
সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) থেকে মো. মোক্তার হোসেন
চলতি বছরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলন থেকে শুরু করে সরকার পতনের পর চলমান রাজনৈতিক অস্থির পরিস্থিতিতে ঢাকার অদূরে নারায়ণগঞ্জে জেলার বিভিন্ন উপজেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলো ও হোটেল রেস্তোরাঁতে দেশ/বিদেশসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ক্ষুদে ভ্রমণ পিপাসু বিনোদন প্রেমীরা না আসার কারণে খা খা করছে। পর্যটন কেন্দ্রগুলোর আশেপাশে গড়ে ওঠা ছোট বড় পর্যটন কেন্দ্র ও হোটেল এবং রেস্তোরাঁগুলোতে প্রভাব পড়েছে। যার কারণে ব্যবসায়ীরা দুশ্চিন্তার মধ্যে হাঁপিয়ে হাঁপিয়ে দিন পার করছেন।
সরে জমিনে উপজেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ঘুরে দেখা যায়, ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতীক হিসাবে খ্যাত পানাম নগরী সিটি, বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প ফাউন্ডেশন, বাংলার তাজমহল, পিরামিড, ফান্ডল্যান্ড পার্কসহ বিনোদন পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে আগত ভ্রমণপিপাসু বিনোদন প্রেমী লাখো লোকের সমাগমের চিত্র এখন আর দেখা যায় না। পর্যটক কেন্দ্রগুলোতে পূর্বের ন্যায় নেই কোনো কোলাহল,ব্যবসায়ীদের নেই কোনো ব্যস্ততা, চারিদিকে বিরাজ করছে নিরব আর নিস্তব্ধতা কেমন যেন হাহাকার। আগত ভ্রমণ পিপাসু খুদে বিনোদন প্রেমী পর্যটক না থাকায় ব্যবসায়ী,খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ ও কর্মচারীরা কোনো না কোনোভাবে দিন পার করছেন। মূলত এই ছোট-বড় পর্যটন কেন্দ্রগুলো ঘিরে রয়েছে হাজারো পরিবার পরিজন গরিব দুঃখী মেহনতি মানুষের নিত্যদিনের আয়ের মূল উৎস।
বিশ্বস্ত একটি সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতক ও বর্তমান দেশের পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প ফাউন্ডেশন (জাদুঘর)
আগত পর্যটকদের কাছে প্রতিদিন টিকেট বিক্রি হত প্রায় লাখো টাকার মত। এখন প্রতিদিন বিক্রি হয় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। ঐতিহ্যবাহী সারা বিশ্ব খ্যাত পানাম নগরী সিটি পরিদর্শনে প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ শ, টিকিট বিক্রি হতো। এখন নেমে এসে দাঁড়িয়েছে শতের মধ্যে।
এদিকে বাংলার তাজমহল ও পিরামিড দেখার জন্য আগত বড় ভ্রমণ পিপাসু ক্ষুদে বিনোদন পর্যটক প্রেমীরা ভিড় জমিয়ে ৪/৫ শ’ থেকে ১ হাজার অবদি টিকেট ক্রয় করতো। এখন সারাদিনে ২০ থেকে ৩০টি টিকেট বিক্রি হচ্ছে।
বাংলাদেশ লোকও কারু শিল্প ফাউন্ডেশনের একটি সূত্রে জানা যায়, বর্তমান দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে এখন তুলনামূলকভাবে অনেকটা কম। চলমান পরিস্থিতিতে আশা করছি পরিস্থিতি অতি দ্রুত শিথিল হবে। ভ্রমণ পিপাসু আগত ক্ষুদে বিনোদন প্রেমীরা পূর্বের মত ভিড় জমিয়ে কোলাহলে সারিবদ্ধ হয়ে টিকিট ক্রয় করে আমাদের বিভিন্ন সমারোহে আলোক শয্যায় সজ্জিত মনোরম পরিবেশে বাংলাদেশ লোকও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন (জাদুঘর) পর্যটনকেন্দ্রসহ দর্শনীয় স্থানগুলো উপভোগ করবে।
সারাবিশ্ব খ্যাত পানাম নগর সিটির ঐতিহ্যবাহক হিসেবে যারা দায়িত্বে রয়েছেন তাদের সূত্র মতে দৈনিক জনতাকে বলেন, দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে দেশ-বিদেশ ও বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ভ্রমণ পিপাসু ক্ষুদে বিনোদন প্রেমী আমাদের সারা বিশ্ব খ্যাত ঐতিহাসিক পানাম নগরী সিটির দর্শনীয় স্থানগুলো ভ্রমণ পিপাসুরা আগের তুলনায় এখন অনেকটাই কম। চলমান পরিস্থিতিতে আশা করছি খুব দ্রুত পরিস্থিতি শিথিল হলে পূর্বের ন্যায় আগত ভ্রমণ পিপাসু ক্ষুদে বিনোদন প্রেমীদের কোলাহলের সৃষ্টি হবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ বলেন, ঐতিহ্যের বাহক হিসাবে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও বিশ্বে সুপরিচিত। তাই দেশ-বিদেশ সহ জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ভ্রমণ পিপাসু পর্যটক এই সোনারগাওয়ের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে আসেন। আশা করছি পরিস্থিতি অতি দ্রুত শিথিল হলে পর্যটকের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।
