
স্পোটর্স ডেস্ক
নিজেদের অর্জিত টাকায় চলে স্বায়ত্তশাসিত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তবে অন্য সব প্রতিষ্ঠানের মতো বিসিবিতেও হয়েছে দুর্নীতি। আর এই কঠিন বাস্তবটুকু স্বীকার করেছেন বিসিবির নবনিযুক্ত সভাপতি ফারুক আহমেদ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দুর্নীতিবিরোধী লড়াইয়ের অংশ ফারুক আহমেদও, যিনি এতদিন মূল্যায়ন না পেলেও এখন পেয়েছেন দেশের ক্রিকেটের শীর্ষ কর্তার মর্যাদা। গত বৃহস্পতিবার তার সভাপতিত্বে বিসিবির প্রথম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়ে বিসিবির দুর্নীতি নিয়ে কথা বলেন ফারুক। প্রসঙ্গটা আসে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজনকে ঘিরে। দীর্ঘ সময় ধরে সিইওর গুরুদায়িত্ব পালন করা সুজনও আগের দুর্নীতির সাথে যুক্ত, এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে ফারুক আহমেদ বলেন, ‘একজন মানুষ দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি দোষী নন। অফিসে সিইও হিসেবে কাগজে সই করতে হবে, একটা নরমাল প্র্যাকটিস। তবে কিছু দুর্নীতি তো হয়েছেই। এটা অস্বীকার করতে পারব না। আমাদের সিইও অনেক যোগ্য। তিনি ১২ বছর ধরে সিইও। অনেক অভিজ্ঞ। এখানেও যদি কিছু পাওয়া যা, তদন্ত করে বলার অনুরোধ করছি। তদন্ত করে যদি কিছু পাওয়া যায়, তাকেও ছাড় দেওয়া হবে না।’ এ সময় সংবাদ সম্মেলন কক্ষেই ছিলেন প্রধান নির্বাহী। নতুন সভাপতি তাকে যথাসম্ভব আগলে রাখলেও দুর্নীতির অভিযোগ উড়িয়ে দেননি। ‘কিছু দুর্নীতি যে হয়েছে, এটা আমরা সবাই জানি। এটা অস্বীকার করতে পারব না। তাদের ওপর কোনো চাপ নেই। বোর্ড পুরোপুরি স্বাধীনভাবে কাজ করছে। কাজেই তাদের কাজের ধরনে আগের চেয়ে অনেক কিছুই ব্যতিক্রম হবে।’ ফারুক আহমেদ জানিয়েছেন, অডিটের মাধ্যমে নিজেরা যতটুকু সম্ভব দুর্নীতির তথ্য খুঁজে বের করবেন, আর বড় দুর্নীতি খতিয়ে দেখার দায়ভার ছাড়বেন দুর্নীতি দমন কমিশনের ওপর।
নিজেদের অর্জিত টাকায় চলে স্বায়ত্তশাসিত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তবে অন্য সব প্রতিষ্ঠানের মতো বিসিবিতেও হয়েছে দুর্নীতি। আর এই কঠিন বাস্তবটুকু স্বীকার করেছেন বিসিবির নবনিযুক্ত সভাপতি ফারুক আহমেদ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দুর্নীতিবিরোধী লড়াইয়ের অংশ ফারুক আহমেদও, যিনি এতদিন মূল্যায়ন না পেলেও এখন পেয়েছেন দেশের ক্রিকেটের শীর্ষ কর্তার মর্যাদা। গত বৃহস্পতিবার তার সভাপতিত্বে বিসিবির প্রথম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়ে বিসিবির দুর্নীতি নিয়ে কথা বলেন ফারুক। প্রসঙ্গটা আসে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজনকে ঘিরে। দীর্ঘ সময় ধরে সিইওর গুরুদায়িত্ব পালন করা সুজনও আগের দুর্নীতির সাথে যুক্ত, এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে ফারুক আহমেদ বলেন, ‘একজন মানুষ দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি দোষী নন। অফিসে সিইও হিসেবে কাগজে সই করতে হবে, একটা নরমাল প্র্যাকটিস। তবে কিছু দুর্নীতি তো হয়েছেই। এটা অস্বীকার করতে পারব না। আমাদের সিইও অনেক যোগ্য। তিনি ১২ বছর ধরে সিইও। অনেক অভিজ্ঞ। এখানেও যদি কিছু পাওয়া যা, তদন্ত করে বলার অনুরোধ করছি। তদন্ত করে যদি কিছু পাওয়া যায়, তাকেও ছাড় দেওয়া হবে না।’ এ সময় সংবাদ সম্মেলন কক্ষেই ছিলেন প্রধান নির্বাহী। নতুন সভাপতি তাকে যথাসম্ভব আগলে রাখলেও দুর্নীতির অভিযোগ উড়িয়ে দেননি। ‘কিছু দুর্নীতি যে হয়েছে, এটা আমরা সবাই জানি। এটা অস্বীকার করতে পারব না। তাদের ওপর কোনো চাপ নেই। বোর্ড পুরোপুরি স্বাধীনভাবে কাজ করছে। কাজেই তাদের কাজের ধরনে আগের চেয়ে অনেক কিছুই ব্যতিক্রম হবে।’ ফারুক আহমেদ জানিয়েছেন, অডিটের মাধ্যমে নিজেরা যতটুকু সম্ভব দুর্নীতির তথ্য খুঁজে বের করবেন, আর বড় দুর্নীতি খতিয়ে দেখার দায়ভার ছাড়বেন দুর্নীতি দমন কমিশনের ওপর।