
সন্ত্রাসীদের গুলি ও বেধড়ক মারপিটের শিকার হয়ে মাসখানেক হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে গতকাল রোববার কাজে যোগদান করেছেন দৈনিক জনতার চীফ ফটোসাংবাদিক আবদুল হালিম। তিনি মাথায়, কোমর এবং ডান পায়ে মারাত্মক আঘাত পেয়েছেন। এখনো তার চিকিৎসা চলছে। তিনি গত ১৮ জুলাই রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার সময় রাজধানীর মহাখালীতে পেশাগত দায়িত্বকালে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও পুলিশের হামলার শিকার হয়ে রাস্তায় পাশে পড়ে থাকেন। এক পর্যায়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বেশ ক’জন কর্মী তাকে উদ্ধার করে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নিলে সেখানে কর্তৃপক্ষ রহস্যজনক কারণে তাকে ভর্তি করেনি। পরে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। হালিমের ব্যবহারের মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। তার ব্যবহারের মোবাইল মডেল স্যামসাং এস-১০ ৫জি মোবাইল, ক্যামেরা ঈধহড়হ ৫উ মার্ক ৩ অফিস আইডি কার্ড, প্রেস এক্রিডিটেশন কার্ড যার নম্বর-৪৩১২ নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে ২৬-০৭-২০২৪ তারিখে বনানী থানায় মামলা করতে গেলে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার বলে এসব কিছুর মামলা হবে না লিখতে হবে কোটাবিরোধী আন্দোলনের মাঝে আমি উত্তরায় যাবার সময় আমার ব্যবহৃত জিনিসগুলো হারিয়ে যায়। পরে আমি বাধ্য হয়ে বনানী থানায় ২টা জিডি করি। যার নং-১৫৭৮, তাং ২৬-০৭-২০২৪ এবং ১৫৭৯, তাং ২৬-০৭-২০২৪ ইং।
হালিম তার দামি ক্যামেরা ও মোবাইলসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উদ্ধার এবং তার মোটরসাইকেলটি মেরামতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা কামনা করেছেন সংশ্লিষ্টদের কাছে। একই সাথে দীর্ঘ সময় ব্যয়বহুল চিকিৎসা নিয়ে তিনি আজ নিঃস্ব। তার চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে অনেক টাকার প্রয়োজন। এ বিষয়ে সকলের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
হালিম তার দামি ক্যামেরা ও মোবাইলসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উদ্ধার এবং তার মোটরসাইকেলটি মেরামতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা কামনা করেছেন সংশ্লিষ্টদের কাছে। একই সাথে দীর্ঘ সময় ব্যয়বহুল চিকিৎসা নিয়ে তিনি আজ নিঃস্ব। তার চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে অনেক টাকার প্রয়োজন। এ বিষয়ে সকলের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।