
দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি সেনাবাহিনীকে আরও আধুনিক, দক্ষ ও যুগোপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ফোর্সেস গোল-২০৩০ বাস্তবায়নের মাধ্যমে আধুনিক, প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন বাহিনী হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীকে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। গতকাল রোববার সকালে ঢাকা সেনানিবাসে ‘প্রধানমন্ত্রীর দরবার’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। দরবার অনুষ্ঠানের আগে নবনির্মিত আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজি (এএফআইপি) ভবন এবং আর্মি সেন্ট্রাল অডিটরিয়াম-‘সেনাপ্রাঙ্গণ’র উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশের অন্যান্য সেক্টরের উন্নয়নের পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে গড়ে তুলেছে অত্যন্ত আধুনিক, দক্ষ ও সময়োপযোগী বাহিনী হিসেবে। তিনি বলেন, যে কোন দুঃসময়ে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী জনগণের পাশে আছে এবং একটা ভরসাস্থল হিসেবে আজ সে আস্থায় সশস্ত্র বাহিনী অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো দুঃসময়ে পাশে দাঁড়িয়ে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছে। শান্তিরক্ষী বাহিনীতে আমাদের সশস্ত্রবাহিনী যেভাবে কাজ করে, প্রতিটি দেশই তার ভূয়সী প্রশংসা করে। সেটা আরও উন্নত করাই আমাদের লক্ষ্য। তিনি বলেন, আমাদের সেনাবাহিনী আজ জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছে। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর সেনাবাহিনীর ওপর আস্থা-বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিল সাধারণ মানুষ। আমার প্রচেষ্টা ছিল সেনাবাহিনীর ওপর যেন সাধারণ মানুষের আস্থা-বিশ্বাস সৃষ্টি হয়। যা যেকোনো সেনাবাহিনীর জন্য একান্তভাবে জরুরি। তিনি বলেন, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা জরুরি। যে সেনাবাহিনীর ওপর জনগণের আস্থা-বিশ্বাস থাকে না, তারা কখনো কোনো রণাঙ্গনে বিজয় অর্জন করতে পারে না। তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ১৯৭৪ সালে যে প্রতিরক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন করেছিলেন তারই ভিত্তিতে ‘ফোর্সেস গোল ২০৩০’ প্রণয়ন করে তাঁর সরকার তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ফোর্সেস গোল বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা চাচ্ছি আমাদের সশস্ত্র বাহিনী আধুনিক ও জ্ঞানভিত্তিক হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই সাথে যেহেতু আমাদের ২০০৮-এর নির্বাচনের লক্ষ্য ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলা কাজেই আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন আমাদের সশস্ত্র বাহিনী গড়ে উঠবে সেটাই আমাদের লক্ষ্য। সেভাবেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অসামান্য অবদানের জন্য বিশ্বে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত। এখন তার সরকারের লক্ষ্য সশস্ত্র বাহিনীর ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করা।
প্রসঙ্গত, ঢাকা সেনানিবাস এলাকায় বসবাসকারীদের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজির জন্য একটি নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। আর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সভা, সেমিনার, অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে আর্মি সেন্ট্রাল অডিটরিয়াম- সেনাপ্রাঙ্গণ। ২০১৯ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্যাথলজি সেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ‘সশস্ত্র বাহিনী ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজির সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন’ শীর্ষক প্রকল্পটি অনুমোদন করে। প্রকল্পটি ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের নির্ধারিত সময়ের আগে বাস্তবায়িত হচ্ছে। ১৪তলা এএফআইপি ভবনটি আধুনিক পরীক্ষাগারে সজ্জিত, যেখানে আন্তর্জাতিক মানের পরিষেবা নিশ্চিত করার জন্য পরবর্তী প্রজন্মের অনুক্রম, স্বয়ংক্রিয় রোগ-জীবাণু শনাক্তকরণ ব্যবস্থা, ট্রান্সমিশন ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপ এবং মাল্টি-হেডেড মাইক্রোস্কোপ ইনস্টল করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী প্রথমে ফিতা কেটে এএফআইপি ভবনে প্রবেশ করেন এবং নতুন ভবনে স্থাপিত বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পরিদর্শন করেন। এসময় এএফআইপি কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল ডা. নিশাত জুবাইদা নতুন ভবনের মূল বৈশিষ্ট্য ও সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ এবং নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো দুঃসময়ে পাশে দাঁড়িয়ে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছে। শান্তিরক্ষী বাহিনীতে আমাদের সশস্ত্রবাহিনী যেভাবে কাজ করে, প্রতিটি দেশই তার ভূয়সী প্রশংসা করে। সেটা আরও উন্নত করাই আমাদের লক্ষ্য। তিনি বলেন, আমাদের সেনাবাহিনী আজ জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছে। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর সেনাবাহিনীর ওপর আস্থা-বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিল সাধারণ মানুষ। আমার প্রচেষ্টা ছিল সেনাবাহিনীর ওপর যেন সাধারণ মানুষের আস্থা-বিশ্বাস সৃষ্টি হয়। যা যেকোনো সেনাবাহিনীর জন্য একান্তভাবে জরুরি। তিনি বলেন, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা জরুরি। যে সেনাবাহিনীর ওপর জনগণের আস্থা-বিশ্বাস থাকে না, তারা কখনো কোনো রণাঙ্গনে বিজয় অর্জন করতে পারে না। তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ১৯৭৪ সালে যে প্রতিরক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন করেছিলেন তারই ভিত্তিতে ‘ফোর্সেস গোল ২০৩০’ প্রণয়ন করে তাঁর সরকার তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ফোর্সেস গোল বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা চাচ্ছি আমাদের সশস্ত্র বাহিনী আধুনিক ও জ্ঞানভিত্তিক হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই সাথে যেহেতু আমাদের ২০০৮-এর নির্বাচনের লক্ষ্য ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলা কাজেই আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন আমাদের সশস্ত্র বাহিনী গড়ে উঠবে সেটাই আমাদের লক্ষ্য। সেভাবেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অসামান্য অবদানের জন্য বিশ্বে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত। এখন তার সরকারের লক্ষ্য সশস্ত্র বাহিনীর ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করা।
প্রসঙ্গত, ঢাকা সেনানিবাস এলাকায় বসবাসকারীদের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজির জন্য একটি নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। আর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সভা, সেমিনার, অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে আর্মি সেন্ট্রাল অডিটরিয়াম- সেনাপ্রাঙ্গণ। ২০১৯ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্যাথলজি সেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ‘সশস্ত্র বাহিনী ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজির সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন’ শীর্ষক প্রকল্পটি অনুমোদন করে। প্রকল্পটি ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের নির্ধারিত সময়ের আগে বাস্তবায়িত হচ্ছে। ১৪তলা এএফআইপি ভবনটি আধুনিক পরীক্ষাগারে সজ্জিত, যেখানে আন্তর্জাতিক মানের পরিষেবা নিশ্চিত করার জন্য পরবর্তী প্রজন্মের অনুক্রম, স্বয়ংক্রিয় রোগ-জীবাণু শনাক্তকরণ ব্যবস্থা, ট্রান্সমিশন ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপ এবং মাল্টি-হেডেড মাইক্রোস্কোপ ইনস্টল করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী প্রথমে ফিতা কেটে এএফআইপি ভবনে প্রবেশ করেন এবং নতুন ভবনে স্থাপিত বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পরিদর্শন করেন। এসময় এএফআইপি কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল ডা. নিশাত জুবাইদা নতুন ভবনের মূল বৈশিষ্ট্য ও সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ এবং নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান।