
টানা চার মেয়াদে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। এই চার মেয়াদে পদ্মা সেতু-মেট্রোরেলের মতো দৃশ্যমান উন্নয়নে একদিকে দেশের মানুষ সুফল পাচ্ছে এবং পৌঁছেছে অনন্য উচ্চতায় বাংলাদেশ। কিন্তু কতিপয় রাজনীতিবিদ-আমলা এবং পুলিশ কর্মকর্তার বিলাসী জীবনযাপন আর একের পর এক দুর্নীতিতে অস্বস্তি বিরাজ করছে সর্বমহলে। তাদের বিরুদ্ধে এবার কঠোর অবস্থান নিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যার বিরুদ্ধেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে, সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে দায়িত্বপ্রাপ্তদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, সকল মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পরপরই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবৈধ সম্পদের খোঁজে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে এ বিষয়ে সবুজ সংকেত দেয়া হয়েছে। এরইমধ্যে বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্মকর্তা মতিউর রহমান, প্রথম সচিব কাজী আবু মাহমুদ ফয়সাল, মূসক মনিটরিং, পরিসংখ্যান ও সমন্বয়ের দ্বিতীয় সচিব আরজিনা খাতুন, চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) কামরুল হাসান এবং পিএসসি চেয়ারম্যানের সাবেক গাড়িচালক আবেদ আলীর বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের চিত্র প্রকাশ পাওয়ার পর মাঠ পর্যায়ে তদন্ত শুরু করেছে সংস্থাটি। এর আগে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থিত এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সরকার দুর্নীতির বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে অটল এটি প্রধানমন্ত্রীর সাফ কথা। মন্ত্রিসভার আরেক সদস্য বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দুর্নীতির এসব ঘটনায় যারা জড়িত কাউকে ছাড় দেব না আমি। তবে কারও নাম বলেননি প্রধানমন্ত্রী। দুর্নীতি সংক্রান্ত বিষয়ে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না সেটিই বলেছেন তিনি।
প্রাপ্ত সূত্রমতে, ইতোমধ্যে দুদকের কাছে থাকা তালিকা অনুযায়ী মাঠ পর্যায়ে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। এজন্য উপজেলা প্রশাসন, ভূমি অফিস এবং ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থের খোঁজে মাঠ পর্যায়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। চিঠিতে অভিযুক্তদের স্থাবর-অস্থাবর ও ব্যাংকে থাকা অর্থের পরিমাণ জানতে চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের ট্যাক্স ফাইল ঘেঁটে দেখা হচ্ছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতিগ্রহণ করার পর প্রশাসনে সেই বার্তা দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে সব শ্রেণী-পেশায় থাকা দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার। অবশ্য গেল মাসের প্রথম সপ্তাহ, অর্থাৎ ৬ জুন জাতীয় সংসদে একই ধরনের তথ্য দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তিনি জানান, দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধের মাধ্যমে দেশের প্রকৃত আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য একটি সুশাসনভিত্তিক প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি করতে সরকার ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি’ গ্রহণ করেছে। তারই অংশ হিসেবে সরকারি, আধা-সরকারি দফতরগুলোর দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং সেবাগ্রহণে জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে ‘গণশুনানি’ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এমপি। তিনি বলেন, দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান, সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো দলের বা সংস্থার হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিতে হবে। সবশেষে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছি, কেউ বাঁচতে পারবে না। দুর্নীতির সঙ্গে যিনিই জড়িত থাকুক না কেন, আমরা ছাড় দেব না। দুর্নীতির ঘটনায় কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) বেনজীর আহমেদের অঢেল সম্পদ অর্জনের বিষয় সামনে আসার পর বিভিন্ন কর্মকর্তার দুর্নীতির চিত্র প্রকাশ পাচ্ছে। দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিও আলোচনায় আসে। সব ছাপিয়ে যায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য মো. মতিউর রহমানের ছেলের ১৫ লাখ টাকার ছাগলকাণ্ডে। এতে করে এনবিআর কর্মকর্তার অবৈধ হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের ঘটনা সামনে আসে। একের পর এক সরকারি কর্মকর্তার দুর্নীতির চিত্রে আলোড়ন উঠেছে দেশব্যাপী।
