
জনতা ডেস্ক
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘শনিবারের হামলায় তিনি হয়তো মারাও যেতে পারতেন। তার কানে গুলি লেগে তিনি আহত হলেও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন। তবে বুলেট একটু এদিক সেদিক হলেই বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটে যেত, এমনকি তিনি হয়তো মারাও যেতে পারতেন।’ হামলার পরের দিন উইসকন্সিন অঙ্গরাজ্যে পৌঁছেছেন তিনি। এদিকে হত্যাচেষ্টাকারী থমাস ম্যাথিউ ক্রুকস রিপাবলিকান পার্টিরই নিবন্ধিত ভোটার বলে জানা গেছে। খবর বিবিসির।
ওই হামলার ঘটনার পর প্রথমবারের মতো মার্কিন গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আমার মনে হচ্ছিল ভাগ্য বা ঈশ্বরই আসলে আমাকে বাঁচিয়েছেন। বুলেটের আঘাতে সহজেই আমার মৃত্যু হতে পারতো। মাথা ঠিক সময়ে ঘুরানোর কারণে বুলেট আমার কান ছিদ্র করে চলে গেছে। নইলে তখনই আমার মৃত্যু হতে পারতো। তিনি বলেন, আমার এখন এখানে থাকার কথা ছিল না। আমার হয়তো মৃত্যু হতে পারতো। ভয়াবহ ওই হামলা থেকে বেঁচে ফেরার একদিন পর রিপাবলিকান পার্টির ন্যাশনাল কনভেশনে যোগ দিতে উইসকন্সিন অঙ্গরাজ্যে পৌঁছেছেন এই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এই সম্মেলনের পরিকল্পনা আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল। হামলায় আহত হওয়ার পরেও ট্রাম্প এই সম্মেলনে পেছাতে চাননি। তাই পূর্বনির্ধারিত সময়েই এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে জানান, তিনি এই সম্মেলন দুদিন পিছিয়ে দেয়ার কথা ভেবেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি আবার সিদ্ধান্ত নেন যে একজন হামলাকারী বা আততায়ীর জন্য পূর্ব নির্ধারিত পরিকল্পনা তিনি পরিবর্তন করবেন না। স্থানীয় সময় গত শনিবার সন্ধ্যায় পেনসিলভানিয়ার বাটলারে এক নির্বাচনী প্রচারণার সময় হামলার শিকার হন ট্রাম্প। তার ওপর ওই হামলার কারণে সোমবার আয়োজিত সম্মেলনের সুরক্ষার বিষয়ে আরও কঠোর অবস্থান নিতে হচ্ছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পকে গুলি করে হত্যাচেষ্টাকারী থমাস ম্যাথিউ ক্রুকস রিপাবলিকান পার্টিরই নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন। ক্রুকসের অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের একটি ভোটসংক্রান্ত নথি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা গেছে, তার জন্ম ২০০৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর। ওই নথি অনুযায়ী, তিনি ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির নিবন্ধিত একজন ভোটার। সেই সঙ্গে ভোটার স্ট্যাটাসের ঘরে ক্রুকসকে ‘সক্রিয়’ উল্লেখ করা হয়েছে। হামলার পরপরই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের গুলিতে নিহত হন ক্রুক। ট্রাম্প ওই সময়কার ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে জানান, তিনি যখন বুঝতে পারলেন যে তাকে গুলি করা হয়েছে সঙ্গে সঙ্গেই তিনি সমর্থকদের দিকে তাকিয়ে দেখেছিলেন। তিনি বলেন, ওই মূহুর্তে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলোর কাছ থেকেই আমি শক্তি পেয়েছিলাম। এটা বর্ণনা করা কঠিন। তবে আমি জানতাম যে বিশ্ব এই ঘটনা দেখছে। আমি জানতাম ইতিহাস এই ঘটনা বিচার করবে এবং আমি জানতাম যে তাদেরকে আমার এটা জানাতে হবে যে, আমরা ঠিক আছি। তিনি আরো বলেন, বৃহস্পতিবার আমি যে বকক্তৃতা দেব সেটা বিশেষ কিছু হতে যাচ্ছে। এই বক্তব্য এখনও দেয়া হয়নি। তবে দিলে, সেটা অসাধারণ বক্তব্যের মধ্যে একটি হতে চলেছে। এই বক্তব্যের বেশিরভাগ কথাই প্রেসিডেন্ট বাইডেনের বিভিন্ন নীতিকে উদ্দেশ্য করে লেখা হয়েছে। সত্যি বলতে, এই বক্তৃতা সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু হবে। দেশকে এক করার এটাই সুযোগ। আমাকে সেই সুযোগ দেয়া হয়েছে।
