
আবু জাফর
জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষে ট্রেড ইউনিয়ন কমিটির সদস্যদের ঢাকার বাইরে বদলি করার সুযোগে বিরোধী সিন্ডিকেট জোট কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের ভুল বুঝিয়ে এক তরফা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছে। তাই চলমান নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত করে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন, পুনঃতফসিল ঘোষণা ও ভোটার তালিকা হালনাগাদ করে পুনঃনির্বাচনের জোড় দাবি জানিয়ে এই মুহূর্তে ট্রেড ইউনিয়ন নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না মর্মে আশঙ্কা প্রকাশ করে গত ২ মে শ্রম অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে অভিযোগ করেছে সাধারণ কর্মচারীরা। জানা যায়, সিন্ডিকেটের লোকজন ঢাকার বাইরে বদলী করার ভয়-ভীতি দেখিয়ে নির্বাচনেও অংশগ্রহণ করতে দিচ্ছে না। এমনকি ফরম কেনার পরও অনেকেই তা জমা দিতে পারবে কিনা তাতে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। কারণ গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষে বিরোধী জোট শক্তিশালী এবং একটি নির্দিষ্ট এলাকার বাসিন্দা হিসেবে আধিপত্য বিস্তারের জন্য যা যা করা দরকার তার সবগুলোই প্রয়োগ করেছে। এতে করে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের প্রায় ২৫০/৩০০ জন কর্মচারীর মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। বিগত ২০১৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর গৃহায়ণের জাতীয় শ্রমিকলীগ (সিবিএ)-এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে নিয়মানুযায়ী একটি কমিটি গঠন হয়েছিল তা এখনও বিলুপ্ত হয়নি বা বাতিলও হয়নি। তাই ওই কমিটি এখনও বহাল থাকার কথা। কিন্তু ওই কমিটির সদস্যদের ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থানে বদলি করা হয়েছে। এমনকি স্ব স্ব নামে ফরম কেনার পরও ফরম অনেকেই জমা দিতে পারবে কিনা তাতে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। কারণ গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষে বিরোধী জোট শক্তিশালী এবং একটি নির্দিষ্ট এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় তারা আধিপত্য বিস্তারের জন্য যা যা করা দরকার তারা তাই তাই প্রয়োগ করেছে। তাই সাধারণ কর্মচারীরা এই মুহূর্তে ট্রেড ইউনিয়ন নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না মর্মে নির্বাচনে অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অধিকাংশ ভোটার বর্তমানে যারা ভোটের আয়োজন করেছেন তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে নারাজ এবং তাদের ভয়ে কেউ কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। ২০২৪ সালের মার্চে ৪৩ জনকে (স্থায়ী) হিসাব সহকারী পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তাদেরকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি বা ভোটার তালিকাও নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত করেনি। সুবিধাভোগী সিন্ডিকেট যেভাবে ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে দিয়েছেন সেভাবে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। কারণ ওই বিরোধীয় জোট সিন্ডিকেট সিবিএ-এর নেতাদের ঢাকার মাঠে না থাকার সুযোগ/আধিপত্য বিস্তারের জন্য উঠে-পড়ে লেগেছে। সিন্ডিকেটের মনগড়া নির্বাচন কমিশন গঠন, ভোটার তালিকা দ্রুত করার চিন্তা করা হচ্ছে। সুতরাং চলমান নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত করে পুনঃনির্বাচনের জন্য সাধারণ কর্মচারীরা জোর দাবি জানিয়েছেন।
জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষে ট্রেড ইউনিয়ন কমিটির সদস্যদের ঢাকার বাইরে বদলি করার সুযোগে বিরোধী সিন্ডিকেট জোট কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের ভুল বুঝিয়ে এক তরফা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছে। তাই চলমান নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত করে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন, পুনঃতফসিল ঘোষণা ও ভোটার তালিকা হালনাগাদ করে পুনঃনির্বাচনের জোড় দাবি জানিয়ে এই মুহূর্তে ট্রেড ইউনিয়ন নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না মর্মে আশঙ্কা প্রকাশ করে গত ২ মে শ্রম অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে অভিযোগ করেছে সাধারণ কর্মচারীরা। জানা যায়, সিন্ডিকেটের লোকজন ঢাকার বাইরে বদলী করার ভয়-ভীতি দেখিয়ে নির্বাচনেও অংশগ্রহণ করতে দিচ্ছে না। এমনকি ফরম কেনার পরও অনেকেই তা জমা দিতে পারবে কিনা তাতে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। কারণ গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষে বিরোধী জোট শক্তিশালী এবং একটি নির্দিষ্ট এলাকার বাসিন্দা হিসেবে আধিপত্য বিস্তারের জন্য যা যা করা দরকার তার সবগুলোই প্রয়োগ করেছে। এতে করে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের প্রায় ২৫০/৩০০ জন কর্মচারীর মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। বিগত ২০১৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর গৃহায়ণের জাতীয় শ্রমিকলীগ (সিবিএ)-এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে নিয়মানুযায়ী একটি কমিটি গঠন হয়েছিল তা এখনও বিলুপ্ত হয়নি বা বাতিলও হয়নি। তাই ওই কমিটি এখনও বহাল থাকার কথা। কিন্তু ওই কমিটির সদস্যদের ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থানে বদলি করা হয়েছে। এমনকি স্ব স্ব নামে ফরম কেনার পরও ফরম অনেকেই জমা দিতে পারবে কিনা তাতে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। কারণ গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষে বিরোধী জোট শক্তিশালী এবং একটি নির্দিষ্ট এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় তারা আধিপত্য বিস্তারের জন্য যা যা করা দরকার তারা তাই তাই প্রয়োগ করেছে। তাই সাধারণ কর্মচারীরা এই মুহূর্তে ট্রেড ইউনিয়ন নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না মর্মে নির্বাচনে অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অধিকাংশ ভোটার বর্তমানে যারা ভোটের আয়োজন করেছেন তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে নারাজ এবং তাদের ভয়ে কেউ কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। ২০২৪ সালের মার্চে ৪৩ জনকে (স্থায়ী) হিসাব সহকারী পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তাদেরকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি বা ভোটার তালিকাও নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত করেনি। সুবিধাভোগী সিন্ডিকেট যেভাবে ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে দিয়েছেন সেভাবে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। কারণ ওই বিরোধীয় জোট সিন্ডিকেট সিবিএ-এর নেতাদের ঢাকার মাঠে না থাকার সুযোগ/আধিপত্য বিস্তারের জন্য উঠে-পড়ে লেগেছে। সিন্ডিকেটের মনগড়া নির্বাচন কমিশন গঠন, ভোটার তালিকা দ্রুত করার চিন্তা করা হচ্ছে। সুতরাং চলমান নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত করে পুনঃনির্বাচনের জন্য সাধারণ কর্মচারীরা জোর দাবি জানিয়েছেন।