বর্তমানে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ কমে যাওয়ায় মানুষ দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। গত সোমবার বিকেলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘দুর্নীতি ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন সমন্বয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাষ্য শীর্ষক বঙ্গবন্ধু চেয়ার বক্তৃতা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে। প্রধান বিচারপতি বলেন, আমাদের দেশে একে অপরের প্রতি রেসপেক্ট (সম্মান) কমে গেছে। কারো কথা কেউ মানে না। যে কারণে একে অপরের কাছে গুরুত্বহীন হয়ে উঠেছি। এক বাহিনী অন্য বাহিনীর ওপর দোষ চাপাচ্ছে। এক সংস্থা অন্য সংস্থার ওপর। যার ফলে আমরা নীতি থেকে সরে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছি। ওবায়দুল হাসান বলেন, কোনো ইবাদত কবুল হবে না, যদি আপনার রুজি হালাল না হয়। বঙ্গবন্ধু শিক্ষিত সমাজের দুর্নীতি নিয়ে সব থেকে বেশি চিন্তিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে বঙ্গবন্ধুর ভাষ্য নিয়ে একটি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেছেন, প্রশাসনসহ প্রত্যেকেই দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সবসময়ই সহযোগিতা করছে। প্রশাসনের হাতেগোনা কয়েকজন কর্মকর্তা দুর্নীতি করে, আর বাকি সবাই বিব্রত হয়। সম্প্রতি সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকের ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতি নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আমি জানি না, একটা বিষয় আপনারা আমার সঙ্গে স্বীকার করবেন কিনা, দুর্নীতি তো সবাই করে না। হাতেগোনা কয়েকজন করে। ওই কয়েকজনের জন্য বাকি সবাই বিব্রত হয়। অবস্থা তো তাই দাঁড়িয়েছে, তাই না? তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে অবস্থানটা পরিষ্কার হয়েছে যে, দুর্নীতির সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিষয়ে কোনো সহানুভূতি দেখানো হবে না এবং দেখানো হচ্ছে না। এটা আপনারা খেয়াল করেছেন। যাদের দুষ্ট চিন্তার মানসিকতা, যাদের দুষ্ট বুদ্ধির মানসিকতা, তারা এই (দুর্নীতি) কাজগুলো করতে চান। যখনই এ বিষয়টি সরকারের নজরে আসে, সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রশ্রয় দেয়া হয় না। তিনি বলেন, কোথাও দুর্নীতি প্রমাণিত হয়েছে, কিন্তু ছেড়ে দেয়া হয়েছে, এমন কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। এমন কোনো বিষয় থাকলে আমার নজরে আনেন। আমি আবার তদন্তের ব্যবস্থা করব।
প্রাপ্ত সূত্রমতে, ইতোমধ্যে দুদকের কাছে থাকা তালিকা অনুযায়ী মাঠ পর্যায়ে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। এজন্য উপজেলা প্রশাসন, ভূমি অফিস এবং ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থের খোঁজে মাঠ পর্যায়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। চিঠিতে অভিযুক্তদের স্থাবর-অস্থাবর ও ব্যাংকে থাকা অর্থের পরিমাণ জানতে চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের ট্যাক্স ফাইল ঘেঁটে দেখা হচ্ছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতিগ্রহণ করার পর প্রশাসনে সেই বার্তা দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে সব শ্রেণী-পেশায় থাকা দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার। অবশ্য গেল মাসের প্রথম সপ্তাহ, অর্থাৎ ৬ জুন জাতীয় সংসদে একই ধরনের তথ্য দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তিনি জানান, দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধের মাধ্যমে দেশের