
কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় রাজধানীতে সরকারি স্থাপনায় ভাঙচুর, সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ ও নাশকতার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৮২৬ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব ও পুলিশ। ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানায় ২০৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ও র্যাব গ্রেফতার অভিযান চালাচ্ছে। গতকাল শনিবার বিকেলে ডিএমপি জনসংযোগ ও গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) কে এন রায় জানান, সহিংসতা-নাশকতার ঘটনায় গোয়েন্দা তথ্য ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্ত এবং গ্রেফতার করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় এখন পর্যন্ত সহিংসতার ঘটনায় মামলা হয়েছে ২০৭টি। এসব মামলায় এ পর্যন্ত ২৫৩৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
অপরদিকে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে ঢাকাসহ সারা দেশে সরকারি স্থাপনায় ভাঙচুর, সহিংসতা ও নাশকতার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৯০ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। এরমধ্যে ঢাকায় ৭১ জন ও ঢাকার বাইরে ২১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গতকাল শনিবার সকালে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ২৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে ঢাকায় ৮ জন এবং ঢাকার বাইরে ১৬ জন। এছাড়া নাশকতা, সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে এখন পর্যন্ত সারাদেশে মোট ২৯০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এরমধ্যে ঢাকায় ৭১ জন ও ঢাকার বাইরে ২১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে সহিংসতার অভিযোগে সিলেট মহানগর পুলিশের ছয় থানায় ১১টি মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যে পুলিশ নাশকতার অভিযোগে বিএনপি-জামায়াতের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দসহ দুই শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। গুলিতে নিহত সাংবাদিক তুরাবসহ সহিংসতার অভিযোগে করা সব মামলার বাদী পুলিশ। গতকাল শনিবার বিকালে সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার সাইফুল ইসলাম জানান, কোটা সংস্কারের দাবিতে সিলেটে সহিংসতার ঘটনায় ছয় থানায় ১১টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানায় ছয়, জালালাবাদ থানায় চার, দক্ষিণ সুরমা থানায় একটি মামলা করা হয়। তিনি জানান, নাশকতাকারীদের গ্রেফতার করার জন্য থানা পুলিশের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক টিম কাজ করে যাচ্ছে। গত শুক্রবার রাত থেকে গতকাল শনিবার বিকাল পর্যন্ত মহানগরী এলাকায় পুলিশের অভিযানে চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরমধ্যে কোতোয়ালি থানায় দুই, জালালাবাদ থানায় এক, দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করে। সবমিলিয়ে গত ১৭ জুলাই থেকে গতকাল শনিবার পর্যন্ত ১৪৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্র জানায়, সবকটি মামলা পুলিশ অ্যাসাল্ট, সরকারি কাজে বাধা, বিস্ফোরক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা। এর মধ্যে জালালাবাদ থানায় করা একটি মামলার বাদী কুমারগাঁও বিদ্যুৎকেন্দ্রের সহকারী পরিচালক (নিরাপত্তা)।
এছাড়াও চট্টগ্রামে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতার অভিযোগে আরও ৪৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে গতকাল শনিবার সকাল পর্যন্ত নগরী ও জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে ২৭ জন এবং জেলা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার করা হয় ১৭ জনকে। চট্টগ্রামে গতকাল শনিবার পর্যন্ত আন্দোলনের নামে নাশকতার অভিযোগে দায়ের করা মোট ৩০টি মামলায় ৮৪৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি-পিআর) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার কাজী মোহাম্মদ তারেক আজিজ বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরীতে কোটাবিরোধী আন্দোলনে হত্যা, দাঙ্গা, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও নাশকতার অভিযোগে বিভিন্ন থানায় ১৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ নিয়ে নগর পুলিশের অভিযানে এ পর্যন্ত ৪৭৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গত শুক্রবার রাতে সিএমপির আকবরশাহ্ থানায় নতুন করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ৩৭ জনের নাম উল্লেখ করে নতুন ওই মামলায় ৭০ থেকে ৭৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। এ নিয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতার অভিযোগে সিএমপির বিভিন্ন থানায় ১৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. আবু তৈয়ব বলেন, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার নিয়ে আন্দোলনের নামে সহিংসতার অভিযোগে জেলার বিভিন্ন থানায় ১১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় চব্বিশ ঘণ্টায় ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেলায় এ পর্যন্ত এসব মামলায় মোট ৩৭১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
