
ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গাইনী বিভাগের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি এ হাসপাতালে সিজার (অপারেশন) সিন্ডিকেট গড়ে তোলে বছরের পর বছর হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। কনসালটেন্ট (গাইনি) ডা. রাশেদা আফরোজ পারভীনের ও এ্যানেসথেসিয়া ডা. ইমরানে সহযোগিতায় চলছে সিজার বাণিজ্য। টাকা নেয়া, সরকারি নির্দিষ্ট সময়ের বাহিরে সিজার করা, বিভিন্ন কিèনিকে রোগী নিয়ে সিজার করাসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ করেছেন, একাধিক গর্ভবতীরা প্রসূতি মায়েরা। বিগত আওয়ামী সরকারের সময় ডা. রাশেদা ও ডা. ইমরান সিজার সিন্ডিকেট বানিয়ে নানা অপকৌশলে সিজান বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন বলে, গর্ভবতী প্রসূতি মায়েরা ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার বদলী হলেও কনসালটেন্ট (গাইনী বিভাগ) ডা. রাশেদা আফরোজ পারভীন প্রায় ৮ বছর ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছেন। অপরদিকে এ্যানেসথেসিয়া ডা. ইমরান প্রায় ১০ বছর যাবত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছেন। ডা. ইমরান ঢাকা মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নকালে মেডিকেল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি।
জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি) ডা. রাশেদা আফরোজ পারভীন ও তার আগে এ্যানেসথেসিয়া ডা. ইমরান যোগদান করেন। ডা. ইমরান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ছাত্র থাকাকালীন হাসপাতাল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাইনী শাখার ইনচার্জ ডা. রাশেদা আফরোজ ও এ্যনেসথেসিয়া ডা. ইমরান সিজার সিন্ডিকেট বাণিজ্যে পরিণত হয় গাইনী বিভাগ। ঢাকা-২ (কেরানীগঞ্জ, কামরাঙ্গীচর, সাভার ) আসনের সাবেক এমপি ও খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ছেলে তানভীর আহমেদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগদানের পর ডা. রাশেদা আফরোজ ও এ্যানসথেসিয়া ডা. ইমনানের দাপট আরো বেড়ে যায়। গাইনী শাখা দু”জনের হাতে বেপরোয়াভাবে জিম্মি হয়ে পড়ে।
গাইনী শাখা খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, সকাল ৮ বেলা ২টার মধ্যে হাসপাতালে সরকারী খরচে সিজার করার নিয়ম রয়েছে। সরকারী নিয়মনীতির তোয়াক্কা না, সেই সময়ের পর টাকা নিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভিতরে গর্ভবতীদের সিজার করে আসছেন। শুধু তাই নয়, সিজার সিন্ডিকেট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজার করতে আসা গর্ভবতী মায়েরদের নানা রকম অসুবিধা অপকৌশল দেখিয়ে কেরানীগঞ্জের আটিবাজ, ঢাকাসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে নিয়ে মোটা অংকের সিজার বাণিজ্য করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। গত সোমবার রাজাবাড়ি এলাকার গর্ভবতী প্রসূতি স্মৃতি আক্তার জানান, তাকে গত ২৪ সেপ্টেম্বর বেলা ১০টা টায় আসতে বললে আমি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (হাসপাতালে) আসি। রাত ৮টায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডা. সানজিদা পারভীন তাকে সিজার করেন। সিজার করানোর আগে সাড়ে ৩ হাজার টাকা গাইনি শাখায় জমা দেই। ৫-৬ হাজার টাকার যাবতীয় ঔষধ আমারা বাহির থেকে ক্রয় করি। সরকারি হাসপাতাল থেকে কোন ঔষধ দেয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। অপারেশন স্থলে ইনফেকশন দেখা দিলে অন্যত্র চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানান তিনি। এর আগে গত ৮ আগষ্ট নাদিয়া নামে এক গর্ভবর্তীকে ঢাকা মোহাম্মদপুর আলমানা হাসপাতালে নিয়ে মোটা অংকের টাকায় সিজার করেন ডা. রাশেদা আফরোজ পারভীন। সিজার করতে নাদিয়ার ৬৫ হাজার টাকা খরচ করতে হয়েছে। গর্ভবর্তীরা সিজারের জন্য কেরানীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে সিজার না করে, কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও রোগীদের কে কেরানীগঞ্জে আটিবাজার বিভিন্ন ক্লিনিকে পাঠানো হয় এবং ক্লিনিকে রোগীও দেখেন গাইনী ডা. রাশেদা। এ রকম অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। এর প্রমাণও রয়েছে।
এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাইনী শাখার ইনচার্জ কনসালটেন্ট ডা. রাশেদা আফরোজ পারভীন বলেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা। সাড়ে তিনি বছর যাবত এ কমপ্লেক্সে কর্মরত রয়েছি। আমার বিরুদ্ধে একটি চক্র মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার বদলী হলেও কনসালটেন্ট (গাইনী বিভাগ) ডা. রাশেদা আফরোজ পারভীন প্রায় ৮ বছর ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছেন। অপরদিকে এ্যানেসথেসিয়া ডা. ইমরান প্রায় ১০ বছর যাবত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছেন। ডা. ইমরান ঢাকা মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নকালে মেডিকেল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি।
জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি) ডা. রাশেদা আফরোজ পারভীন ও তার আগে এ্যানেসথেসিয়া ডা. ইমরান যোগদান করেন। ডা. ইমরান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ছাত্র থাকাকালীন হাসপাতাল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাইনী শাখার ইনচার্জ ডা. রাশেদা আফরোজ ও এ্যনেসথেসিয়া ডা. ইমরান সিজার সিন্ডিকেট বাণিজ্যে পরিণত হয় গাইনী বিভাগ। ঢাকা-২ (কেরানীগঞ্জ, কামরাঙ্গীচর, সাভার ) আসনের সাবেক এমপি ও খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ছেলে তানভীর আহমেদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগদানের পর ডা. রাশেদা আফরোজ ও এ্যানসথেসিয়া ডা. ইমনানের দাপট আরো বেড়ে যায়। গাইনী শাখা দু”জনের হাতে বেপরোয়াভাবে জিম্মি হয়ে পড়ে।
গাইনী শাখা খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, সকাল ৮ বেলা ২টার মধ্যে হাসপাতালে সরকারী খরচে সিজার করার নিয়ম রয়েছে। সরকারী নিয়মনীতির তোয়াক্কা না, সেই সময়ের পর টাকা নিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভিতরে গর্ভবতীদের সিজার করে আসছেন। শুধু তাই নয়, সিজার সিন্ডিকেট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজার করতে আসা গর্ভবতী মায়েরদের নানা রকম অসুবিধা অপকৌশল দেখিয়ে কেরানীগঞ্জের আটিবাজ, ঢাকাসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে নিয়ে মোটা অংকের সিজার বাণিজ্য করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। গত সোমবার রাজাবাড়ি এলাকার গর্ভবতী প্রসূতি স্মৃতি আক্তার জানান, তাকে গত ২৪ সেপ্টেম্বর বেলা ১০টা টায় আসতে বললে আমি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (হাসপাতালে) আসি। রাত ৮টায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডা. সানজিদা পারভীন তাকে সিজার করেন। সিজার করানোর আগে সাড়ে ৩ হাজার টাকা গাইনি শাখায় জমা দেই। ৫-৬ হাজার টাকার যাবতীয় ঔষধ আমারা বাহির থেকে ক্রয় করি। সরকারি হাসপাতাল থেকে কোন ঔষধ দেয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। অপারেশন স্থলে ইনফেকশন দেখা দিলে অন্যত্র চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানান তিনি। এর আগে গত ৮ আগষ্ট নাদিয়া নামে এক গর্ভবর্তীকে ঢাকা মোহাম্মদপুর আলমানা হাসপাতালে নিয়ে মোটা অংকের টাকায় সিজার করেন ডা. রাশেদা আফরোজ পারভীন। সিজার করতে নাদিয়ার ৬৫ হাজার টাকা খরচ করতে হয়েছে। গর্ভবর্তীরা সিজারের জন্য কেরানীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে সিজার না করে, কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও রোগীদের কে কেরানীগঞ্জে আটিবাজার বিভিন্ন ক্লিনিকে পাঠানো হয় এবং ক্লিনিকে রোগীও দেখেন গাইনী ডা. রাশেদা। এ রকম অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। এর প্রমাণও রয়েছে।
এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাইনী শাখার ইনচার্জ কনসালটেন্ট ডা. রাশেদা আফরোজ পারভীন বলেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা। সাড়ে তিনি বছর যাবত এ কমপ্লেক্সে কর্মরত রয়েছি। আমার বিরুদ্ধে একটি চক্র মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।