
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর-এলজিইডি’র চারটি লিফট চুরির ঘটনায় গত মঙ্গলবার দৈনিক জনতা’য় ‘এলজিইডি ভবনের চারটি লিফট চুরি করে বিক্রি’ শিরোনামে সংবাদের পরিপেক্ষিতে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিশ গঠন করা হয়েছে। এতে করে তদন্তে নতুন মোড় নিয়েছে বলে জানা গেছে। লিফট চুরির ঘটনার মূল হোতা আতাউর রহমানকে রক্ষা করতে এবার আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছেন প্রধান প্রকৌশলী। চারটি লিফটসহ অন্যান্য মালামাল চুরি করে বিক্রির ঘটনায় সরাসরি জড়িত মেকানিক্যাল শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী আতাউর রহমানকে নিরাপদে রাখতে প্রধান প্রকৌশলী আলি আকতার তৎপর হওয়ায় নানা প্রশ্ন উঠছে।
সূত্র জানায়, গত ২০ ও ২১ আগষ্টে লিফট চুরির ঘটনার সময় সিসিটিভি বন্ধ করে রাখা হয়। চুরি হওয়ায় চারটি লিফট ৩৮ লাখ টাকা বিক্রির পর নির্বাহী প্রকৌশলী আতাউর রহমান একাই ৩০ লাখ টাকা আত্মাসাতের ফলে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। বিষয়টি জানাজানি হলে এ নিয়ে দৈনিক জনতা’য় সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে প্রধান আলি আকতার হোসেনের নির্দেশে লিফটের কিছু জিনিসপত্র দুই অক্টোবরের পর সিসিটিভি বন্ধ করে এলজিইডি’র মূল ভবনের বেজমেন্টে রাখা হয়। সিসিটিভি বন্ধ করে এভাবে কিছু জিনিসপত্র রাখার উদ্দেশ্য হলো দৈনিক জনতা পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা প্রমানিত করে নির্বাহী প্রকৌশলী আতাউর রহমান ও আসাদকে রক্ষা করা। প্রধান প্রকৌশলীর নিদের্শে এলজিইডি’র একজন তথাকথিত মিডিয়া কনসাল্টেন্ট’কে দিয়ে প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে গত বৃহস্পতিবার প্রতিবাদ দেয়ারও চেষ্টা করেন নির্বাহী প্রকৌশলী আতাউর রহমান ও আসাদ চোর চক্র।
সূত্র আরও জানায়, লিফট চুরির ঘটনায় দৈনিক জনতায় সংবাদ প্রকাশের পর তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি এ বিষয়ে চোর চক্রের কাছ থেকে কোনো তথ্য উদঘাটন করতে পেরেছেন কিনা, তা জানা যায়নি। তবে সিসিটিভির পুরাতন পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে নতুন পাসওয়ার্ড ব্যবহার শুরু করেছেন বলে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, আতাউর রহমানকে নিরাপদে রাখতে প্রধান প্রকৌশলী আলি আকতার হোসেন সিসিটিভি বন্ধ করে কিছু যন্ত্রপাতি ফেরত এনে বেজমেন্টে রাখার নাটক সাজানো হয়েছে।
প্রধান প্রকৌশলীর প্রশ্রয়ে আতাউর রহমান মেকানিক্যাল শাখায় দানবে পরিণত হয়েছেন । ভবন রক্ষণাবেক্ষনের কয়েক কোটি টাকা নয়ছয় করে প্রধান প্রকৌশলীর রেফারেন্স কোটেশন এবং ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি অর্থ তসরুপ করে আসছেন বলেও সূত্র দাবি করছে।
সূত্র জানায়, গত ২০ ও ২১ আগষ্টে লিফট চুরির ঘটনার সময় সিসিটিভি বন্ধ করে রাখা হয়। চুরি হওয়ায় চারটি লিফট ৩৮ লাখ টাকা বিক্রির পর নির্বাহী প্রকৌশলী আতাউর রহমান একাই ৩০ লাখ টাকা আত্মাসাতের ফলে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। বিষয়টি জানাজানি হলে এ নিয়ে দৈনিক জনতা’য় সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে প্রধান আলি আকতার হোসেনের নির্দেশে লিফটের কিছু জিনিসপত্র দুই অক্টোবরের পর সিসিটিভি বন্ধ করে এলজিইডি’র মূল ভবনের বেজমেন্টে রাখা হয়। সিসিটিভি বন্ধ করে এভাবে কিছু জিনিসপত্র রাখার উদ্দেশ্য হলো দৈনিক জনতা পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা প্রমানিত করে নির্বাহী প্রকৌশলী আতাউর রহমান ও আসাদকে রক্ষা করা। প্রধান প্রকৌশলীর নিদের্শে এলজিইডি’র একজন তথাকথিত মিডিয়া কনসাল্টেন্ট’কে দিয়ে প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে গত বৃহস্পতিবার প্রতিবাদ দেয়ারও চেষ্টা করেন নির্বাহী প্রকৌশলী আতাউর রহমান ও আসাদ চোর চক্র।
সূত্র আরও জানায়, লিফট চুরির ঘটনায় দৈনিক জনতায় সংবাদ প্রকাশের পর তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি এ বিষয়ে চোর চক্রের কাছ থেকে কোনো তথ্য উদঘাটন করতে পেরেছেন কিনা, তা জানা যায়নি। তবে সিসিটিভির পুরাতন পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে নতুন পাসওয়ার্ড ব্যবহার শুরু করেছেন বলে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, আতাউর রহমানকে নিরাপদে রাখতে প্রধান প্রকৌশলী আলি আকতার হোসেন সিসিটিভি বন্ধ করে কিছু যন্ত্রপাতি ফেরত এনে বেজমেন্টে রাখার নাটক সাজানো হয়েছে।
প্রধান প্রকৌশলীর প্রশ্রয়ে আতাউর রহমান মেকানিক্যাল শাখায় দানবে পরিণত হয়েছেন । ভবন রক্ষণাবেক্ষনের কয়েক কোটি টাকা নয়ছয় করে প্রধান প্রকৌশলীর রেফারেন্স কোটেশন এবং ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি অর্থ তসরুপ করে আসছেন বলেও সূত্র দাবি করছে।