বাংলাদেশে গত একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরো ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে; এ বছর মশাবাহিত এ রোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৩৭ জন।
বাংলাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক বছরে মৃত্যুর এই সংখ্যা তৃতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২৩ সালে ১৭০৫ জন এবং ২০২২ সালে ২৮১ জনের প্রাণ নিয়েছিল ডেঙ্গু।
গত একদিনে আরো ৪১১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের নিয়ে এ বছর হাসপাতালে ভর্তির রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭ হাজার ৪৬১ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গতকাল শুক্রবার যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২ জন ও চট্টগ্রাম বিভাগের হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়েছে।
নতুন রোগীদের মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ২১০ জন, ঢাকা বিভাগে ৪৯ জন, ময়মনসিংহে ২৮ জন, চট্টগ্রামে ৪৭ জন, খুলনায় ৪৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ১২ জন, বরিশাল বিভাগে ১৮ জন এবং সিলেট বিভাগে ৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৪১৫ জন রোগী। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৩৮০৯ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি ১৮১২ জন; আর ১৯৯৭ জন ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি।
এ বছর মোট ভর্তি রোগীদের মধ্যে ২৭ হাজার ১৯৬ জন ঢাকার বাইরের রোগী। ঢাকার দুই মহানগর এলাকার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২০ হাজার ২৬৫ জন।
গত সেপ্টেম্বর মাসে ১৮ হাজার ৯৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন, মৃত্যু হয় ৮০ জনের। আক্রান্ত ও মৃত্যুর দুটি সংখ্যাই এ বছরের সর্বোচ্চ।
আর অক্টোবরের প্রথম ১৮ দিনেই ১৬ হাজার ৫২৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, মৃত্যু হয়েছে ৭৪ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর তথ্য রাখে ২০০০ সাল থেকে। এর মধ্যে ২০২৩ সালে এ রোগ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি ১৭০৫ জনের মৃত্যুও হয় ওই বছর।
বাংলাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক বছরে মৃত্যুর এই সংখ্যা তৃতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২৩ সালে ১৭০৫ জন এবং ২০২২ সালে ২৮১ জনের প্রাণ নিয়েছিল ডেঙ্গু।
গত একদিনে আরো ৪১১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের নিয়ে এ বছর হাসপাতালে ভর্তির রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭ হাজার ৪৬১ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গতকাল শুক্রবার যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২ জন ও চট্টগ্রাম বিভাগের হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়েছে।
নতুন রোগীদের মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ২১০ জন, ঢাকা বিভাগে ৪৯ জন, ময়মনসিংহে ২৮ জন, চট্টগ্রামে ৪৭ জন, খুলনায় ৪৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ১২ জন, বরিশাল বিভাগে ১৮ জন এবং সিলেট বিভাগে ৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৪১৫ জন রোগী। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৩৮০৯ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি ১৮১২ জন; আর ১৯৯৭ জন ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি।
এ বছর মোট ভর্তি রোগীদের মধ্যে ২৭ হাজার ১৯৬ জন ঢাকার বাইরের রোগী। ঢাকার দুই মহানগর এলাকার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২০ হাজার ২৬৫ জন।
গত সেপ্টেম্বর মাসে ১৮ হাজার ৯৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন, মৃত্যু হয় ৮০ জনের। আক্রান্ত ও মৃত্যুর দুটি সংখ্যাই এ বছরের সর্বোচ্চ।
আর অক্টোবরের প্রথম ১৮ দিনেই ১৬ হাজার ৫২৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, মৃত্যু হয়েছে ৭৪ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর তথ্য রাখে ২০০০ সাল থেকে। এর মধ্যে ২০২৩ সালে এ রোগ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি ১৭০৫ জনের মৃত্যুও হয় ওই বছর।