চলতি বছরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলন থেকে শুরু করে সরকার পতনের পর চলমান রাজনৈতিক অস্থির পরিস্থিতিতে ঢাকার অদূরে নারায়ণগঞ্জে জেলার বিভিন্ন উপজেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলো ও হোটেল রেস্তোরাঁতে দেশ/বিদেশসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ক্ষুদে ভ্রমণ পিপাসু বিনোদন প্রেমীরা না আসার কারণে খা খা করছে। পর্যটন কেন্দ্রগুলোর আশেপাশে গড়ে ওঠা ছোট বড় পর্যটন কেন্দ্র ও হোটেল এবং রেস্তোরাঁগুলোতে প্রভাব পড়েছে। যার কারণে ব্যবসায়ীরা দুশ্চিন্তার মধ্যে হাঁপিয়ে হাঁপিয়ে দিন পার করছেন।
সরে জমিনে উপজেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ঘুরে দেখা যায়, ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতীক হিসাবে খ্যাত পানাম নগরী সিটি, বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প ফাউন্ডেশন, বাংলার তাজমহল, পিরামিড, ফান্ডল্যান্ড পার্কসহ বিনোদন পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে আগত ভ্রমণপিপাসু বিনোদন প্রেমী লাখো লোকের সমাগমের চিত্র এখন আর দেখা যায় না। পর্যটক কেন্দ্রগুলোতে পূর্বের ন্যায় নেই কোনো কোলাহল,ব্যবসায়ীদের নেই কোনো ব্যস্ততা, চারিদিকে বিরাজ করছে নিরব আর নিস্তব্ধতা কেমন যেন হাহাকার। আগত ভ্রমণ পিপাসু খুদে বিনোদন প্রেমী পর্যটক না থাকায় ব্যবসায়ী,খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ ও কর্মচারীরা কোনো না কোনোভাবে দিন পার করছেন। মূলত এই ছোট-বড় পর্যটন কেন্দ্রগুলো ঘিরে রয়েছে হাজারো পরিবার পরিজন গরিব দুঃখী মেহনতি মানুষের নিত্যদিনের আয়ের মূল উৎস।
বিশ্বস্ত একটি সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতক ও বর্তমান দেশের পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প ফাউন্ডেশন (জাদুঘর)
আগত পর্যটকদের কাছে প্রতিদিন টিকেট বিক্রি হত প্রায় লাখো টাকার মত। এখন প্রতিদিন বিক্রি হয় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। ঐতিহ্যবাহী সারা বিশ্ব খ্যাত পানাম নগরী সিটি পরিদর্শনে প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ শ, টিকিট বিক্রি হতো। এখন নেমে এসে দাঁড়িয়েছে শতের মধ্যে।
এদিকে বাংলার তাজমহল ও পিরামিড দেখার জন্য আগত বড় ভ্রমণ পিপাসু ক্ষুদে বিনোদন পর্যটক প্রেমীরা ভিড় জমিয়ে ৪/৫ শ’ থেকে ১ হাজার অবদি টিকেট ক্রয় করতো। এখন সারাদিনে ২০ থেকে ৩০টি টিকেট বিক্রি হচ্ছে।
বাংলাদেশ লোকও কারু শিল্প ফাউন্ডেশনের একটি সূত্রে জানা যায়, বর্তমান দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে এখন তুলনামূলকভাবে অনেকটা কম। চলমান পরিস্থিতিতে আশা করছি পরিস্থিতি অতি দ্রুত শিথিল হবে। ভ্রমণ পিপাসু আগত ক্ষুদে বিনোদন প্রেমীরা পূর্বের মত ভিড় জমিয়ে কোলাহলে সারিবদ্ধ হয়ে টিকিট ক্রয় করে আমাদের বিভিন্ন সমারোহে আলোক শয্যায় সজ্জিত মনোরম পরিবেশে বাংলাদেশ লোকও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন (জাদুঘর) পর্যটনকেন্দ্রসহ দর্শনীয় স্থানগুলো উপভোগ করবে।
সারাবিশ্ব খ্যাত পানাম নগর সিটির ঐতিহ্যবাহক হিসেবে যারা দায়িত্বে রয়েছেন তাদের সূত্র মতে দৈনিক জনতাকে বলেন, দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে দেশ-বিদেশ ও বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ভ্রমণ পিপাসু ক্ষুদে বিনোদন প্রেমী আমাদের সারা বিশ্ব খ্যাত ঐতিহাসিক পানাম নগরী সিটির দর্শনীয় স্থানগুলো ভ্রমণ পিপাসুরা আগের তুলনায় এখন অনেকটাই কম। চলমান পরিস্থিতিতে আশা করছি খুব দ্রুত পরিস্থিতি শিথিল হলে পূর্বের ন্যায় আগত ভ্রমণ পিপাসু ক্ষুদে বিনোদন প্রেমীদের কোলাহলের সৃষ্টি হবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ বলেন, ঐতিহ্যের বাহক হিসাবে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও বিশ্বে সুপরিচিত। তাই দেশ-বিদেশ সহ জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ভ্রমণ পিপাসু পর্যটক এই সোনারগাওয়ের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে আসেন। আশা করছি পরিস্থিতি অতি দ্রুত শিথিল হলে পর্যটকের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।