
জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (পুরোনো) মূল ফটকের সামনে শনিবার মধ্যরাতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা মোমবাতি প্রজ্বালনের মাধ্যমে জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ করেছেন। এছাড়াও গতকাল রোববার ভোরে বনানীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে ফিরে আসে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা।
এরআগে জেল হত্যা দিবসে মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (পুরাতন) মূল ফটকের সামনে মধ্যরাতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ করেন। তবে ভোরে বনানীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে ফিরে আসেন তারা। মোমবাতি প্রজ্বলনে অংশ নেয়া আওয়ামী লীগের উপকমিটির সদস্য ও ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আনোয়ার হোছাইন বলেন, মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (পুরাতন) মূল ফটকের সামনে মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ করি। তিনি বলেন, রোববার ভোরবেলায় বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে গেলে পুলিশ ও অবৈধ ইউনুস সরকারের লাঠিয়াল বাহিনীদের বাঁধায় কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপনে ব্যর্থ হই। পুলিশ দুটো গেইট বন্ধ করে পাহারা দিচ্ছে, সঙ্গে অবৈধ ইউনুস সরকারের পেটোয়া বাহিনী। দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও আওয়ামী লীগের কেউ জাতীয় নেতাদের কবরস্থানে প্রবেশ করতে পারেনি। তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি বর্তমান সরকার গঠিত হওয়ার পর থেকেই একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার বা নেতিবাচকভাবে জাতির সামনে হাজির করছে এবং তারই ধারাবাহিকতায় মহান মুক্তিযুদ্ধের অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অস্বীকার করার সাথে সাথে বঙ্গবন্ধুর অন্যতম সহচর, বঙ্গবন্ধু যাদেরকে সাথে নিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সেই জাতীয় চার নেতার শাহাদাত বার্ষিকী পালনে বাঁধা দেয়ার মাধ্যমে বর্তমান সরকার উনাদেরকেও অস্বীকার করছে। তবে আমরা বর্তমান অসাংবিধানিক সরকারকে হুঁশিয়ার করে বলতে চাই মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ যতোদিন টিকে থাকবে ততোদিন বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চার নেতাসহ স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দেয়া সকল জাতীয় বীরদেরকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। দরকার মনে করলে যোগ করে নিতে পারেন। এসময় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক এনামুল হক প্রিন্স, সাবেক উপ-মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক কপিল হালদার সজল, সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল আমিন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি এম.এম. নাজমুল হাসান, সাবেক সহ-সভাপতি হাসান আহম্মেদ খান, যুবনেতা জহির তালুকদার প্রমুখ।
এরআগে জেল হত্যা দিবসে মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (পুরাতন) মূল ফটকের সামনে মধ্যরাতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ করেন। তবে ভোরে বনানীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে ফিরে আসেন তারা। মোমবাতি প্রজ্বলনে অংশ নেয়া আওয়ামী লীগের উপকমিটির সদস্য ও ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আনোয়ার হোছাইন বলেন, মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (পুরাতন) মূল ফটকের সামনে মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ করি। তিনি বলেন, রোববার ভোরবেলায় বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে গেলে পুলিশ ও অবৈধ ইউনুস সরকারের লাঠিয়াল বাহিনীদের বাঁধায় কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপনে ব্যর্থ হই। পুলিশ দুটো গেইট বন্ধ করে পাহারা দিচ্ছে, সঙ্গে অবৈধ ইউনুস সরকারের পেটোয়া বাহিনী। দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও আওয়ামী লীগের কেউ জাতীয় নেতাদের কবরস্থানে প্রবেশ করতে পারেনি। তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি বর্তমান সরকার গঠিত হওয়ার পর থেকেই একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার বা নেতিবাচকভাবে জাতির সামনে হাজির করছে এবং তারই ধারাবাহিকতায় মহান মুক্তিযুদ্ধের অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অস্বীকার করার সাথে সাথে বঙ্গবন্ধুর অন্যতম সহচর, বঙ্গবন্ধু যাদেরকে সাথে নিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সেই জাতীয় চার নেতার শাহাদাত বার্ষিকী পালনে বাঁধা দেয়ার মাধ্যমে বর্তমান সরকার উনাদেরকেও অস্বীকার করছে। তবে আমরা বর্তমান অসাংবিধানিক সরকারকে হুঁশিয়ার করে বলতে চাই মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ যতোদিন টিকে থাকবে ততোদিন বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চার নেতাসহ স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দেয়া সকল জাতীয় বীরদেরকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। দরকার মনে করলে যোগ করে নিতে পারেন। এসময় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক এনামুল হক প্রিন্স, সাবেক উপ-মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক কপিল হালদার সজল, সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল আমিন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি এম.এম. নাজমুল হাসান, সাবেক সহ-সভাপতি হাসান আহম্মেদ খান, যুবনেতা জহির তালুকদার প্রমুখ।