
যশোর প্রতিনিধি
নগদ টাকাসহ নামে আন্তজেলা প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে যশোরের গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। ডিবি পুলিশের এসআই মফিজুল ইসলাম গত দুই দিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করেন। আটক রেজাউল করিম (৫৫) সাতক্ষীরা কলারোয়া উপজেলার লোহাকুড়া গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে এবং রফিকুল ইসলাম (৫৮) নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলার মিজমিজি পূর্বপাড়ার হাজী বাচ্চু মিয়ার ছেলে। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি রুপন কুমার সরকার গতকাল শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে প্রেস ব্রিফিং করেন। তিনি বলেন, রেজাউল করিম ও রফিকুল ইসলাম আন্তজেলা প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য। এরা যশোরের অভয়নগরের গোয়াখোলা এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতারণা করে আসছিল। চক্রটি যশোর মনিরামপুর উপজেলার ছিলিমপুর বাজারে কীটনাশক ব্যবসায়ী মোমিনুর রহমানের সঙ্গে ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক টাওয়ার স্থাপনের নামে প্রতারণা করে ২৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। তিনি আরও বলেন, তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ৬টি প্রতারণার মামলা রয়েছে। আসামিরা দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতারণার উদ্দেশ্যে ঘর ভাড়া করে কথিত অফিস খুলে এলাকায় স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল নির্মাণের জন্য জায়গা ক্রয়, বিল্ডিংয়ের ওপর কথিত ইন্টারনেট টাওয়ার নির্মাণ ইত্যাদির প্রলোভনে কৌশলে মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করে আসছে। গ্রেপ্তার দুজনের কাছ থেকে প্রতারণা করে নেওয়া ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
নগদ টাকাসহ নামে আন্তজেলা প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে যশোরের গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। ডিবি পুলিশের এসআই মফিজুল ইসলাম গত দুই দিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করেন। আটক রেজাউল করিম (৫৫) সাতক্ষীরা কলারোয়া উপজেলার লোহাকুড়া গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে এবং রফিকুল ইসলাম (৫৮) নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলার মিজমিজি পূর্বপাড়ার হাজী বাচ্চু মিয়ার ছেলে। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি রুপন কুমার সরকার গতকাল শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে প্রেস ব্রিফিং করেন। তিনি বলেন, রেজাউল করিম ও রফিকুল ইসলাম আন্তজেলা প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য। এরা যশোরের অভয়নগরের গোয়াখোলা এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতারণা করে আসছিল। চক্রটি যশোর মনিরামপুর উপজেলার ছিলিমপুর বাজারে কীটনাশক ব্যবসায়ী মোমিনুর রহমানের সঙ্গে ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক টাওয়ার স্থাপনের নামে প্রতারণা করে ২৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। তিনি আরও বলেন, তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ৬টি প্রতারণার মামলা রয়েছে। আসামিরা দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতারণার উদ্দেশ্যে ঘর ভাড়া করে কথিত অফিস খুলে এলাকায় স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল নির্মাণের জন্য জায়গা ক্রয়, বিল্ডিংয়ের ওপর কথিত ইন্টারনেট টাওয়ার নির্মাণ ইত্যাদির প্রলোভনে কৌশলে মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করে আসছে। গ্রেপ্তার দুজনের কাছ থেকে প্রতারণা করে নেওয়া ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।