
জনতা ডেস্ক
গাজায় থামছেই না ইসরাইলি বাহিনীর বর্বরতা। ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকাটিতে দখলদার বাহিনীর হামলায় আরও ৪২ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে গাজায় হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
আন্তর্জাতিক মহলের চাপ কিংবা দেশের নাগরিকদের বিক্ষোভ কোনো কিছুতেই থামছে না নেতানিয়াহু বাহিনীর বর্বরতা। গাজা উপত্যকায় নির্বিচারে হামলা চালাচ্ছে দখলদাররা। দেইর আল বালাহতে পোলিও টিকার কর্মসূচি চলাকালে পাশের বুরেইজ ও মাঘাজি আশ্রয় শিবিরে বোমা হামলা চালায় ইসরাইলিরা। এতে বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় ৪২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হন। এছাড়া অধিকৃত পশ্চিম তীরে দখলদারদের চলমান অভিযানে গত মাসের ২৮ তারিখ থেকে এ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ। আহতও হয়েছেন অনেকে। ইসরাইলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ত এ বিষয়ে বলেন, তারা জুডিয়া ও সামারিয়াকে ‘সন্ত্রাসমুক্ত’ করতে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে। এরই মধ্যে মিশরের সীমান্তবর্তী গাজার দক্ষিণাঞ্চলের ফিলাডেলফি করিডর থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে না বলে জানিয়েছে নেতানিয়াহু প্রশাসন। তবে ৫৩ শতাংশ ইসরাইলি মনে করে ফিলাডেলফি থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নিলে হামাসের সঙ্গে জিম্মি মুক্তির আলোচনা আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে যাবে। এদিকে, মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসির সঙ্গে আঙ্কারায় বৈঠককালে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেন, ‘গাজায় একের পর এক হামলা ও ধ্বংসলীলা চালিয়ে ইসরাইল অনাহার নীতির চর্চা করছে।’ তিনি আরও বলেন, গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করাই এখন মূল উদ্দেশ্য। তুরস্ক ও মিশর গাজার ক্ষেত্রে একই অবস্থানে আছে বলেও জানান তিনি।
গাজায় থামছেই না ইসরাইলি বাহিনীর বর্বরতা। ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকাটিতে দখলদার বাহিনীর হামলায় আরও ৪২ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে গাজায় হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
আন্তর্জাতিক মহলের চাপ কিংবা দেশের নাগরিকদের বিক্ষোভ কোনো কিছুতেই থামছে না নেতানিয়াহু বাহিনীর বর্বরতা। গাজা উপত্যকায় নির্বিচারে হামলা চালাচ্ছে দখলদাররা। দেইর আল বালাহতে পোলিও টিকার কর্মসূচি চলাকালে পাশের বুরেইজ ও মাঘাজি আশ্রয় শিবিরে বোমা হামলা চালায় ইসরাইলিরা। এতে বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় ৪২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হন। এছাড়া অধিকৃত পশ্চিম তীরে দখলদারদের চলমান অভিযানে গত মাসের ২৮ তারিখ থেকে এ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ। আহতও হয়েছেন অনেকে। ইসরাইলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ত এ বিষয়ে বলেন, তারা জুডিয়া ও সামারিয়াকে ‘সন্ত্রাসমুক্ত’ করতে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে। এরই মধ্যে মিশরের সীমান্তবর্তী গাজার দক্ষিণাঞ্চলের ফিলাডেলফি করিডর থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে না বলে জানিয়েছে নেতানিয়াহু প্রশাসন। তবে ৫৩ শতাংশ ইসরাইলি মনে করে ফিলাডেলফি থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নিলে হামাসের সঙ্গে জিম্মি মুক্তির আলোচনা আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে যাবে। এদিকে, মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসির সঙ্গে আঙ্কারায় বৈঠককালে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেন, ‘গাজায় একের পর এক হামলা ও ধ্বংসলীলা চালিয়ে ইসরাইল অনাহার নীতির চর্চা করছে।’ তিনি আরও বলেন, গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করাই এখন মূল উদ্দেশ্য। তুরস্ক ও মিশর গাজার ক্ষেত্রে একই অবস্থানে আছে বলেও জানান তিনি।