
বাংলাদেশ গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, আগামীতে আমরা মেধার ভিত্তিতে বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। পরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্র গঠনে আমাদের কাজ করতে হবে। মেধাবী শিশুর জন্ম হলেই আগামীতে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে উঠবে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে গাজীপুর জেলা ও মহানগর শ্রমিক অধিকার পরিষদের উদ্যোগে কোনাবাড়ী ডিগ্রি কলেজ মাঠে শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ভিপি নুর বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি শ্রমিক অধ্যুষিত গাজীপুর, আশুলিয়া ও সাভারসহ বিভিন্ন এলাকা অস্থির হয়ে উঠছে। আমরা পরিষ্কার করে বলি, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ে গণ অধিকার পরিষদ লড়াই করেছে। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত গণধিকার পরিষদের এই লড়াই অব্যাহত থাকবে। নূন্যতম মজুরি কিংবা জিনিসপত্রের দাম না কমা পর্যন্ত গণধিকার পরিষদ, শ্রমিক অধিকার পরিষদ লড়াই করে যাবে। তিনি আরও বলেন, আগামীতেও শ্রমিকদের যে কোনো ন্যায় সঙ্গত দাবি আদায়ে শ্রমিক অধিকার এবং গণ অধিকার পরিষদের আমরা অগ্রভাগে থাকবো। শ্রমিক ভাই বোনদেরকে আমরা এই কথাটুকু বলতে পারি। গণ অধিকার পরিষদের এ নেতা বলেন, ৪৫ থেকে ৫০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের জায়গা এই গার্মেন্টস সেক্টর। স্বৈরাচার ও তার দোসরা এই রপ্তানিমুখী খাতকে ধ্বংস করার জন্য ও বাংলাদেশের অর্থনীকে ধ্বংস করার পায়তারা করছে। গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তথ্য পেয়েছি, হাজার হাজার কোটি টাকা ইনভেস্ট করেছে। কাজেই শ্রমিক ভাই বোনদের প্রতি অনুরোধ থাকবে কারো উস্কানিতে পা না দিয়ে মিল কলকারখানায় কোনো বিশৃঙ্খলা করবেন না। কোনো ধরনের আন্দোলন করে শিল্প কলকারখানা বন্ধ করবেন না। আপনাদের যদি কোনো দাবি থাকে, আপনারা ঢাকা কেন্দ্রীয় গণ অধিকার পরিষদের কার্যালয়ে যোগাযোগ করবেন। দাবি আদায়ে রাজপথে থাকবো। আলোচনার মাধ্যমে সমাধানও করব। ভিপি নুর বলেন, আপনাদের ভুলে গেলে চলবে না দুই মাস হয়েছে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান করে একটি ফ্যাসিস্ট শাসনের পদত্যাগ ঘটিয়েছে। ফ্যাসিস্টরা বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চাচ্ছে। তাই তাদের চক্রান্ত সম্পর্কে সচেতন থেকে দেশকে স্থিতিশীল রাখতে হবে। দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল করার জন্য গার্মেন্টসসহ সব সেক্টরকে স্থিতিশীল রাখতে হবে। শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি আবদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন- গাজীপুর জেলার গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান খান, গাজীপুর জেলা গণ আধিকার পরিষদের আহ্বায়ক পাঠান আজহার প্রমুখ।