
স্পোর্টস ডেস্ক
স্পেনের ক্লাব ফুটবলে গত বছর বেশ কয়েক বার বর্ণবাদী আচরণের শিকার হয়েছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এ ছাড়া বিচ্ছিন্নভাবে এমন ঘটনা দেখা যায় খেলার মাঠে। এমন ঘৃণ্য আচরণ রুখে দিতে লা লিগা ও স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন (আরএফইএফ) নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। এর মাধ্যমে রেফারিদের মাধ্যমে প্রয়োগকৃত ফিফার ‘নো রেসিজম’ নীতিমালা অনুসরণের অনুমোদন দিয়েছে স্পেনের ঘরোয়া ফুটবলে। চলতি বছরের মে মাসে ব্যাংককে অনুষ্ঠিত এক সভায় ফিফা ‘ক্রস আর্ম’ প্রতীকের অনুমোদন দিয়েছিল। যা এবার স্পেনেও প্রয়োগ করার সম্মতি দিয়েছে স্প্যানিশ ফেডারেশন ও লা লিগা কর্তৃপক্ষ। এর মাধ্যমে বর্ণবাদের অভিযোগ ওঠা কিংবা রেফারির নজরে আসার পর ‘ক্রস আর্ম’ বা দুই হাত ওপরের দিকে আড়াআড়িভাবে ধরে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। রেফারি সিদ্ধান্ত নেবেন তিনটি পদক্ষেপে- বর্ণবাদী ঘটনার পর তাৎক্ষণিকভাবে প্রথমে ম্যাচ থামানো, (অভিযুক্তকে) বহিষ্কার এবং পুরো ম্যাচটিই বাতিল করে দেওয়া। সে নিয়মটিই নিজেদের বর্ণবাদবিরোধী বিধানে অন্তর্ভূক্ত করার সম্মতি দিয়েছে লা লিগা ও আরএফইএফ। যদি কোনো রেফারি এ ধরনের কোনো কাজ দেখেন বা জানতে পারেন, তখনই তিনি ‘ক্রস আর্ম’ প্রতীক দেখিয়ে পরবর্তী প্রক্রিয়ার দিকে আগাবেন। তবে রেফারি তাৎক্ষণিকভাবেই বড় সিদ্ধান্তে যাবেন না। ম্যাচ থামিয়ে তিনি স্টেডিয়ামের স্পিকারে এ ঘটনার বিষয়ে প্রথমে সতর্কতা দেবেন, একইসঙ্গে সেখানে বলা হবে এমন ঘটনা আবারও ঘটলে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হবে। দ্বিতীয় ধাপে ম্যাচ অফিসিয়ালরা সাময়িকভাবে খেলা বন্ধ রাখবেন, ফলে ওই সময় প্রতিপক্ষ দুই দলের খেলোয়াড়রা ড্রেসিংরুমে চলে যাবেন। এরপরও তৃতীয় ধাপের প্রয়োজন হলে তখন বাতিল হয়ে যাবে ম্যাচটি। যা নিরাপত্তারক্ষী ও ক্লাব অফিসিয়ালদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
স্পেনের ক্লাব ফুটবলে গত বছর বেশ কয়েক বার বর্ণবাদী আচরণের শিকার হয়েছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এ ছাড়া বিচ্ছিন্নভাবে এমন ঘটনা দেখা যায় খেলার মাঠে। এমন ঘৃণ্য আচরণ রুখে দিতে লা লিগা ও স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন (আরএফইএফ) নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। এর মাধ্যমে রেফারিদের মাধ্যমে প্রয়োগকৃত ফিফার ‘নো রেসিজম’ নীতিমালা অনুসরণের অনুমোদন দিয়েছে স্পেনের ঘরোয়া ফুটবলে। চলতি বছরের মে মাসে ব্যাংককে অনুষ্ঠিত এক সভায় ফিফা ‘ক্রস আর্ম’ প্রতীকের অনুমোদন দিয়েছিল। যা এবার স্পেনেও প্রয়োগ করার সম্মতি দিয়েছে স্প্যানিশ ফেডারেশন ও লা লিগা কর্তৃপক্ষ। এর মাধ্যমে বর্ণবাদের অভিযোগ ওঠা কিংবা রেফারির নজরে আসার পর ‘ক্রস আর্ম’ বা দুই হাত ওপরের দিকে আড়াআড়িভাবে ধরে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। রেফারি সিদ্ধান্ত নেবেন তিনটি পদক্ষেপে- বর্ণবাদী ঘটনার পর তাৎক্ষণিকভাবে প্রথমে ম্যাচ থামানো, (অভিযুক্তকে) বহিষ্কার এবং পুরো ম্যাচটিই বাতিল করে দেওয়া। সে নিয়মটিই নিজেদের বর্ণবাদবিরোধী বিধানে অন্তর্ভূক্ত করার সম্মতি দিয়েছে লা লিগা ও আরএফইএফ। যদি কোনো রেফারি এ ধরনের কোনো কাজ দেখেন বা জানতে পারেন, তখনই তিনি ‘ক্রস আর্ম’ প্রতীক দেখিয়ে পরবর্তী প্রক্রিয়ার দিকে আগাবেন। তবে রেফারি তাৎক্ষণিকভাবেই বড় সিদ্ধান্তে যাবেন না। ম্যাচ থামিয়ে তিনি স্টেডিয়ামের স্পিকারে এ ঘটনার বিষয়ে প্রথমে সতর্কতা দেবেন, একইসঙ্গে সেখানে বলা হবে এমন ঘটনা আবারও ঘটলে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হবে। দ্বিতীয় ধাপে ম্যাচ অফিসিয়ালরা সাময়িকভাবে খেলা বন্ধ রাখবেন, ফলে ওই সময় প্রতিপক্ষ দুই দলের খেলোয়াড়রা ড্রেসিংরুমে চলে যাবেন। এরপরও তৃতীয় ধাপের প্রয়োজন হলে তখন বাতিল হয়ে যাবে ম্যাচটি। যা নিরাপত্তারক্ষী ও ক্লাব অফিসিয়ালদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।