
বরিশালের মেঘনা নদীতে হিজলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে অভিযানে জেলেরা হামলা চালিয়েছে। এতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ অন্তত পাঁচ জন আহত হয়েছেন। গত শুক্রবার বিকেলে পরিচালিত অভিযানে হামলা করা হয় বলে হিজলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানিয়েছেন। তিনি জানান, র্যাব-কোস্টগার্ড, আনসারসহ উপজেলার মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়ে মা ইলিশ রক্ষায় মেঘনা নদীতে অভিযান করা হয়। এ সময় নদীতে জাল ফেলে অবস্থান করা একটি নৌকাসহ জেলেদের আটক করা হয়। তখন জেলেদের ডাকে আরো তিনটি নৌকায় করে লোক এসে তাদের ওপর হামলা করেন বলে জানান জাহাঙ্গীর হোসেন। জেলেরা তাদের নৌযানে ইট, লাঠির মাথায় কাপড় পেঁচিয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে নিক্ষেপ শুরু করেন। এতে তিনিসহ (ইউএনও) একজন আনসার সদস্য, চার জন কর্মচারী আহত হন। তিনি বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে র্যাব সদস্যরা ১১ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করেন। তখন হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে ঘটনাস্থল থেকে ১১ জেলেকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সাত জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে। বাকি চারজন অপ্রাপ্ত বয়সী হওয়ায় তাদের কাছ থেকে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।
নিষেধাজ্ঞার ছয়দিনে সাড়ে ৫ হাজার কেজি ইলিশ জব্দ: এদিকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরার অপরাধে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন নদ-নদীতে অভিযান চালিয়ে গত ছয়দিনে ৯৪ জেলেকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১০ লাখ ৬২ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। বিভাগীয় মৎস্য অফিস থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ থেকে ১৮ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে ৭১১টি অভিযান চালানো হয়েছে এবং ২৩০টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার পাশাপাশি ২৫৯টি মামলা করা হয়েছে। এ সময়ে বরিশাল বিভাগে ১৪১ বার বিভিন্ন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, ১ হাজার ৭০ বার বিভিন্ন মাছঘাট, এক হাজার ৯৯১ বার বিভিন্ন আড়ত ও এক হাজার ১৪৯ বার বিভিন্ন বাজার পরিদর্শন করেছেন মৎস্য অধিদপ্তরে জেলা ও উপজেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। আর গত দুই দিনের অভিযানে পাঁচ হাজার ৬৪৯ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি চার কোটি ৬৮ লাখ ৬০ হাজার ১০০ টাকা মূল্যের ২৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭ শত মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া নৌকাসহ জব্দ হওয়া সরঞ্জাম নিলাম করে এক লাখ দুই হাজার ৬০০ টাকা বিক্রি করা হয়েছে। মৎস্য বিভাগের উপপরিচালক নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস জানান, গত ১৩ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে ২২ দিনের জন্য উপকূলের সাত হাজার বর্গ কিলোমিটারের মূল প্রজননস্থলসহ সারা দেশে ইলিশ আহরণ,পরিবহন ও বিপণন নিষিদ্ধ থাকছে। প্রসঙ্গত, বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার তিন হাজার ১৯ হাজার ৮৩০ জন জেলেকে সাত হাজার ৯৯৬ মেট্রিকটন চাল বিতরণ করা হবে।
নিষেধাজ্ঞার ছয়দিনে সাড়ে ৫ হাজার কেজি ইলিশ জব্দ: এদিকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরার অপরাধে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন নদ-নদীতে অভিযান চালিয়ে গত ছয়দিনে ৯৪ জেলেকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১০ লাখ ৬২ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। বিভাগীয় মৎস্য অফিস থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ থেকে ১৮ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে ৭১১টি অভিযান চালানো হয়েছে এবং ২৩০টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার পাশাপাশি ২৫৯টি মামলা করা হয়েছে। এ সময়ে বরিশাল বিভাগে ১৪১ বার বিভিন্ন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, ১ হাজার ৭০ বার বিভিন্ন মাছঘাট, এক হাজার ৯৯১ বার বিভিন্ন আড়ত ও এক হাজার ১৪৯ বার বিভিন্ন বাজার পরিদর্শন করেছেন মৎস্য অধিদপ্তরে জেলা ও উপজেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। আর গত দুই দিনের অভিযানে পাঁচ হাজার ৬৪৯ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি চার কোটি ৬৮ লাখ ৬০ হাজার ১০০ টাকা মূল্যের ২৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭ শত মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া নৌকাসহ জব্দ হওয়া সরঞ্জাম নিলাম করে এক লাখ দুই হাজার ৬০০ টাকা বিক্রি করা হয়েছে। মৎস্য বিভাগের উপপরিচালক নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস জানান, গত ১৩ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে ২২ দিনের জন্য উপকূলের সাত হাজার বর্গ কিলোমিটারের মূল প্রজননস্থলসহ সারা দেশে ইলিশ আহরণ,পরিবহন ও বিপণন নিষিদ্ধ থাকছে। প্রসঙ্গত, বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার তিন হাজার ১৯ হাজার ৮৩০ জন জেলেকে সাত হাজার ৯৯৬ মেট্রিকটন চাল বিতরণ করা হবে।