
ছাত্র-জনতার আন্দোলন ঘিরে ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত যেসব হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, সেগুলোর জন্য নির্দেশদাতা হিসেবে সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হতে পারে বলে অন্তর্র্বতী সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানিয়েছেন।
গতকাল বুধবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আসিফ নজরুল এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যেসব হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তার বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্র্বতীকালীন সরকার।
আসিফ নজরুল বলেন, গত ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনাগুলোর বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করা হবে। তিনি বলেন, গণহত্যা ও গুলিবর্ষণ, এসব ঘটনার জন্য কিছু মামলা হয়েছে। রাজপথে থাকা বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন, মানবাধিকার সংগঠন, জনগণের বিভিন্ন গোষ্ঠী প্রশ্ন করেছে, এটাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিচার করার সুযোগ আছে কি না। তাঁরা সেটি খতিয়ে দেখেছেন। তাতে তাঁরা দেখেছেন, এই আইনের অধীনে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা, যাঁরা আদেশ দিয়েছেন, বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের সবাইকে বিচারের আওতায় আনা সম্ভব।
আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘সাবেক সরকারের সরকারপ্রধানসহ অন্য যাঁরা জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে, যাঁদের আদেশ–নির্দেশ থাকার অভিযোগ রয়েছে, আমরা পত্রপত্রিকায় কিছু মন্ত্রীর নাম দেখেছি। আমরা এখানে কোনো ছাড় দেব না। আমরা বিদায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যদেরও যদি কমান্ড রেসপনসিবিলিটি থাকে, আমরা সেটা পর্যন্ত খতিয়ে দেখব।’
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়তি ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনতে ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। এই ট্রাইব্যুনালে শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন যুদ্ধাপরাধীর বিচার শেষে শাস্তি কার্যকর হয়েছে।
গতকাল বুধবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আসিফ নজরুল এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যেসব হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তার বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্র্বতীকালীন সরকার।
আসিফ নজরুল বলেন, গত ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনাগুলোর বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করা হবে। তিনি বলেন, গণহত্যা ও গুলিবর্ষণ, এসব ঘটনার জন্য কিছু মামলা হয়েছে। রাজপথে থাকা বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন, মানবাধিকার সংগঠন, জনগণের বিভিন্ন গোষ্ঠী প্রশ্ন করেছে, এটাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিচার করার সুযোগ আছে কি না। তাঁরা সেটি খতিয়ে দেখেছেন। তাতে তাঁরা দেখেছেন, এই আইনের অধীনে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা, যাঁরা আদেশ দিয়েছেন, বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের সবাইকে বিচারের আওতায় আনা সম্ভব।
আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘সাবেক সরকারের সরকারপ্রধানসহ অন্য যাঁরা জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে, যাঁদের আদেশ–নির্দেশ থাকার অভিযোগ রয়েছে, আমরা পত্রপত্রিকায় কিছু মন্ত্রীর নাম দেখেছি। আমরা এখানে কোনো ছাড় দেব না। আমরা বিদায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যদেরও যদি কমান্ড রেসপনসিবিলিটি থাকে, আমরা সেটা পর্যন্ত খতিয়ে দেখব।’
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়তি ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনতে ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। এই ট্রাইব্যুনালে শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন যুদ্ধাপরাধীর বিচার শেষে শাস্তি কার্যকর হয়েছে।