
রাজধানীর কাফরুল থানার উত্তর ইব্রাহিমপুর আদর্শ পল্লী এলাকার ভূমিদস্যু সন্ত্রাসী চাঁদাবাজদের হাত থেকে রেহাই পেতে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী লুৎফা আক্তার। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব)-এর মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স ভুক্তভোগী লুৎফা আক্তার এ অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর ছেলে উসমান গনি ও চাচাত ভাই আক্তার হোসেন উপস্থি ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমার স্বামী ও আমার চাকরির টাকা এবং ব্যাংকের ঋণ নিয়ে ৩৬/২ তৃতীয তলা ৩/এ আদর্শ পল্লী উত্তর ইব্রাহিমপুরের দলিলদাতা ডেভেলপার নজরুল ইসলামের ফ্ল্যাটের সাব রেজিস্ট্রার করে গত ২০১৭ সালের ২৬ অক্টোবর নামজারি কবলা দলিলে বুঝিয়ে দেন। দলিল নং ১০১৪০। এরপর থেকেই আমরা ভোগ দখল করে আসছি। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে ভূমিদস্যু জাকির ও নজরুল ইসলাম আমার কাছে দশ লাশ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছে। আর চাঁদা না দেয়ায় তারা আমার প্রাণনাশ ও ফ্ল্যাট দখলের হুমকি দেন। গত ৭ আগস্ট সন্ত্রাসীরা কোন প্রকার সরকার ও প্রশাসন না থাকার সুযোগে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় নজরুল ইসলাম ও জাকির হোসেন তার ছেলে পিয়াস, স্ত্রী লাভলী আক্তার, সাইফুল ইসলাম, আবু সাঈদসহ অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ জন সন্ত্রাসী অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমার পরিবারকে হত্যার হুমকি দেয়। আবার আমার ফ্ল্যাটে লুটপাট চালায়। তারা আমার গলায় থাকা দুইভরি স্বর্ণের চেন ও নগদ ৪ লাখ ৩৫ হাজার টাকা জোর করে নিয়ে যায়।
এসময় আমাদের ডাক চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে তাদেরকে হত্যার হুমকিসহ ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেন। একপর্যায়ে আমরা নিরুপায় হয়ে সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে ফোন করি। পরে খবর পেয়ে সেনা বাহিনীর লোকজন এসে আমাদের উদ্ধার করে। যা বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজে আছে। এঘটনার পর রাজধানীর কাফরুল থানায় অভিযোগ দায়র করতে গেলে পুলিশ কোনো অভিযোগ বা মামলা গ্রহণ করতে নানা টালবাহানা করছে।
পরে নিরুপায় হয়ে গত ২৮ আগস্ট কাফরুল থানায় ১৪২৭ নম্বর সাধারণ ডায়েরি করি। আর ৩১ আগস্ট তারিখে একই থানায় ১৬৯৭ নম্বর জিডি করি। কিন্তু পুলিশের কোনো তৎপরতা বা কোনো প্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় ভূমিদস্যু সন্ত্রাসী নজরুল ইসলাম ও জাকির হোসেন আরো ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি দিয়ে আসছেন। তারা বাসার গেট ভেঙে ফেলছে আর বাসার মামনে এসে ভীয়ভিতি দেখিয়ে আসছেন।
এ অবস্থায় আমি ও আমার ছেলেদের নিয়ে জীবন নাশের আশঙ্কায় ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তাই সন্ত্রাসী ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী লুৎফা আক্তার।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমার স্বামী ও আমার চাকরির টাকা এবং ব্যাংকের ঋণ নিয়ে ৩৬/২ তৃতীয তলা ৩/এ আদর্শ পল্লী উত্তর ইব্রাহিমপুরের দলিলদাতা ডেভেলপার নজরুল ইসলামের ফ্ল্যাটের সাব রেজিস্ট্রার করে গত ২০১৭ সালের ২৬ অক্টোবর নামজারি কবলা দলিলে বুঝিয়ে দেন। দলিল নং ১০১৪০। এরপর থেকেই আমরা ভোগ দখল করে আসছি। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে ভূমিদস্যু জাকির ও নজরুল ইসলাম আমার কাছে দশ লাশ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছে। আর চাঁদা না দেয়ায় তারা আমার প্রাণনাশ ও ফ্ল্যাট দখলের হুমকি দেন। গত ৭ আগস্ট সন্ত্রাসীরা কোন প্রকার সরকার ও প্রশাসন না থাকার সুযোগে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় নজরুল ইসলাম ও জাকির হোসেন তার ছেলে পিয়াস, স্ত্রী লাভলী আক্তার, সাইফুল ইসলাম, আবু সাঈদসহ অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ জন সন্ত্রাসী অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমার পরিবারকে হত্যার হুমকি দেয়। আবার আমার ফ্ল্যাটে লুটপাট চালায়। তারা আমার গলায় থাকা দুইভরি স্বর্ণের চেন ও নগদ ৪ লাখ ৩৫ হাজার টাকা জোর করে নিয়ে যায়।
এসময় আমাদের ডাক চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে তাদেরকে হত্যার হুমকিসহ ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেন। একপর্যায়ে আমরা নিরুপায় হয়ে সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে ফোন করি। পরে খবর পেয়ে সেনা বাহিনীর লোকজন এসে আমাদের উদ্ধার করে। যা বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজে আছে। এঘটনার পর রাজধানীর কাফরুল থানায় অভিযোগ দায়র করতে গেলে পুলিশ কোনো অভিযোগ বা মামলা গ্রহণ করতে নানা টালবাহানা করছে।
পরে নিরুপায় হয়ে গত ২৮ আগস্ট কাফরুল থানায় ১৪২৭ নম্বর সাধারণ ডায়েরি করি। আর ৩১ আগস্ট তারিখে একই থানায় ১৬৯৭ নম্বর জিডি করি। কিন্তু পুলিশের কোনো তৎপরতা বা কোনো প্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় ভূমিদস্যু সন্ত্রাসী নজরুল ইসলাম ও জাকির হোসেন আরো ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি দিয়ে আসছেন। তারা বাসার গেট ভেঙে ফেলছে আর বাসার মামনে এসে ভীয়ভিতি দেখিয়ে আসছেন।
এ অবস্থায় আমি ও আমার ছেলেদের নিয়ে জীবন নাশের আশঙ্কায় ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তাই সন্ত্রাসী ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী লুৎফা আক্তার।