
জবি থেকে আইনুল ইসলাম
ব্রিটিশ বিরোধী প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহাসিক স্থাপনা শহীদ বেদী বাহাদুর শাহ্ পার্কের অভ্যন্তরে ফুডভ্যান ক্যান্টিন ইজারা বাতিলের দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে তিনি কথা বলেন। গতকাল সোমবার পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্লো শহীদ বেদিতে ৪টা ৩০ মিনিটে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান আয়োজন করেন ঐতিহাসিক বাহাদুর শাহ্ পার্ক ও পার্কের ঐতিহ্য সংরক্ষণ সংগ্রাম পরিষদ।
এ সময় তিনি আরোও বলেন, ঢাকার মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ জায়গা এই পার্ক। শুধু আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয় সারা ভারতবর্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই পার্ক। কারণ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের প্রধান প্রতীক এই পার্ক। যেখানে সিপাহীদের ফাঁসি দেয়া হয়েছে। বর্তমানের জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি ভবিষ্যতের জন্য ও গুরুত্বপূর্ণ।
অতীতে সাবেক মেয়র তাপস তার ক্ষমতার কাজে এই জাগায় ইজারা দিয়েছে। সে যেদিকে নজর দিতো ভস্মীভূত হয়ে যেত। আর যে জায়গায় পাখি আসে তার মানে মানুষের জন্য ভালো। তাই সবার জন্য প্রশান্তি ও বিনোদন জায়গা হয়ে উঠেছে এই পার্ক। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা। তিনি বলেন, কথা ছিল এটা ইজারা দেয়া হবে না। কিন্তু আবার দেয়া হচ্ছে। পার্কটা অন্যরকম হতে পারতো আমরা তা দিচ্ছি না। শহরের এরকম সুখের জায়গার খুব কমই আছে। কিন্তু আমরা এগুলো বিলীন করে দিচ্ছি। এই পার্ক আমাদের গণঅভ্যুত্থানের সাথেও যুক্ত। এই পার্ক দেখে আমরা অনুপ্রাণিত হয়েছি। তাই পার্ক সংরক্ষণ করা সংস্কার আন্দোলনের অংশ।
ব্রিটিশ বিরোধী প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহাসিক স্থাপনা শহীদ বেদী বাহাদুর শাহ্ পার্কের অভ্যন্তরে ফুডভ্যান ক্যান্টিন ইজারা বাতিলের দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে তিনি কথা বলেন। গতকাল সোমবার পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্লো শহীদ বেদিতে ৪টা ৩০ মিনিটে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান আয়োজন করেন ঐতিহাসিক বাহাদুর শাহ্ পার্ক ও পার্কের ঐতিহ্য সংরক্ষণ সংগ্রাম পরিষদ।
এ সময় তিনি আরোও বলেন, ঢাকার মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ জায়গা এই পার্ক। শুধু আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয় সারা ভারতবর্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই পার্ক। কারণ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের প্রধান প্রতীক এই পার্ক। যেখানে সিপাহীদের ফাঁসি দেয়া হয়েছে। বর্তমানের জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি ভবিষ্যতের জন্য ও গুরুত্বপূর্ণ।
অতীতে সাবেক মেয়র তাপস তার ক্ষমতার কাজে এই জাগায় ইজারা দিয়েছে। সে যেদিকে নজর দিতো ভস্মীভূত হয়ে যেত। আর যে জায়গায় পাখি আসে তার মানে মানুষের জন্য ভালো। তাই সবার জন্য প্রশান্তি ও বিনোদন জায়গা হয়ে উঠেছে এই পার্ক। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা। তিনি বলেন, কথা ছিল এটা ইজারা দেয়া হবে না। কিন্তু আবার দেয়া হচ্ছে। পার্কটা অন্যরকম হতে পারতো আমরা তা দিচ্ছি না। শহরের এরকম সুখের জায়গার খুব কমই আছে। কিন্তু আমরা এগুলো বিলীন করে দিচ্ছি। এই পার্ক আমাদের গণঅভ্যুত্থানের সাথেও যুক্ত। এই পার্ক দেখে আমরা অনুপ্রাণিত হয়েছি। তাই পার্ক সংরক্ষণ করা সংস্কার আন্দোলনের অংশ।