
বিনোদন ডেস্ক
লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন নিপুণ আক্তার। এবার যুক্তরাজ্যে গিয়েছিলেন ‘গ্লো উইম্যান’-এর উদ্যোগে, ‘লন্ডন উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট সামিট ২০২৪’-এ অংশ নিতে। নতুন ওয়েব সিরিজ, শিল্পী সমিতির মামলা, দেশের পরিস্থিতি-সব নিয়ে তার সাথে বলেন গনমাধ্যম।
লন্ডনে নতুন অভিজ্ঞতা
লন্ডনের বাসিন্দা তাঁর বোন। আগে একাধিকবার লন্ডনে গেছেন নিপুণ। তবে এবারের লন্ডনযাত্রাটা অন্যরকম অভিজ্ঞতা দিয়েছে অভিনেত্রীকে। সেখানে বিশ্বের সফল নারীদের নিয়ে আয়োজিত হয় ‘লন্ডন উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট সামিট ২০২৪’। বাংলাদেশ থেকে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন নিপুণ। ৬ জুলাই অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে বক্তব্যও রেখেছেন। বলেন, ‘আমি সেখানে বাংলাদেশের নারীদের এগিয়ে যাওয়ার গল্প বলেছি। নিজের সফলতার কথাও জানিয়েছি। এই অনুষ্ঠানে বিশ্বের নামকরা সব নারী আইনজীবী, চিকিৎসক, উদ্যোক্তারা ছিলেন। তাঁরা আমার বক্তব্য শুনেছেন। বাংলাদেশের নারীদের এগিয়ে যাওয়াটাকে তাঁরা দারুণ এক সফলতা বলে মনে করেছেন। বাইরের দেশে বাংলাদেশকে প্রেজেন্ট করতে পেরে ভালো লেগেছে। অন্যরকম এক অভিজ্ঞতা হলো।’
লাইফ ইজ বিউটিফুল
লন্ডনে যাওয়ার আগে বেশ চুপিসারে একটি ওয়েব সিরিজের শুটিং করেছেন নিপুণ। তপু খানের ‘লাইফ ইজ বিউটিফুল’ সিরিজটি মুক্তি পাবে হইচইতে। সিরিজের বিষয়বস্তু বলতে না চাইলেও নিপুণ জানান, এমন গল্পে আগে কখনো কাজ করেননি। বলেন, ‘আমি তো আগের মতো নিয়মিত অভিনয় করি না। যেটা ভালো লাগে, শুধু সেটাই করি। তপু খান নির্মাতা হিসেবে দারুণ। মনে হলো তোর সঙ্গে সিরিজটি করলে দারুণ হবে। তা ছাড়া ওটিটি প্ল্যাটফরম হইচই দুই বাংলাতেই জনপ্রিয়। কাজটা দুই বাংলার দর্শকের কাছে পৌঁছবে।’
মামলা, আদালত, লড়াই
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে মনোয়ার হোসেন ডিপজলের সঙ্গে আইনি লড়াই চলছে নিপুণের। তাঁর পক্ষে মামলা লড়ছেন আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল। গত সপ্তাহেই ছিল মামলার শুনানির তারিখ। কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষে মামলা লড়ছিলেন এই আইনজীবী। তাই নিপুণ নিজেই মঞ্জুরুলকে জানিয়েছেন, শুনানি আরো কিছুদিন পেছানোর আবেদন করতে। নিপুণ বলেন, ‘শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদ জাতীয় কোনো ইস্যু নয়। তার চেয়ে কোটা আন্দোলনকারী ছাত্রদের মামলা নিয়ে লড়াটা জরুরি। আমি মঞ্জু ভাইকে বলেছিলাম, আগে ছাত্রদের ন্যায্য দাবি পাইয়ে দিন, তারপর আমারটা দেখা যাবে।’ নিপুণ জানান, আগামী মাসের প্রথম দিকেই ফের আদালতে যাবেন। তাঁর আইনজীবীও সেই পরামর্শ দিয়েছেন।
ব্যবসায়ে বিপর্যয়
‘সাজঘর’ অভিনেত্রীর দুটি বিউটি পার্লার আছে ঢাকার গুলশান ও বনানীতে। সেখানে কাজ করেন ৫০ জনের বেশি কর্মী। আছেন বিদেশিও। তবে দেশের এই পরিস্থিতিতে ব্যবসার অবস্থা খুবই খারাপ। কর্মীদের আনা-নেওয়ার জন্য ট্রান্সপোর্টের ব্যবস্থা করতে হচ্ছে। বিদেশি কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও অতিরিক্ত লোকবল নিয়োগ দিতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে খরচ দিনদিন ঊর্ধ্বমুখী হলেও আয় নিম্নমুখী। বলেন, ‘এভাবে তো চলতে পারে না। সরকার ছাত্রদের দাবি মেনে নিয়েছে। এবার তো সব কিছু শান্ত হয়ে যাওয়া উচিত। আমরা যাঁরা ব্যবসা করি তাঁরা বুঝতে পারি একেকটা দিন নষ্ট মানে লাখ লাখ টাকার ক্ষতি। এই ক্ষতি পুষিয়ে উঠব কী করে? একজন অভিনেত্রী হিসেবে, একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে অনুরোধ করব, অনেক হয়েছে, প্লিজ এবার দেশকে দেশের মতো চলতে দিন।’
লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন নিপুণ আক্তার। এবার যুক্তরাজ্যে গিয়েছিলেন ‘গ্লো উইম্যান’-এর উদ্যোগে, ‘লন্ডন উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট সামিট ২০২৪’-এ অংশ নিতে। নতুন ওয়েব সিরিজ, শিল্পী সমিতির মামলা, দেশের পরিস্থিতি-সব নিয়ে তার সাথে বলেন গনমাধ্যম।
লন্ডনে নতুন অভিজ্ঞতা
লন্ডনের বাসিন্দা তাঁর বোন। আগে একাধিকবার লন্ডনে গেছেন নিপুণ। তবে এবারের লন্ডনযাত্রাটা অন্যরকম অভিজ্ঞতা দিয়েছে অভিনেত্রীকে। সেখানে বিশ্বের সফল নারীদের নিয়ে আয়োজিত হয় ‘লন্ডন উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট সামিট ২০২৪’। বাংলাদেশ থেকে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন নিপুণ। ৬ জুলাই অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে বক্তব্যও রেখেছেন। বলেন, ‘আমি সেখানে বাংলাদেশের নারীদের এগিয়ে যাওয়ার গল্প বলেছি। নিজের সফলতার কথাও জানিয়েছি। এই অনুষ্ঠানে বিশ্বের নামকরা সব নারী আইনজীবী, চিকিৎসক, উদ্যোক্তারা ছিলেন। তাঁরা আমার বক্তব্য শুনেছেন। বাংলাদেশের নারীদের এগিয়ে যাওয়াটাকে তাঁরা দারুণ এক সফলতা বলে মনে করেছেন। বাইরের দেশে বাংলাদেশকে প্রেজেন্ট করতে পেরে ভালো লেগেছে। অন্যরকম এক অভিজ্ঞতা হলো।’
লাইফ ইজ বিউটিফুল
লন্ডনে যাওয়ার আগে বেশ চুপিসারে একটি ওয়েব সিরিজের শুটিং করেছেন নিপুণ। তপু খানের ‘লাইফ ইজ বিউটিফুল’ সিরিজটি মুক্তি পাবে হইচইতে। সিরিজের বিষয়বস্তু বলতে না চাইলেও নিপুণ জানান, এমন গল্পে আগে কখনো কাজ করেননি। বলেন, ‘আমি তো আগের মতো নিয়মিত অভিনয় করি না। যেটা ভালো লাগে, শুধু সেটাই করি। তপু খান নির্মাতা হিসেবে দারুণ। মনে হলো তোর সঙ্গে সিরিজটি করলে দারুণ হবে। তা ছাড়া ওটিটি প্ল্যাটফরম হইচই দুই বাংলাতেই জনপ্রিয়। কাজটা দুই বাংলার দর্শকের কাছে পৌঁছবে।’
মামলা, আদালত, লড়াই
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে মনোয়ার হোসেন ডিপজলের সঙ্গে আইনি লড়াই চলছে নিপুণের। তাঁর পক্ষে মামলা লড়ছেন আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল। গত সপ্তাহেই ছিল মামলার শুনানির তারিখ। কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষে মামলা লড়ছিলেন এই আইনজীবী। তাই নিপুণ নিজেই মঞ্জুরুলকে জানিয়েছেন, শুনানি আরো কিছুদিন পেছানোর আবেদন করতে। নিপুণ বলেন, ‘শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদ জাতীয় কোনো ইস্যু নয়। তার চেয়ে কোটা আন্দোলনকারী ছাত্রদের মামলা নিয়ে লড়াটা জরুরি। আমি মঞ্জু ভাইকে বলেছিলাম, আগে ছাত্রদের ন্যায্য দাবি পাইয়ে দিন, তারপর আমারটা দেখা যাবে।’ নিপুণ জানান, আগামী মাসের প্রথম দিকেই ফের আদালতে যাবেন। তাঁর আইনজীবীও সেই পরামর্শ দিয়েছেন।
ব্যবসায়ে বিপর্যয়
‘সাজঘর’ অভিনেত্রীর দুটি বিউটি পার্লার আছে ঢাকার গুলশান ও বনানীতে। সেখানে কাজ করেন ৫০ জনের বেশি কর্মী। আছেন বিদেশিও। তবে দেশের এই পরিস্থিতিতে ব্যবসার অবস্থা খুবই খারাপ। কর্মীদের আনা-নেওয়ার জন্য ট্রান্সপোর্টের ব্যবস্থা করতে হচ্ছে। বিদেশি কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও অতিরিক্ত লোকবল নিয়োগ দিতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে খরচ দিনদিন ঊর্ধ্বমুখী হলেও আয় নিম্নমুখী। বলেন, ‘এভাবে তো চলতে পারে না। সরকার ছাত্রদের দাবি মেনে নিয়েছে। এবার তো সব কিছু শান্ত হয়ে যাওয়া উচিত। আমরা যাঁরা ব্যবসা করি তাঁরা বুঝতে পারি একেকটা দিন নষ্ট মানে লাখ লাখ টাকার ক্ষতি। এই ক্ষতি পুষিয়ে উঠব কী করে? একজন অভিনেত্রী হিসেবে, একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে অনুরোধ করব, অনেক হয়েছে, প্লিজ এবার দেশকে দেশের মতো চলতে দিন।’