এদিকে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পেনসিলভানিয়ায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং ওই সমাবেশে একজন সাধারণ মানুষের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। হামলার কয়েক ঘণ্টা পর তিনি ট্রাম্পের সাথে ফোনে কথা বলেন এবং এই হত্যা প্রচেষ্টাকে ‘জঘন্য’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। গত শনিবার ট্রাম্পের ওপর ওই হামলার ঘটনায় কোরি কমপেরেটোর নামে ৫০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি নিহত হন। তিনি পেশায় ছিলেন একজন স্বেচ্ছাসেবক দমকল প্রধান। এছাড়া হামলায় ডেভিড ডাচ (৫৭) এবং জেমস কোপেনহেভার (৭৪) নামে আরও দুজন গুরুতর আহত হন। প্রেসিডেন্ট বাইডেন সমাবেশে নিহত কোরি কমপেরেটোরকে ‘হিরো’ বা ‘নায়ক’ হিসেবে সম্বোধন করে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। মূলত নিজ পরিবারকে রক্ষা করতে গিয়ে ওই ব্যক্তি নিহত হন। এদিকে প্রেসিডেন্ট বাইডেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিপজ্জনক বক্তব্য প্রচার করছে বলে রিপাবলিকানরা যে অভিযোগ তুলেছে সে বিষয়ে কোনও জবাব দেননি বাইডেন। তবে রাষ্ট্রীয় ভাষণে তিনি ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলে ট্রাম্প সমর্থকদের বিশৃঙ্খলার ঘটনাটির কথা উল্লেখ করেন এবং সাবেক হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির স্বামীর ওপর হামলার কথাও তুলে ধরেন।
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘শনিবারের হামলায় তিনি হয়তো মারাও যেতে পারতেন। তার কানে গুলি লেগে তিনি আহত হলেও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন। তবে বুলেট একটু এদিক সেদিক হলেই বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটে যেত, এমনকি তিনি হয়তো মারাও যেতে পারতেন।’ হামলার পরের দিন উইসকন্সিন অঙ্গরাজ্যে পৌঁছেছেন তিনি। এদিকে হত্যাচেষ্টাকারী থমাস ম্যাথিউ ক্রুকস রিপাবলিকান পার্টিরই নিবন্ধিত ভোটার বলে জানা গেছে। খবর বিবিসির।
ওই হামলার ঘটনার পর প্রথমবারের মতো মার্কিন গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আমার মনে হচ্ছিল ভাগ্য বা ঈশ্বরই আসলে আমাকে বাঁচিয়েছেন। বুলেটের আঘাতে সহজেই আমার মৃত্যু হতে পারতো। মাথা ঠিক সময়ে ঘুরানোর কারণে বুলেট আমার কান ছিদ্র করে চলে গেছে। নইলে তখনই আমার মৃত্যু হতে পারতো। তিনি বলেন, আমার এখন এখানে থাকার কথা ছিল না। আমার হয়তো মৃত্যু হতে পারতো। ভয়াবহ ওই হামলা থেকে বেঁচে ফেরার একদিন পর রিপাবলিকান পার্টির ন্যাশনাল কনভেশনে যোগ দিতে উইসকন্সিন অঙ্গরাজ্যে পৌঁছেছেন এই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এই সম্মেলনের পরিকল্পনা আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল। হামলায় আহত হওয়ার পরেও ট্রাম্প এই সম্মেলনে পেছাতে চাননি। তাই পূর্বনির্ধারিত সময়েই এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে জানান, তিনি এই সম্মেলন দুদিন পিছিয়ে দেয়ার কথা ভেবেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি আবার সিদ্ধান্ত নেন যে একজন হামলাকারী বা আততায়ীর জন্য পূর্ব নির্ধারিত পরিকল্পনা তিনি পরিবর্তন করবেন না। স্থানীয় সময় গত শনিবার সন্ধ্যায় পেনসিলভানিয়ার বাটলারে এক নির্বাচনী প্রচারণার সময় হামলার শিকার হন ট্রাম্প। তার ওপর ওই হামলার কারণে সোমবার আয়োজিত সম্মেলনের সুরক্ষার বিষয়ে আরও কঠোর অবস্থান নিতে হচ্ছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পকে গুলি করে হত্যাচেষ্টাকারী থমাস ম্যাথিউ ক্রুকস রিপাবলিকান পার্টিরই নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন। ক্রুকসের অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের একটি ভোটসংক্রান্ত নথি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা গেছে, তার জন্ম ২০০৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর। ওই নথি অনুযায়ী, তিনি ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির নিবন্ধিত একজন ভোটার। সেই সঙ্গে ভোটার স্ট্যাটাসের ঘরে ক্রুকসকে ‘সক্রিয়’ উল্লেখ করা হয়েছে। হামলার পরপরই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের গুলিতে নিহত হন ক্রুক। ট্রাম্প ওই সময়কার ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে জানান, তিনি যখন বুঝতে পারলেন যে তাকে গুলি করা হয়েছে সঙ্গে সঙ্গেই তিনি সমর্থকদের দিকে তাকিয়ে দেখেছিলেন। তিনি বলেন, ওই মূহুর্তে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলোর কাছ থেকেই আমি শক্তি পেয়েছিলাম। এটা বর্ণনা করা কঠিন। তবে আমি জানতাম যে বিশ্ব এই ঘটনা দেখছে। আমি জানতাম ইতিহাস এই ঘটনা বিচার করবে এবং আমি জানতাম যে তাদেরকে আমার এটা জানাতে হবে যে, আমরা ঠিক আছি। তিনি আরো বলেন, বৃহস্পতিবার আমি যে বকক্তৃতা দেব সেটা বিশেষ কিছু হতে যাচ্ছে। এই বক্তব্য এখনও দেয়া হয়নি। তবে দিলে, সেটা অসাধারণ বক্তব্যের মধ্যে একটি হতে চলেছে। এই বক্তব্যের বেশিরভাগ কথাই প্রেসিডেন্ট বাইডেনের বিভিন্ন নীতিকে উদ্দেশ্য করে লেখা হয়েছে। সত্যি বলতে, এই বক্তৃতা সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু হবে। দেশকে এক করার এটাই সুযোগ। আমাকে সেই সুযোগ দেয়া হয়েছে।
এদিকে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পেনসিলভানিয়ায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং ওই সমাবেশে একজন সাধারণ মানুষের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। হামলার কয়েক ঘণ্টা পর তিনি ট্রাম্পের সাথে ফোনে কথা বলেন এবং এই হত্যা প্রচেষ্টাকে ‘জঘন্য’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। গত শনিবার ট্রাম্পের ওপর ওই হামলার ঘটনায় কোরি কমপেরেটোর নামে ৫০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি নিহত হন। তিনি পেশায় ছিলেন একজন স্বেচ্ছাসেবক দমকল প্রধান। এছাড়া হামলায় ডেভিড ডাচ (৫৭) এবং জেমস কোপেনহেভার (৭৪) নামে আরও দুজন গুরুতর আহত হন। প্রেসিডেন্ট বাইডেন সমাবেশে নিহত কোরি কমপেরেটোরকে ‘হিরো’ বা ‘নায়ক’ হিসেবে সম্বোধন করে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। মূলত নিজ পরিবারকে রক্ষা করতে গিয়ে ওই ব্যক্তি নিহত হন। এদিকে প্রেসিডেন্ট বাইডেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিপজ্জনক বক্তব্য প্রচার করছে বলে রিপাবলিকানরা যে অভিযোগ তুলেছে সে বিষয়ে কোনও জবাব দেননি বাইডেন। তবে রাষ্ট্রীয় ভাষণে তিনি ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলে ট্রাম্প সমর্থকদের বিশৃঙ্খলার ঘটনাটির কথা উল্লেখ করেন এবং সাবেক হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির স্বামীর ওপর হামলার কথাও তুলে ধরেন।