
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে স্টেট ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের উপর ফার্মেসি বিভাগের দফায় দফায় হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য ইতোমধ্যে কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউনিভার্সিটির মার্কেটিং ও জনসংযোগ বিভাগের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মো. ওমর ফারুক তারেক।
শনিবার রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন ব্রিজ এলাকায় ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। এতে আইন বিভাগের অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থী আহত হন। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষার্থীরা জানান, বাসের সিট দখলকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন ধরে ফার্মেসি ও আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। এর মধ্যেই শনিবার ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থীরা আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের উপর বার বার হামলা চালায়। আহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে আইসিইউতে থাকা দুই শিক্ষার্থী হলেন- মামুন ও রাফি। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগেও গত ৪ সেপ্টেম্বর সিট দখল নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
স্টেট ইউনিভার্সিটির মার্কেটিং ও জনসংযোগ বিভাগের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মো. ওমর ফারুক তারেক বলেন, আগে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তবে শনিবারের ঘটনার পর কমিটিতে আরও চারজনকে যুক্ত করা হয়েছে এবং দুইদিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ থাকবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. চৌধুরী মফিজুর রহমান বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা দোষী, তারা অবশ্যই শাস্তি পাবে। আপাতত ক্লাস বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতির ওপর নির্ভর করে ক্লাস পুনরায় শুরু করা হবে। আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার খরচ বহন করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
শনিবার রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন ব্রিজ এলাকায় ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। এতে আইন বিভাগের অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থী আহত হন। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষার্থীরা জানান, বাসের সিট দখলকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন ধরে ফার্মেসি ও আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। এর মধ্যেই শনিবার ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থীরা আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের উপর বার বার হামলা চালায়। আহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে আইসিইউতে থাকা দুই শিক্ষার্থী হলেন- মামুন ও রাফি। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগেও গত ৪ সেপ্টেম্বর সিট দখল নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
স্টেট ইউনিভার্সিটির মার্কেটিং ও জনসংযোগ বিভাগের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মো. ওমর ফারুক তারেক বলেন, আগে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তবে শনিবারের ঘটনার পর কমিটিতে আরও চারজনকে যুক্ত করা হয়েছে এবং দুইদিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ থাকবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. চৌধুরী মফিজুর রহমান বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা দোষী, তারা অবশ্যই শাস্তি পাবে। আপাতত ক্লাস বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতির ওপর নির্ভর করে ক্লাস পুনরায় শুরু করা হবে। আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার খরচ বহন করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।