
গতকাল বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ছিলো সেই ভয়াল দিন। শোকাবহ মিরসরাই ট্র্যাজেডির ১৩ বছর পূর্ণ হয়েছে। ক্যালেন্ডারের পাতার এই দিনটি কখনোই ভোলার নয়। এখনো আসা-যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার স্থানে থমকে দাঁড়ায় পথিক। ১৩ বছর আগে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা প্রাণ কেড়ে নেয় দুই অভিভাবক ও ৪৩ শিক্ষার্থীর। ২০১১ সালের ১১ জুলাই চট্টগ্রামের মিরসরাই স্টেডিয়াম থেকে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের খেলা শেষে একটি ট্রাকে করে আবুতোরাবে ফেরার পথে মায়ানী ইউনিয়নের পশ্চিম সৈদালীতে একটি ডোবায় শিক্ষার্থীদের বহনকারী মিনি ট্রাকটি উল্টে যায়। এতে একে একে মারা যায় ৪৩ স্কুল শিক্ষার্থী ও দুইজন অভিভাবক। সেদিনের সেই দুঃসহ স্মৃতি এখনো বয়ে বেড়ান নিহতের সহপাঠী ও স্বজনরা। মিরসরাই ট্র্যাজেডিতে নিহতদের স্মরণে আবুতোরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রবেশমুখে স্থাপন করা হয়েছে স্মৃতিস্তম্ভ আবেগ। আর দুর্ঘটনাস্থলে নির্মাণ করা হয়েছে স্মৃতিস্তম্ভ ‘অন্তিম’। মিরসরাই ট্র্যাজেডি এক বিভীষিকার গল্প। একে একে ৪৫টি জীবনের কঠিন নিয়তির গল্প। ৪৫টি পরিবারের সারা জীবনের অশ্রুপাতের গল্প। সেদিন মুহূর্তেই হইচই পড়ে যায় ঘটনাস্থলে। আশপাশের সবাই ছুটে এলো ঠিকই, কিন্তু বাঁচানো গেলো না পিকআপের তলানিতে আটকে পড়া কোনো ছাত্রকে। একে একে নিষ্প্রাণ হলো ৪৫টি তাজা প্রাণ। চালকের সামান্য ভুলে এতগুলো খেলাপাগল শিশু-কিশোর নিয়ে পিকআপ সোজা গিয়ে উল্টে গেলো পাশের ডোবায়।
বিশ্বের আলোচিত সেই মিরসরাই ট্র্যাজেডির ১৩ বছর ছিলো গতকাল বৃহস্পতিবার। দেখতে দেখতে ঘটনার ১৩টি বছর পার হলেও এখনো কান্না থামেনি সহপাঠী ও স্বজনদের। এখনো ছেলের ছবি নিয়ে নীরবে কাঁদেন গর্ভধারিণী মায়েরা। গভীর রাতে ঘুম থেকে জেগে আদরের সন্তানকে খুঁজে ফেরেন তারা। ১১ জুলাই এলে শোকে বিহ্বল হয়ে পড়েন স্বজনরা। স্মৃতি বলতে শুধুমাত্র ছবির ফ্রেমই রয়েছে। পুত্রহারা বাবা-মায়েরা সেই ছবি নিয়ে বুক চাপড়াতে চাপড়াতে আহাজারি করেন। আবার কখনো কখনো নীরব-নিস্তব্ধ হয়ে একেবারেই নির্বাক হয়ে যান। ওই সময় নিহতদের স্বজনদের সমবেদনা জানাতে ছুটে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ দেশের বিশিষ্টজনরা। থেমে ছিল না দেশের সমাজসেবকদের সাহায্যের হাত। মিরসরাই ট্র্যাজেডি নিয়ে ওই সময় ধারাবাহিক সংবাদ পরিবেশন করেছিল দেশের গণমাধ্যমের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলোও। এখনো সেই দুঃসহ স্মৃতি মনে উঠলে আঁতকে ওঠেন নিহতের স্বজনেরা। এখনো যাওয়া-আসার পথে দুর্ঘটনাস্থলে থমকে দাঁড়ায় পথিক। প্রতিবছরের মতো এবারও নিহতদের স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে আবুতোরাব বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি। আবুতোরাব বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল হোসেন বাবুল জানান, মিরসরাই ট্র্যাজেডিতে নিহত শিক্ষার্থীদের স্মরণে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে কোরআন খতম, বেলা ১১টায় স্মৃতিস্তম্ভ ‘আবেগ’ এবং ‘অন্তিম’ এ পুষ্পস্তবক অর্পন, সাড়ে ১১টায় শোকসভা ও বাদ জোহর দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। তিনি আরও বলেন, মিরসরাই ট্র্যাজেডিতে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী নিহত হওয়া আবুতোরাব উচ্চ বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করা, জাতীয়ভাবে মিরসরাই ট্র্যাজেডি দিবস পালনসহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
বিশ্বের আলোচিত সেই মিরসরাই ট্র্যাজেডির ১৩ বছর ছিলো গতকাল বৃহস্পতিবার। দেখতে দেখতে ঘটনার ১৩টি বছর পার হলেও এখনো কান্না থামেনি সহপাঠী ও স্বজনদের। এখনো ছেলের ছবি নিয়ে নীরবে কাঁদেন গর্ভধারিণী মায়েরা। গভীর রাতে ঘুম থেকে জেগে আদরের সন্তানকে খুঁজে ফেরেন তারা। ১১ জুলাই এলে শোকে বিহ্বল হয়ে পড়েন স্বজনরা। স্মৃতি বলতে শুধুমাত্র ছবির ফ্রেমই রয়েছে। পুত্রহারা বাবা-মায়েরা সেই ছবি নিয়ে বুক চাপড়াতে চাপড়াতে আহাজারি করেন। আবার কখনো কখনো নীরব-নিস্তব্ধ হয়ে একেবারেই নির্বাক হয়ে যান। ওই সময় নিহতদের স্বজনদের সমবেদনা জানাতে ছুটে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ দেশের বিশিষ্টজনরা। থেমে ছিল না দেশের সমাজসেবকদের সাহায্যের হাত। মিরসরাই ট্র্যাজেডি নিয়ে ওই সময় ধারাবাহিক সংবাদ পরিবেশন করেছিল দেশের গণমাধ্যমের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলোও। এখনো সেই দুঃসহ স্মৃতি মনে উঠলে আঁতকে ওঠেন নিহতের স্বজনেরা। এখনো যাওয়া-আসার পথে দুর্ঘটনাস্থলে থমকে দাঁড়ায় পথিক। প্রতিবছরের মতো এবারও নিহতদের স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে আবুতোরাব বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি। আবুতোরাব বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল হোসেন বাবুল জানান, মিরসরাই ট্র্যাজেডিতে নিহত শিক্ষার্থীদের স্মরণে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে কোরআন খতম, বেলা ১১টায় স্মৃতিস্তম্ভ ‘আবেগ’ এবং ‘অন্তিম’ এ পুষ্পস্তবক অর্পন, সাড়ে ১১টায় শোকসভা ও বাদ জোহর দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। তিনি আরও বলেন, মিরসরাই ট্র্যাজেডিতে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী নিহত হওয়া আবুতোরাব উচ্চ বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করা, জাতীয়ভাবে মিরসরাই ট্র্যাজেডি দিবস পালনসহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।