
জনতা ডেস্ক
ভারতের অশান্ত মণিপুরে শান্তি ফেরাতে রাজ্যের হাতে সর্বোচ্চ ক্ষমতা চান মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং। একইসঙ্গে পাহাড়ি এলাকায় ‘অস্ত্রধারীদের আস্তানায়’ হামলা চালাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। খবর দ্য হিন্দু’।
চলতি মাসের শুরু থেকেই ফের অশান্ত হয়ে উঠেছে মণিপুর। সবশেষ শনিবার ড্রোন ও রকেট হামলার পর উত্তেজনা আরও বেড়েছে। হামলার জন্য একে অপরকে দায়ী করেছে কুকি ও মেইতেইরা। পরিস্থিতি নিয়ে দফায় দফায় মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করছেন মুখ্যমন্ত্রী বিরেন সিং। সংসদ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গেও গেল ২৪ ঘণ্টায় দুবার দেখা করেন তিনি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজ্যপলের সঙ্গে বৈঠকে মণিপুরে শান্তি ফেরাতে রাজ্য সরকারের হাতে সর্বোচ্চ ক্ষমতা দেয়ার দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বীরেন। একইসঙ্গে পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে ‘অস্ত্রধারীদের আস্তানা’ লক্ষ্য করে হামলা চালাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বর্তমানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে মণিপুরে শান্তি ফেরানোর দায়িত্বে আছে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্যজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে অ্যান্টি ড্রোন ব্যবস্থাও। হামলাকারীদের সন্ধানে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। এরইমধ্যে কয়েকটি বাঙ্কারও ধ্বংস করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলেও এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। উত্তেজনা নিরসনের দাবি জানিয়েছেন রাজ্যটির শিক্ষার্থীরা। প্রসঙ্গত, গত বছরের মে মাস থেকে উত্তপ্ত মণিপুর। কুকি ও মেইতেইদের মধ্যে চলমান জাতিগত সহিংসতায় এরইমধ্যে দুইশ’র বেশি মানুষ নিহত হয়েছে রাজ্যটিতে। গৃহহীন হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজ্যজুড়ে জারি করা হয় কারফিউ। এছাড়া সাময়িক বন্ধ করে রাখা হয় মোবাইল ইন্টারনেট সেবা। বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী রাজ্যটিতে সফর করলেও, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি না যাওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়ে ক্ষমতাসীন বিজেপি।
ভারতের অশান্ত মণিপুরে শান্তি ফেরাতে রাজ্যের হাতে সর্বোচ্চ ক্ষমতা চান মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং। একইসঙ্গে পাহাড়ি এলাকায় ‘অস্ত্রধারীদের আস্তানায়’ হামলা চালাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। খবর দ্য হিন্দু’।
চলতি মাসের শুরু থেকেই ফের অশান্ত হয়ে উঠেছে মণিপুর। সবশেষ শনিবার ড্রোন ও রকেট হামলার পর উত্তেজনা আরও বেড়েছে। হামলার জন্য একে অপরকে দায়ী করেছে কুকি ও মেইতেইরা। পরিস্থিতি নিয়ে দফায় দফায় মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করছেন মুখ্যমন্ত্রী বিরেন সিং। সংসদ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গেও গেল ২৪ ঘণ্টায় দুবার দেখা করেন তিনি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজ্যপলের সঙ্গে বৈঠকে মণিপুরে শান্তি ফেরাতে রাজ্য সরকারের হাতে সর্বোচ্চ ক্ষমতা দেয়ার দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বীরেন। একইসঙ্গে পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে ‘অস্ত্রধারীদের আস্তানা’ লক্ষ্য করে হামলা চালাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বর্তমানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে মণিপুরে শান্তি ফেরানোর দায়িত্বে আছে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্যজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে অ্যান্টি ড্রোন ব্যবস্থাও। হামলাকারীদের সন্ধানে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। এরইমধ্যে কয়েকটি বাঙ্কারও ধ্বংস করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলেও এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। উত্তেজনা নিরসনের দাবি জানিয়েছেন রাজ্যটির শিক্ষার্থীরা। প্রসঙ্গত, গত বছরের মে মাস থেকে উত্তপ্ত মণিপুর। কুকি ও মেইতেইদের মধ্যে চলমান জাতিগত সহিংসতায় এরইমধ্যে দুইশ’র বেশি মানুষ নিহত হয়েছে রাজ্যটিতে। গৃহহীন হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজ্যজুড়ে জারি করা হয় কারফিউ। এছাড়া সাময়িক বন্ধ করে রাখা হয় মোবাইল ইন্টারনেট সেবা। বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী রাজ্যটিতে সফর করলেও, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি না যাওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়ে ক্ষমতাসীন বিজেপি।