অপরদিকে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে ঢাকাসহ সারা দেশে সরকারি স্থাপনায় ভাঙচুর, সহিংসতা ও নাশকতার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৯০ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। এরমধ্যে ঢাকায় ৭১ জন ও ঢাকার বাইরে ২১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গতকাল শনিবার সকালে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ২৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে ঢাকায় ৮ জন এবং ঢাকার বাইরে ১৬ জন। এছাড়া নাশকতা, সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে এখন পর্যন্ত সারাদেশে মোট ২৯০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এরমধ্যে ঢাকায় ৭১ জন ও ঢাকার বাইরে ২১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে সহিংসতার অভিযোগে সিলেট মহানগর পুলিশের ছয় থানায় ১১টি মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যে পুলিশ নাশকতার অভিযোগে বিএনপি-জামায়াতের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দসহ দুই শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। গুলিতে নিহত সাংবাদিক তুরাবসহ সহিংসতার অভিযোগে করা সব মামলার বাদী পুলিশ। গতকাল শনিবার বিকালে সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার সাইফুল ইসলাম জানান, কোটা সংস্কারের দাবিতে সিলেটে সহিংসতার ঘটনায় ছয় থানায় ১১টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানায় ছয়, জালালাবাদ থানায় চার, দক্ষিণ সুরমা থানায় একটি মামলা করা হয়। তিনি জানান, নাশকতাকারীদের গ্রেফতার করার জন্য থানা পুলিশের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক টিম কাজ করে যাচ্ছে। গত শুক্রবার রাত থেকে গতকাল শনিবার বিকাল পর্যন্ত মহানগরী এলাকায় পুলিশের অভিযানে চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরমধ্যে কোতোয়ালি থানায় দুই, জালালাবাদ থানায় এক, দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করে। সবমিলিয়ে গত ১৭ জুলাই থেকে গতকাল শনিবার পর্যন্ত ১৪৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্র জানায়, সবকটি মামলা পুলিশ অ্যাসাল্ট, সরকারি কাজে বাধা, বিস্ফোরক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা। এর মধ্যে জালালাবাদ থানায় করা একটি মামলার বাদী কুমারগাঁও বিদ্যুৎকেন্দ্রের সহকারী পরিচালক (নিরাপত্তা)।
এছাড়াও চট্টগ্রামে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতার অভিযোগে আরও ৪৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে গতকাল শনিবার সকাল পর্যন্ত নগরী ও জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে ২৭ জন এবং জেলা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার করা হয় ১৭ জনকে। চট্টগ্রামে গতকাল শনিবার পর্যন্ত আন্দোলনের নামে নাশকতার অভিযোগে দায়ের করা মোট ৩০টি মামলায় ৮৪৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি-পিআর) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার কাজী মোহাম্মদ তারেক আজিজ বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরীতে কোটাবিরোধী আন্দোলনে হত্যা, দাঙ্গা, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও নাশকতার অভিযোগে বিভিন্ন থানায় ১৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ নিয়ে নগর পুলিশের অভিযানে এ পর্যন্ত ৪৭৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গত শুক্রবার রাতে সিএমপির আকবরশাহ্ থানায় নতুন করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ৩৭ জনের নাম উল্লেখ করে নতুন ওই মামলায় ৭০ থেকে ৭৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। এ নিয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতার অভিযোগে সিএমপির বিভিন্ন থানায় ১৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. আবু তৈয়ব বলেন, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার নিয়ে আন্দোলনের নামে সহিংসতার অভিযোগে জেলার বিভিন্ন থানায় ১১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় চব্বিশ ঘণ্টায় ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেলায় এ পর্যন্ত এসব মামলায় মোট ৩৭১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।