সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) থেকে আ. মতিন সরকার
তিস্তার বালু চরে নানাবিধ সবজি ও ফসলের চাষাবাদ করে এখন অনেকে সাবলম্বী। উজান থেকে আসা পলি জমে তিস্তা পরিনত হয়েছে আবাদী জমিতে। তিস্তার ধূ-ধূ বালুচর এখন সবুজের ভরে উঠেছে। কাপাসিয়া ইউনিয়নের বাদামের চরের রুহুল আমিন বলেন, তিনি চলতি মৌসুমে ছয় বিঘা জমিতে চিনাবাদাম চাষ করেছেন। এতে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৭৫ হাজার টাকা। ফলনও ভাল হয়েছে। তিনি আশাবাদী আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে ছয় বিঘা জমিতে প্রায় ১০৮ মন বাদাম হবে। যার বর্তমান বাজার দর ২ লাখ ১৬ হাজার টাকা। খরচ বাদে তার দেড় লাখ টাকা লাভ হবে । তিনি মনে করেন ৬ মাসে চরের কৃষকরা গম, ভূট্টা, তরমুজ, বাদাম, তিল, তিশি, সোয়াবিন, আলু, মরিচ, পিয়াজ , কুমড়া চাষাবাদ করে এক বছর সংসার চালানোর সম্পদ জোগার করবেন।
তারাপুরের লাঠশালা চরের আরেক চাষি শফিকুল ইসলাম বলেন, বাদাম চাষে অল্প খরর কিন্তু লাভ বেশি । পলি জমে চরের মাটি উরর্বর হওয়ায় ফলন ভাল হচ্ছে। অল্প খরচে অধিক লাভের আশায় তিনি প্রতি বছর বাদাম চাষাবাদ করে আসছেন। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রববাহিত ভরা তিস্তা নদী মরায় পরিনত হয়েছে। প্রতিবছর হাজারও একর জমি নদীতে বিলীন হলেও অপরপ্রান্তে চর হয়ে জেগে ওঠে ওইসব জমি। সেই জমিতে চাষাবাদ করছেন চরবাসি। চরের জমি জিরাত খুয়ে যাওয়া পরিবারগুলে ৬ মাসের জন্য চরে ফিরে এসে তাদের বাপ-দাদার জমিতে নানাবিধ ফসল চাষাবাদ করছেন। গোটা চরাঞ্চল এখন পরিনত হয়েছে আবাদি জমিতে।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তিস্তার চরাঞ্চলে ১৭৬ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। ইতোমধ্যে ফলন আসতে শুরু করেছে। কাপাসিয়া চরের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. লিটন মিয়া জানান, চলতি মৌসুমে কাপাসিয়া চরে সবচেয়ে বেশি বাদাম চাষ হয়েছে। কাপাসিয়ার বাদারে চর ভরে উঠেছে বাদামে। কৃষি অধিদপ্তরের পরামর্শ নিয়ে বাদাম চাষ করছেন কৃষকরা। অনেক কৃষককে উন্নত জাতে বাদামের প্রদশনী দেয়া হয়েছে। হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোজহারুল ইসলাম বলেন, চরের মানুষের আগামি ৬ মাস কোন কষ্ট নেই। তারা বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করে সুন্দরভাবে সংসার পরিচালনা করতে পারবেন। কারন চরের জমি এখন চাষযোগ্য হয়ে উঠেছে। উপজেলা কৃষি অফিসার মো. রাশিদুল কবির জানান, প্রনোদনা কর্মসুচির আওতায় চরের কৃষকদের তুলনামুলকভাবে বেশি পরিমানে বিভিন্ন ফসলের বীজ ও সার প্রদান করা হয়েছে। নানাবিধ ফসল চাষাবাদে চরের কৃষকরা এখন অনেক আগ্রহী হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে চরে এখন বাদাম, কুমড়া, তরমুজ চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
তিস্তার বালু চরে নানাবিধ সবজি ও ফসলের চাষাবাদ করে এখন অনেকে সাবলম্বী। উজান থেকে আসা পলি জমে তিস্তা পরিনত হয়েছে আবাদী জমিতে। তিস্তার ধূ-ধূ বালুচর এখন সবুজের ভরে উঠেছে। কাপাসিয়া ইউনিয়নের বাদামের চরের রুহুল আমিন বলেন, তিনি চলতি মৌসুমে ছয় বিঘা জমিতে চিনাবাদাম চাষ করেছেন। এতে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৭৫ হাজার টাকা। ফলনও ভাল হয়েছে। তিনি আশাবাদী আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে ছয় বিঘা জমিতে প্রায় ১০৮ মন বাদাম হবে। যার বর্তমান বাজার দর ২ লাখ ১৬ হাজার টাকা। খরচ বাদে তার দেড় লাখ টাকা লাভ হবে । তিনি মনে করেন ৬ মাসে চরের কৃষকরা গম, ভূট্টা, তরমুজ, বাদাম, তিল, তিশি, সোয়াবিন, আলু, মরিচ, পিয়াজ , কুমড়া চাষাবাদ করে এক বছর সংসার চালানোর সম্পদ জোগার করবেন।
তারাপুরের লাঠশালা চরের আরেক চাষি শফিকুল ইসলাম বলেন, বাদাম চাষে অল্প খরর কিন্তু লাভ বেশি । পলি জমে চরের মাটি উরর্বর হওয়ায় ফলন ভাল হচ্ছে। অল্প খরচে অধিক লাভের আশায় তিনি প্রতি বছর বাদাম চাষাবাদ করে আসছেন। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রববাহিত ভরা তিস্তা নদী মরায় পরিনত হয়েছে। প্রতিবছর হাজারও একর জমি নদীতে বিলীন হলেও অপরপ্রান্তে চর হয়ে জেগে ওঠে ওইসব জমি। সেই জমিতে চাষাবাদ করছেন চরবাসি। চরের জমি জিরাত খুয়ে যাওয়া পরিবারগুলে ৬ মাসের জন্য চরে ফিরে এসে তাদের বাপ-দাদার জমিতে নানাবিধ ফসল চাষাবাদ করছেন। গোটা চরাঞ্চল এখন পরিনত হয়েছে আবাদি জমিতে।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তিস্তার চরাঞ্চলে ১৭৬ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। ইতোমধ্যে ফলন আসতে শুরু করেছে। কাপাসিয়া চরের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. লিটন মিয়া জানান, চলতি মৌসুমে কাপাসিয়া চরে সবচেয়ে বেশি বাদাম চাষ হয়েছে। কাপাসিয়ার বাদারে চর ভরে উঠেছে বাদামে। কৃষি অধিদপ্তরের পরামর্শ নিয়ে বাদাম চাষ করছেন কৃষকরা। অনেক কৃষককে উন্নত জাতে বাদামের প্রদশনী দেয়া হয়েছে। হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোজহারুল ইসলাম বলেন, চরের মানুষের আগামি ৬ মাস কোন কষ্ট নেই। তারা বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করে সুন্দরভাবে সংসার পরিচালনা করতে পারবেন। কারন চরের জমি এখন চাষযোগ্য হয়ে উঠেছে। উপজেলা কৃষি অফিসার মো. রাশিদুল কবির জানান, প্রনোদনা কর্মসুচির আওতায় চরের কৃষকদের তুলনামুলকভাবে বেশি পরিমানে বিভিন্ন ফসলের বীজ ও সার প্রদান করা হয়েছে। নানাবিধ ফসল চাষাবাদে চরের কৃষকরা এখন অনেক আগ্রহী হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে চরে এখন বাদাম, কুমড়া, তরমুজ চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।