প্রকৃত আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য একটি সুশাসনভিত্তিক প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি করতে সরকার ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি’ গ্রহণ করেছে। তারই অংশ হিসেবে সরকারি, আধা-সরকারি দফতরগুলোর দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং সেবাগ্রহণে জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে ‘গণশুনানি’ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এমপি। তিনি বলেন, দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান, সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো দলের বা সংস্থার হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিতে হবে। সবশেষে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছি, কেউ বাঁচতে পারবে না। দুর্নীতির সঙ্গে যিনিই জড়িত থাকুক না কেন, আমরা ছাড় দেব না। দুর্নীতির ঘটনায় কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) বেনজীর আহমেদের অঢেল সম্পদ অর্জনের বিষয় সামনে আসার পর বিভিন্ন কর্মকর্তার দুর্নীতির চিত্র প্রকাশ পাচ্ছে। দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিও আলোচনায় আসে। সব ছাপিয়ে যায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য মো. মতিউর রহমানের ছেলের ১৫ লাখ টাকার ছাগলকাণ্ডে। এতে করে এনবিআর কর্মকর্তার অবৈধ হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের ঘটনা সামনে আসে। একের পর এক সরকারি কর্মকর্তার দুর্নীতির চিত্রে আলোড়ন উঠেছে দেশব্যাপী।
বর্তমানে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ কমে যাওয়ায় মানুষ দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। গত সোমবার বিকেলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘দুর্নীতি ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন সমন্বয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাষ্য শীর্ষক বঙ্গবন্ধু চেয়ার বক্তৃতা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে। প্রধান বিচারপতি বলেন, আমাদের দেশে একে অপরের প্রতি রেসপেক্ট (সম্মান) কমে গেছে। কারো কথা কেউ মানে না। যে কারণে একে অপরের কাছে গুরুত্বহীন হয়ে উঠেছি। এক বাহিনী অন্য বাহিনীর ওপর দোষ চাপাচ্ছে। এক সংস্থা অন্য সংস্থার ওপর। যার ফলে আমরা নীতি থেকে সরে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছি। ওবায়দুল হাসান বলেন, কোনো ইবাদত কবুল হবে না, যদি আপনার রুজি হালাল না হয়। বঙ্গবন্ধু শিক্ষিত সমাজের দুর্নীতি নিয়ে সব থেকে বেশি চিন্তিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে বঙ্গবন্ধুর ভাষ্য নিয়ে একটি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেছেন, প্রশাসনসহ প্রত্যেকেই দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সবসময়ই সহযোগিতা করছে। প্রশাসনের হাতেগোনা কয়েকজন কর্মকর্তা দুর্নীতি করে, আর বাকি সবাই বিব্রত হয়। সম্প্রতি সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকের ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতি নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আমি জানি না, একটা বিষয় আপনারা আমার সঙ্গে স্বীকার করবেন কিনা, দুর্নীতি তো সবাই করে না। হাতেগোনা কয়েকজন করে। ওই কয়েকজনের জন্য বাকি সবাই বিব্রত হয়। অবস্থা তো তাই দাঁড়িয়েছে, তাই না? তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে অবস্থানটা পরিষ্কার হয়েছে যে, দুর্নীতির সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিষয়ে কোনো সহানুভূতি দেখানো হবে না এবং দেখানো হচ্ছে না। এটা আপনারা খেয়াল করেছেন। যাদের দুষ্ট চিন্তার মানসিকতা, যাদের দুষ্ট বুদ্ধির মানসিকতা, তারা এই (দুর্নীতি) কাজগুলো করতে চান। যখনই এ বিষয়টি সরকারের নজরে আসে, সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রশ্রয় দেয়া হয় না। তিনি বলেন, কোথাও দুর্নীতি প্রমাণিত হয়েছে, কিন্তু ছেড়ে দেয়া হয়েছে, এমন কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। এমন কোনো বিষয় থাকলে আমার নজরে আনেন। আমি আবার তদন্তের ব্যবস্থা করব।