
উত্তরপূর্ব ভারতের গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য আসাম। বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষা এই রাজ্যে লোকসভা আসন রয়েছে ১৪টি। এর মাঝে বিজেপি ৯, কংগ্রেস ৩ এবং বাকি দুটি আসন রয়েছে স্থানীয় রাজনৈতিক দলের। আসাম রাজ্য সরকারও বিজেপির। লোকসভা ভোটের আসামের বড় ইস্যু এনআরসি, নাগরিকত্ব আইন বা সি এ এ। ইস্যু রয়েছে সংখ্যালঘু উন্নয়নে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের উদাসীনতাও। রয়েছে পাহাড়ি আদিবাসী ও সমতলের বাঙালিদের মধ্যে মত-পথের বিভাজনও। উত্তরর্পূব ভারতের বৈচিত্রময় রাজ্য আসাম। এক তৃতীয় আাদিবাসী বাঙালির ছাড়াও রাজ্যটিতে বসবাস করেন অন্য ভাষাভাষির মানুষও। বাস করেন দেশভাগের সময় পূর্বপাকিস্তান থেকে আসা লক্ষ লক্ষ বাঙালিও। অসমীয়া রাজ্যটির প্রধানতম ভাষা হলেও হিন্দু ইংরেজি ভাষাও প্রচলিত ভাষা গুলোর মধ্যে অন্যতম। ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্রেরও আসামের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ।
বিজেপি শাসিত রাজ্য সরকার হলেও রাজ্যে প্রধান বিরোধী কংগ্রেসেরও রয়েছে শক্ত অবস্থান। তাছাড়াও স্থানীয় বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলেরও প্রভাব বিশেষ করে অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট বা এআইইউডিএফ-এর রয়েছে জনভিত্তি। তবে গেলো এক দশকে রাজ্যটিতে ধর্মীয় মেরুকরণের ছবি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তেমনই পাহাড়ি আদিবাসী তথা সমতলের বাঙালি-অবাঙালির মাঝেও তৈরি হয়েছে মত-পথের নানা বৈপরিত্বও। এছাড়া রাজ্যটির ঘেঁষা বাংলাদেশ সীমান্ত থাকায় বরাবরই স্থানীয় রাজনীতিতে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। বির্তক আছে অনুপ্রবেশ কিংবা পুশব্যাকের মতো ঘটনা নিয়েও। আর সব কিছু ছাপিয়ে গেছে ৩১ আগষ্ট ২০১৯ সালের এনআরসি তালিকা থেকে ১৯ লক্ষ ৬ হাজার ৬৫৭ জনের নাম বাদ যাওয়ার ঘটনা।
রাজ্যটির ৩ কোটি ২৭ লক্ষ ৬৬১ জনের মধ্যে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী হিসাাবে উল্লেখ করে সে বছর এতো সংখ্যক মানুষ নাম বাদ দেয়া হয়। এতে দেশজুড়ে শুরু হয় তীব্র বির্তক। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে লোকসভা নির্বাচনের আগে সিএএ আইন কার্যকর হওয়ার ইস্যুটিও। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, চলমান লোকসভা ভোটের রাজনৈতিক দল গুলোর সামনে এনআরসি-সিএএ বড় চ্যালেঞ্জ হিসাবে দাঁড় করাচ্ছে। কেননা বিজেপি যখন এই আইন বাস্তবায়নের বদ্ধপরিকর।
বিজেপি শাসিত রাজ্য সরকার হলেও রাজ্যে প্রধান বিরোধী কংগ্রেসেরও রয়েছে শক্ত অবস্থান। তাছাড়াও স্থানীয় বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলেরও প্রভাব বিশেষ করে অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট বা এআইইউডিএফ-এর রয়েছে জনভিত্তি। তবে গেলো এক দশকে রাজ্যটিতে ধর্মীয় মেরুকরণের ছবি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তেমনই পাহাড়ি আদিবাসী তথা সমতলের বাঙালি-অবাঙালির মাঝেও তৈরি হয়েছে মত-পথের নানা বৈপরিত্বও। এছাড়া রাজ্যটির ঘেঁষা বাংলাদেশ সীমান্ত থাকায় বরাবরই স্থানীয় রাজনীতিতে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। বির্তক আছে অনুপ্রবেশ কিংবা পুশব্যাকের মতো ঘটনা নিয়েও। আর সব কিছু ছাপিয়ে গেছে ৩১ আগষ্ট ২০১৯ সালের এনআরসি তালিকা থেকে ১৯ লক্ষ ৬ হাজার ৬৫৭ জনের নাম বাদ যাওয়ার ঘটনা।
রাজ্যটির ৩ কোটি ২৭ লক্ষ ৬৬১ জনের মধ্যে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী হিসাাবে উল্লেখ করে সে বছর এতো সংখ্যক মানুষ নাম বাদ দেয়া হয়। এতে দেশজুড়ে শুরু হয় তীব্র বির্তক। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে লোকসভা নির্বাচনের আগে সিএএ আইন কার্যকর হওয়ার ইস্যুটিও। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, চলমান লোকসভা ভোটের রাজনৈতিক দল গুলোর সামনে এনআরসি-সিএএ বড় চ্যালেঞ্জ হিসাবে দাঁড় করাচ্ছে। কেননা বিজেপি যখন এই আইন বাস্তবায়নের বদ্ধপরিকর।