানা সাদ অনুসারীরা তাকে ইজতেমায় আনা এবং প্রথম পর্বে ইজতেমা করার পাঁয়তারা করছে। তবে এসব বিষয় সামনে রেখে দেশের নতুন পরিস্থিতিতে দাওয়াত ও তাবলীগের মেহনত, কওমি মাদ্রাসাগুলোর হেফাজত ও দ্বীনি জিম্মাদারী আরও সুচারুরূপে রক্ষণাবেক্ষণের লক্ষ্যে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামা-মাশায়েখদের আহ্বানে আগামী ৫ নভেম্বর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে ইসলামী মহাসম্মেলন।
জানা গেছে, তাবলীগ জামায়াতের বিবদমান দু’পক্ষের কোন্দলের কারণে নির্দলীয় সংগঠন তাবলীগ জামায়াত এখন রীতিমতো দু’ভাগে বিভক্ত। নিজেদের মধ্যে মারামারি, দোষারোপ, বিক্ষোভ-মিছিল সমাবেশ এমনকি পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলনও করছে তারা। গত ১ ডিসেম্বর টঙ্গী ইজতেমা ময়দানে দু’পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর থেকে তাবলীগ জামায়াত এখন বাংলাদেশে অন্যতম আলোচনার বিষয়। ময়দানের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে ওই দিন দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত হন একজন মুসল্লি। আহত হন কয়েকশ’। দু’পক্ষের বিরোধিতার জেরে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হওয়া বিশ্ব ইজতেমাও।
তাবলীগের বিভক্ত দুই পক্ষের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাবলীগ জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে অংশিদারত্বের বিষয়ে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন তাবলীগের শীর্ষ মুরুব্বিরা। মূলত ২০১৫ সালের নভেম্বরে পাকিস্তানের লাহোরের রাইবেন্ডে ইজতেমা চলার সময় সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১৩ সদস্যের একটি ‘আলমি শুরা’ গঠনের প্রস্তাব আসে। কিন্তু সাদ সে প্রস্তাব মানেননি। তবে ইজতেমা শেষে রাইবেন্ড থেকে শুরা বোর্ড গঠনের একটি চিঠি বিভিন্ন দেশে তাবলীগের দায়িত্বশীলদের কাছে পাঠানো হয়। এরপর একপক্ষ সাদের সিদ্ধান্তের পক্ষে এবং আরেকপক্ষ আলমি শুরা গঠনের পক্ষে অবস্থান নেয়। বাংলাদেশে তাবলীগের কার্যক্রম পরিচালনা করতেন ১১ জন শুরা সদস্য। এর মধ্যে কাকরাইল মসজিদের খতিব মুহাম্মাদ জুবায়েরসহ পাঁচজন সাদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। আর সাদের পক্ষে অবস্থান নেন আরেক শুরা সদস্য সৈয়দ ওয়াসিফ ইসলামের নেতৃত্বে বাকি ছয়জন। সাদ বিরোধীদের মুরুব্বি ও ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্ক মসজিদের ইমাম মাওলানা আমানুল হক জানান, মাওলানা এনামুল হাসান তার মৃত্যুর আগে তাবলীগ পরিচালনার জন্য দশজনের একটি জামায়াত গঠন করেছিলেন। এরা বিশ্বব্যাপী তাবলীগের কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। ভারতে তাবলীগের কার্যক্রম পরিচালনায় সাদসহ তিনজনের জামায়াতটি এ দশজনই নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু একে একে সবার মৃত্যুর পর সাদকে যখন বলা হলো আবারও জামায়াত গঠন করতে। সাদ তখন তা না করেই নিজেকে একক আমির হিসেবে ঘোষণা করলেন। আমানুল হক বলেন, বিভিন্ন সময়ে সাদের দেয়া বক্তব্য নিয়ে আগেই বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। অন্তত ৮৫টি বিতর্কিত বক্তব্যের কারণে তিনি তাবলীগের মধ্যেই সমালোচিত হয়ে আসছিলেন। সবশেষ আলমি শুরা গঠনের প্রস্তাব প্রত্যখ্যান করার পর বিভক্তি প্রকাশ্য রূপ নেয়। তবে এ বক্তব্য সত্য নয় বলে দাবি করেছেন সাদপন্থী মুরুব্বি আশরাফ আলী। তিনি বলেন, ১৯৯৩ সালে দশজনের ওই জামায়াত গঠন করা হয়েছিল তাবলীগের নেতৃত্ব নির্ধারণের জন্য। তারা তিনজনকে নির্ধারণ করে সে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। বাকি দু’জন মারা যাওয়ায় সাদ একাই আমিরের দায়িত্ব রয়ে যান। ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর টঙ্গী ইজতেমা ময়দানে দু’পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষও হয়। সংঘর্ষে দু’জন নিহত ও শতাধিক আহত হন। এরপর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দু’ভাগ হয়ে পড়ে তাবলীগ জামায়াত। ২০১৯ সাল থেকে আলাদাভাবে বিশ্ব ইজতেমা ও তাবলীগের কার্যক্রম পরিচালনা করেন তারা।
তাবলীগ জামায়াতের বিশ্ব ইজতেমার এবারের প্রথম পর্বটি সা’দপন্থি অংশটি আয়োজনের পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ করেছেন দেশের একাধিক শীর্ষ আলেম। রোববার রাজধানীর দিলুরোডে ‘দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামা-মাশায়েখদের আহ্বানে অনুষ্ঠেয় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ইসলামী মহাসম্মেলন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে’ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা মাদ্রাসার শাইখুল হাদিস উবায়দুল্লাহ ফারুক, কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড-বেফাকের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক। সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তারা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমরা দেখেছি, দেশের মসজিদ-মাদ্রাসার যেকোনও সভা-সেমিনার এমনকি খতমে বুখারি অনুষ্ঠান করার জন্যও প্রশাসনের অনুমতি নেয়া লাগতো। এছাড়া তারা মসজিদ ও কওমি মাদ্র্রাসাগুলোতে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতো বিভিন্নভাবে। দুঃখের বিষয় হলো হাসিনা সরকারের পতনের পরও ওইসব পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে। কিছু রাজনৈতিক দল ও প্রভাবশালী আওয়ামী লীগের মতো কওমি মাদ্রাসা-মসজিদে প্রভাব বিস্তার করতে চাচ্ছে। দখলের পাঁয়তারা করছে। দেশের ওলামায়ে কেরাম এসব কিছুতেই মেনে নিতে পারে না। তারা বলেন, দাওয়াত ও তাবলীগের শান্তিপূর্ণ কাজে বিশৃঙ্খলা তৈরির জন্য মাওলানা সাদ অনুসারীরা তাকে ইজতেমায় আনা এবং প্রথম পর্বে ইজতেমা করার পাঁয়তারা করছে। তবে এসব বিষয় সামনে রেখে দেশের নতুন পরিস্থিতিতে দাওয়াত ও তাবলীগের মেহনত, কওমি মাদ্রাসাগুলোর হেফাজত ও দ্বীনি জিম্মাদারী আরও সুচারুরূপে রক্ষণাবেক্ষণের লক্ষ্যে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামা-মাশায়েখদের আহ্বানে আগামী ৫ নভেম্বর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে ইসলামী মহাসম্মেলন।