
জনতা ডেস্ক
নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত ভারতের কেরালা রাজ্যের মুন্ডাকাই, চুরালমালা, আট্টামালা আর নুলপুঝায় ধ্বংসস্তূপ ফুটে উঠছে প্রকৃতিরই এক বিপর্যয়ে।
গতকাল মঙ্গলবার ভোরে ব্যাপক ভূমিধসে পাহাড়ি জেলা ওয়েনাড়ের বিভিন্ন স্থানে শিশুসহ অন্তত ৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের দৈনিক হিন্দু। এ ঘটনায় কয়েকশ মানুষ আটকা পড়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রাজ্যের বনমন্ত্রী এ কে সসেন্দ্রন জানিয়েছেন, আহত অন্তত ৬৬ জনের চিকিৎসা চলছে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে। এ ঘটনায় দুই দিন রাজ্যে শোক ঘোষণা করেছে কেরালা সরকার। বিপুল সংখ্যক মানুষের হতাহতের ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। উদ্ধার অভিযান ও পুনর্বাসনে সব ধরনের সহায়তার জন্য কেন্দ্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ওয়েনাড়ের সাবেক এমপি রাহুল গান্ধী। তিনি উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজজনাথি সিংহ ও কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের সঙ্গে কথা বলেছেন।
লোকসভায় দেয়া বক্তৃতায় রাহুল বলেছেন, উদ্ধার ও চিকিৎসা নিশ্চিতে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার জন্য আমি কেন্দ্রীয় সরকারকে অনুরোধ করছি, মৃতদের পরিবারকে অবিলম্বে ক্ষতিপূরণ দেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। পরিবহন ও যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ লাইনগুলো দ্রুত সচল করুন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ত্রাণের ব্যবস্থা করুন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের জন্য একটি রোডম্যাপ তৈরি করুন।
ওয়েনাড়ের বিভিন্ন জায়গায় ভূমিধস হওয়ায় রেড অ্যালার্ট জারি করেছে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি। হড়কা বানে চুরালমালার সঙ্গে সংযোগকারী একটি সেতু ধসে যাওয়ায় মুন্ডাকাই ও আট্টামালা এলাকা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সড়কপথে অন্য জেলার সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে ওয়েনাড় জেলা।
কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন জানিয়েছেন, তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযানে সব সরকারি সংস্থা কাজ করছে। উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন রাজ্যের মন্ত্রীরা। তারা চলমান অভিযানে সমন্বয় করছেন।
ভূমিধস ও বৃষ্টিজনিত অন্যান্য দুর্যোগ মোকাবেলায় ন্যাশনাল হেলথ মিশন নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খুলেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
পিনারাই জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধী তাকে ফোন করে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, ভূমিধসে হতাহতের ঘটনায় নরেন্দ্র মোদী খুবই ‘মর্মাহত’ হয়েছেন। তিনি ত্রাণ তহবিল থেকে প্রত্যেক নিহতের পরিবারকে দুই লাখ রুপি এবং আহতদের ৫০ হাজার রুপি করে সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
এনডিটিভি লিখেছে, ঘটনাস্থলে দমকলকর্মী এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করতে কানপুর প্রতিরক্ষা নিরাপত্তা কোরের দুটি দল যোগ দিয়েছে।
বিমান বাহিনীর দুটি উড়োজাহাজও উদ্ধার অভিযানে যোগ দিয়েছে জানিয়ে দৈনিক হিন্দু লিখেছে, দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় ও ভারি বৃষ্টির কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হয়েছে। এখনও বহু মানুষ আটকা বলে জানাচ্ছেন স্থানীয়রা।
কেরালার মধ্য ও উত্তরের জেলাগুলোতে গতকাল মঙ্গলবার দিনভর ভারি বৃষ্টির আভাস দিয়েছে ভারতের আবহাওয়া অফিস। সংস্থাটি ওয়েনাড়সহ সেখানকার আট জেলায় রেড অ্যালার্ট জারি করেছে।
নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত ভারতের কেরালা রাজ্যের মুন্ডাকাই, চুরালমালা, আট্টামালা আর নুলপুঝায় ধ্বংসস্তূপ ফুটে উঠছে প্রকৃতিরই এক বিপর্যয়ে।
গতকাল মঙ্গলবার ভোরে ব্যাপক ভূমিধসে পাহাড়ি জেলা ওয়েনাড়ের বিভিন্ন স্থানে শিশুসহ অন্তত ৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের দৈনিক হিন্দু। এ ঘটনায় কয়েকশ মানুষ আটকা পড়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রাজ্যের বনমন্ত্রী এ কে সসেন্দ্রন জানিয়েছেন, আহত অন্তত ৬৬ জনের চিকিৎসা চলছে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে। এ ঘটনায় দুই দিন রাজ্যে শোক ঘোষণা করেছে কেরালা সরকার। বিপুল সংখ্যক মানুষের হতাহতের ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। উদ্ধার অভিযান ও পুনর্বাসনে সব ধরনের সহায়তার জন্য কেন্দ্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ওয়েনাড়ের সাবেক এমপি রাহুল গান্ধী। তিনি উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজজনাথি সিংহ ও কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের সঙ্গে কথা বলেছেন।
লোকসভায় দেয়া বক্তৃতায় রাহুল বলেছেন, উদ্ধার ও চিকিৎসা নিশ্চিতে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার জন্য আমি কেন্দ্রীয় সরকারকে অনুরোধ করছি, মৃতদের পরিবারকে অবিলম্বে ক্ষতিপূরণ দেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। পরিবহন ও যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ লাইনগুলো দ্রুত সচল করুন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ত্রাণের ব্যবস্থা করুন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের জন্য একটি রোডম্যাপ তৈরি করুন।
ওয়েনাড়ের বিভিন্ন জায়গায় ভূমিধস হওয়ায় রেড অ্যালার্ট জারি করেছে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি। হড়কা বানে চুরালমালার সঙ্গে সংযোগকারী একটি সেতু ধসে যাওয়ায় মুন্ডাকাই ও আট্টামালা এলাকা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সড়কপথে অন্য জেলার সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে ওয়েনাড় জেলা।
কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন জানিয়েছেন, তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযানে সব সরকারি সংস্থা কাজ করছে। উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন রাজ্যের মন্ত্রীরা। তারা চলমান অভিযানে সমন্বয় করছেন।
ভূমিধস ও বৃষ্টিজনিত অন্যান্য দুর্যোগ মোকাবেলায় ন্যাশনাল হেলথ মিশন নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খুলেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
পিনারাই জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধী তাকে ফোন করে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, ভূমিধসে হতাহতের ঘটনায় নরেন্দ্র মোদী খুবই ‘মর্মাহত’ হয়েছেন। তিনি ত্রাণ তহবিল থেকে প্রত্যেক নিহতের পরিবারকে দুই লাখ রুপি এবং আহতদের ৫০ হাজার রুপি করে সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
এনডিটিভি লিখেছে, ঘটনাস্থলে দমকলকর্মী এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করতে কানপুর প্রতিরক্ষা নিরাপত্তা কোরের দুটি দল যোগ দিয়েছে।
বিমান বাহিনীর দুটি উড়োজাহাজও উদ্ধার অভিযানে যোগ দিয়েছে জানিয়ে দৈনিক হিন্দু লিখেছে, দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় ও ভারি বৃষ্টির কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হয়েছে। এখনও বহু মানুষ আটকা বলে জানাচ্ছেন স্থানীয়রা।
কেরালার মধ্য ও উত্তরের জেলাগুলোতে গতকাল মঙ্গলবার দিনভর ভারি বৃষ্টির আভাস দিয়েছে ভারতের আবহাওয়া অফিস। সংস্থাটি ওয়েনাড়সহ সেখানকার আট জেলায় রেড অ্যালার্ট জারি করেছে।